• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পেয়েও রাজাকার!


প্রকাশিত: ৪:৩৩ পিএম, ১৬ ডিসেম্বর ১৯ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২৪০ বার

 

বরিশাল প্রতিনিধি : মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পেয়েও তিনি এখন রাজাকার হয়ে গেছেন !তার তালিকার নম্বর ৬৫। খোঁজ নিয়ে এর কারণ সম্পর্কে জানা গেছে, ওই মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে বাসদ নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তীর কারণে তার বাবা অ্যাডভোকেট তপন কুমার চক্রবর্তী এখন নাকি রাজাকার।অথচ তিনি গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা। তার ক্রমিক নম্বর ১১২, পৃষ্ঠা নম্বর ৪১১৩। তিনি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতাও পেয়ে থাকেন। সদ্যঘোষিত রাজাকারের তালিকায় তিনি এখন ৬৫ নম্বর রাজাকার।

এমন পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী বাসদ নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্ত্তী নিজের ফেইসবুক পেজে এক পোস্টে এ ঘটনাকে নিজের ‘রাজনীতির খেসারত’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।তিনি লিখেন, মানুষের জন্য নিঃস্বার্থ কাজ করার পুরস্কার পেলাম আজ। ধন্যবাদ আওয়ামী লীগকে। সদ্য প্রকাশিত রাজাকারদের গেজেটে আমার বাবা এবং ঠাকুমার নাম প্রকাশিত হয়েছে।

আমার বাবা এড. তপন কুমার চক্রবর্তী একজন গেজেটেড মুক্তিযোদ্ধা, ক্রমিক নং ১১২ পৃষ্ঠা ৪১১৩। তিনি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা ভাতাও পেয়ে থাকেন। আজ রাজাকারের তালিকায় তিনি ৬৫ নাম্বার রাজাকার!’ডা. মনীষা বলেন, ‘আমার ঠাকুরদা এড সুধির কুমার চক্রবর্ত্তীকে পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী বাসা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। তিনিও ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃত। তাঁর সহধর্মিণী আমার ঠাকুমা উষা রানী চক্রবর্ত্তীকে রাজাকারের তালিকায় ৪৫ নাম্বারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ফেইসবুক পেজটি ডা. মনীষার বলে নিশ্চিত করে বরিশাল বাসদের আহ্বায়ক ইমরান হাবিব রুমন জাতিরকন্ঠ কে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় এমনটা করা করা কাজটি করা হয়েছে।তিনি বলেন, ডা. মনীষার গোটা পরিবার মুক্তিযোদ্ধা পরিবার। কেবল রাজনৈতিক কারণে ওই পরিবারের মুক্তিযোদ্ধাদের নাম রাজাকারের তালিকায় দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ছাত্রফ্রন্টের সদ্য সাবেক এই সভাপতি বলেন, নগরীর সড়ক থেকে হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় প্রতিনিয়ত আমাদের নেতাকর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।তিনি বলেন, সম্প্রতি মহানগর বাসদের ২৪ ওয়ার্ডের সভাপতি শহিদুলকে ডেকে নিয়ে একই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তারেক সেখানকার কার্যালয় ভেঙে ফেলার হুমকি দিয়েছেন।