• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

সালমান ভক্তদের আর্তনাদ জোধপুরে


প্রকাশিত: ৫:৪৬ পিএম, ৫ এপ্রিল ১৮ , বৃহস্পতিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১০৩ বার

 

 

salman-vijan-www.jatirkhantha.com.bd-22222222জোধপুর থেকে খলিল পাঠান : সালমানের ভক্তরা আর্তনাদ শুরু করেছেন জোধপুরে। ভক্তদের কারণে তাঁকে জেলে নেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এজন্য আদালত চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।ওদিকে প্রযোজকরা পড়েছেন মহা ফাঁপড়ে। তাঁরা বলছেন, সালমনের উপর এক হাজার কোটিরও বেশি লগ্নি রয়েছে। তাঁর সাজা হওয়ায় অনিশ্চিত হয়ে পড়ল এই ফিল্মগুলির ভবিষ্যত্। মামলার রায় ঘোযণার এক দিন আগে অর্থাত্ বুধবার জোধপুর পৌঁছন সলমন খান, তাব্বু  এবং সেফ আলি খান।

salman-vijan-www.jatirkhantha.com.bd-1111111111111 ভক্তদের আর্তনাদ-রাতে ভাইজান সালমান খান কে সেন্ট্রাল জেলে যাচ্ছেন। আদালত সূত্র বলেছে, কিছুক্ষণের মধ্যে জেলে নেয়া হচ্ছে বলিউড সুপার স্টার ভাইজান সালমান খানকে। কৃষ্ণসার হত্যা মামলায় সলমনের ৫ বছরের জেল দিয়েছে আদালত। রায়ের ফলে সলমনকে আজ রাতে জোধপুর সেন্ট্রাল জেলে কাটাতে হবে।

salman-vijan-www.jatirkhantha.com.bd-8888আদালত সূত্র জানায়, ২০ বছর আগেকার কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলায়  সলমন খানকে দোষী সাব্যস্ত করল জোধপুরের আদালত। পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে পাশাপাশি তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় অন্য চার অভিযুক্ত ছিলেন সইফ আলি খান, তব্বু, নীলম এবং সোনালি বেন্দ্রে। তাঁদের অবশ্য বেকসুর ঘোষণা করেছে আদালত। এই রায়ের ফলে সলমনকে আজ রাতে জোধপুর সেন্ট্রাল জেলে কাটাতে হবে।

সলমনের আইনজীবী এইচ এম সারস্বতের দাবি ছিল, সরকারি কৌঁসুলি অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ সংগ্রহ করতেই পারেননি। মামলা সাজাতে ভুয়ো সাক্ষী দাঁড় করিয়েছেন। এমনকী, বন্দুকের গুলিতেই যে কৃষ্ণসার দু’টির মৃত্যু হয়েছিল, তা-ও সরকারি কৌঁসুলি প্রমাণ করতে পারেননি বলে দাবি করেছেন সারস্বত। ২৮ মার্চ নিম্ন আদালতে কৃষ্ণসার মামলার চূড়ান্ত পর্যায়ের শুনানি শেষ হয়।

অন্যদিকে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ১৯৯৮ সালের ১ এবং ২ অক্টোবর যোধপুরে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ সিনেমার শ্যুটিংয়ের মাঝে আলাদা আলাদা জায়গায় দু’টি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা করেছিলেন সলমন খান। সেই সময় তাঁর সঙ্গে সইফ আলি খান, নীলম, তব্বু এবং সোনালি বেন্দ্রেরা ছিলেন।
Salman-www.jatirkhantha.com.bd
রাজস্থানের কঙ্কানি এলাকায় গ্রামবাসীদের বক্তব্য, গুলির শব্দ শুনে তারা সলমনদের জিপসি গাড়িটিকে ধাওয়া করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের ধরা যায়নি। সেই সময় চালকের আসনে ছিলেন স্বয়ং সলমন। প্রবল গতিতে গাড়ি ছুটিয়ে তাঁরা পালিয়ে যান বলে দাবি করেন গ্রামবাসীরা।

বলিউড সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে সলমনের উপর এক হাজার কোটিরও বেশি লগ্নি রয়েছে। তাঁর সাজা হওয়ায় অনিশ্চিত হয়ে পড়ল এই ফিল্মগুলির ভবিষ্যত্। মামলার রায় ঘোযণার এক দিন আগে অর্থাত্ বুধবার জোধপুর পৌঁছন সলমন খান, তাব্বু  এবং সেফ আলি খান।