আগারগাঁও স্ট্রীট হোটেলগুলোতে অবৈধকান্ডে পুলিশি অভিযান
শেরে বাংলা নগর প্রতিনিধি : আগারগাঁও পরিসংখ্যান ব্যুরো এলাকার স্ট্রীট হোটেলগুলোতে অবৈধ মাদক শিশা গাঁজা ইয়াবা ব্যবসাসহ বিশেষ করে ‘আসমার হোটেলসহ বেশকিছু স্ট্রিট হোটেলে অবৈধকান্ডে অবশেষে পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে। এছাড়াও কিশোর অপরাধ ছিনতাই, চুরি ডাকাতি প্রতিরোধ ও মাদক নির্মুলে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে ডিএমপি পুলিশ।
শেরে বাংলা নগর থানা পুলিশ জানায়, নিয়মিত পুলিশি অভিযানের সাধারণ কারণসমূহর অন্যতম হচ্ছে অবৈধ ব্যবসা বন্ধ করা। আগারগাঁও এলাকার পরিসংখ্যান ব্যুরোর আশপাশে স্ট্রিট হোটেলগুলোতে রাতে মাদকের বেচাকেনা চলে। বিশেষ করে আগারগাঁও তালতলা মেট্রোরেল ৩৩৬ নম্বর পিলারের নিচে অবস্থিত মিজান হোটেল,পশ্চিম আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত হোটেল আরমান, আসমার খাবারের হোটেলে সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে দুপুর ও রাতের বাঙালি খাবার পাওয়া যায়।একইভাবে তালতলা বাস স্ট্যান্ড এবং রোকেয়া সরণি সংলগ্ন লায়ন্স ভবনের কাছে অবস্থিত ফুড সেন্টারে অবৈধ কর্মকান্ডের অভিযোগ রয়েছে।
শেরে বাংলা নগর থানার ডিউটি অফিসার জানান, আবাসিক বা স্ট্রীট হোটেলের আড়ালে মাদক কেনাবেচা বা অনৈতিক ব্যবসা চালানো বন্ধ করতে অবিযান পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ; অপরাধী চক্রের অবস্থান বা সন্দেহভাজনদের আনাগোনা ঠেকাতে বিভিন্ন সময় তল্লাশি চালানো হয়।লাইসেন্স যাচাই: হোটেল বা রেস্তোরাঁগুলোর বৈধ বাণিজ্যিক লাইসেন্স এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ আছে কি না তা নজরদারি করা।
অসামাজিক ও অবৈধ ব্যবসা বন্ধে ডিএমপির কড়া নির্দেশনা রয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) স্পষ্ট জানিয়েছে, আবাসিক হোটেলগুলোতে বোর্ডার বা অতিথিদের সঠিক তথ্য (জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট) না রাখলে বা কোনো অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করলে হোটেল মালিক ও ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই এলাকা ছাড়াও নিকটবর্তী মিরপুর ও ডেমরা এলাকার কিছু হোটেলে এমন অভিযানে একাধিক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।




