• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

মিলমিশে ভালবাসা জোড়া লাগুক জাপানী মা বাংলাদেশী বাবা’র!


প্রকাশিত: ৯:৪১ পিএম, ২৩ আগস্ট ২১ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২৭৯ বার

বাবার কোলে উঠেই ভালবাসায় থাকতে চায় শিশুরা। সব শিশুরাই এমন। কি বাংলাদেশী কি জাপানী,রাগ বিরাগ অনেক সময় সব এলোমেলো করে দেয়…………………

কোর্ট রিপোর্টার: এভাবে বাবার কোলে উঠেই ভালবাসায় থাকতে চায় শিশুরা। সব শিশুরাই এমন। কি বাংলাদেশী কি জাপানী বা অন্য কোনো দেশের শিশুই হোক। সব শিশুই চায় বাবা মার সঙ্গে ভালবাসায় মিলে থাকতে! কিন্তু রাগ বিরাগ অনেক সময় সব এলোমেলো করে দেয়! সেটাই ঘটেছে জাপানী মা বাংলাদেশী বাবার! তাই মিলমিশে ভালবাসা জোড়া লাগুক জাপানী মা বাংলাদেশী বাবা’র!

বিজ্ঞ আদালত’ও মিলমিশ করার করার পরামর্শ আদালতের। ফের কি মিলবে জাপানী ভাবী বাংলাদেশী স্বামীর সঙ্গে! প্রশ্ন অনেক! তবে পরামর্শ করতে দোষ কি? আদালত বলেছে ৩১ আগস্টের মধ্যে উভয়পক্ষের আইন জীবীদের বিষয়টি সমাধান করতে এবং একই সঙ্গে ভূমিকাও রাখতে বলেছেন। মিলমিশ হবে কিনা তা দেখতে অপেক্ষা করতে হবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত..।

যাহোক, জাপানি দুই শিশুকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তেজগাঁওয়ের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে উন্নত পরিবেশে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময়ে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত জাপানি মা ও বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বাংলাদেশি বাবা শিশুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন। ৩১ আগস্ট শিশুদেরকে হাইকোর্ট হাজির করতে হবে। ওইদিন আদালত পরবর্তী আদেশ দিবেন। তবে আদালত উভয়পক্ষের আইনজীবীদের ৩১ আগস্টের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করতে ভূমিকা রাখতে বলেছেন। সোমবার (২৩ আগস্ট) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে শিশুদের জাপানি মায়ের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। বাবার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফাওজিয়া করিম।

জাপানের নাগরিক নাকানো এরিকো টোকিও থেকে বাংলাদেশে আসেন দুই শিশুকন্যাকে ফিরে পেতে। পেশায় চিকিত্সক নাকানো এরিকো ঢাকায় এসে ১৯ আগস্ট হাইকোর্টে একটি রিট করেন। মেয়ে দুটির বাবা বাংলাদেশি শরীফ ইমরানের কাছ থেকে সন্তানদের নিজের জিম্মায় পাওয়ার আবেদন করেন তিনি। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ ৩১ আগস্ট দুই শিশুকে হাজির করতে তাদের বাবা ও ফুফুকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর আগেই ১০ ও ১১ বছর বয়সী মেয়ে দুটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ ছাড়া শিশুদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক তাদের বাবা যাতে দেশ ত্যাগ করতে না পারেন, সে জন্য ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।