• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

সেই ২০০ দায়মুক্তির অভিযুক্ত রাঘববোয়াল..


প্রকাশিত: ১০:৪০ পিএম, ২১ মার্চ ২১ , রোববার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২১১ বার

বিশেষ প্রতিনিধি : দুর্নীতির ‘দায়মুক্তি’র আড়ালে বানিজ্যে’র অভিযোগে অভিযুক্তদের তালিকা নাম ঠিকানাসহ আগামী ১১ এপ্রিল দাখিল করতে হবে হাইকোর্টে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সদ্যবিদায়ী চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ অবসরে যাওয়ার আগের পাঁচ মাসে অনুসন্ধান থেকে কতজনকে ‘দায়মুক্তি’ দিয়েছেন, তা জানতে চেয়ে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশের অনুলিপি প্রকাশ পেয়েছে আজ। রোববার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের স্বাক্ষর শেষে ১১ পৃষ্ঠার এর আদেশ প্রকাশ পায়। সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একে এম আমিন উদ্দিন মানিক জাতিরকন্ঠ কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দায়মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন, সোনা ও হীরা চোরাচালানের মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা সম্পদ অর্জন এবং ভারতে অর্থ পাচারের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট দিলীপ কুমার আগরওয়ালা। তিনি ‘ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড’ এবং ‘সফার্স’র মালিক। এছাড়া বহুল আলোচিত কাস্টমস কমিশনার নূরুল ইসলাম, সিভিল এভিয়েশনের প্রধান প্রকৌশলী শুধেন্দু গোস্বামী, পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস লি: ও তৎকালিন পরিচালক ও চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম হোসেন, বাপেক্স’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক (তিতাসের সাবেক এমডি) নওশাদুল ইসলাম, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নূরুল হুদা, এলজিইডি’র সাবেক প্রধান প্রকৌশলী খলিলুর রহমান, হানিফ এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. কফিলউদ্দিন, প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ‘আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশন,’ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে এলজিইডি’র প্রকল্প, দুদক উপ-পরিচালক আব্দুছ ছাত্তার সরকার, জনস্বাস্থ্যের নির্বাহী প্রকৌশলী নূরুল কবীর ভুইয়া, সওজ’র নির্বাহী প্রকৌশলী সেলিম আজাদ খান, রাজউকের নির্বাহী প্রকৌশলী ছাইদুর রহমান, একই প্রতিষ্ঠানের মো. সিরাজুল ইসলাম, সওজ’ নির্বাহী প্রকৌশলী শাহরিয়ার শরীফ খান,

ঢাকা ওয়াসার প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো.নূরুল ইসলাম, সাউথ-ইস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো.হারুনুর রশীদ, ডি বিল্ডার্স অ্যান্ড প্রপার্টিজ লি:’র মালিক মো. সরোয়ার খালেদ, প্রাণি সম্পদ অধিদফতরের প্রকল্প পরিচালক ডা. মো. বেলাল হোসেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারোয়ার, কাস্টমস কমিশনার (রাজস্ব) ড. মো.সহিদুল ইসলাম, উপ-প্রধান বন সংরক্ষক মো.শফিউল আলম চৌধুরী, বিডিবিএল’র এমডি মঞ্জুর আহমেদ, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্স হাসপাতালের পরিচালক প্রফেসর ডা. কাজী দ্বীন মোহাম্মদ, গোয়াইনঘাটের সাব-রেজিস্ট্রার স্বপ্না বেগম, স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো.নাছির উদ্দিন, কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের ক্যাশিয়ার মো. দেলোয়ার হোসেন, বিয়ানী বাজার উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খান,

গণপূর্তের হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা একেএম মজিবুর রহমান, যুগ্ম-সচিব মো.আবুল হাসনাত হুমায়ুন কবীর, পুলিশ ইন্সপেক্টর মাহবুবুল আলম ভুইয়া, পুলিশ ইন্সপেক্টর সাইদুর রহমান, সিটি ব্যাংকের ডিএমডি মো.ওয়াদুদ, আশুলিয়ার সাব-রেজিস্ট্রার গাজী মো. আবদুল করিম, চট্টগ্রাম সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ডকীপার বাবু ভজন বৈদ্য, বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানি লি:’র ম্যানেজার (নাম নেই), বিআরটিএ, ঢাকার সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) মো. শামসুল কবির, একই অফিসের মোটরযান পরিদর্শক মো.রিয়াজুল ইসলাম, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো.নজরুল ইসলাম।
এসব অভিযোগ ‘পরিসমাপ্তি’র চিঠির অধিকাংশগুলোতেই স্বাক্ষর করেন দুদক মহাপরিচালক (বিশেষ অনু:-তদন্ত) সাঈদ মাহবুব খান।