মান্নাকে কিনতে ব্যর্থ তারেক জিয়া
বিশেষ প্রতিনিধি বগুড়া থেকে : নানা ধরনের টোপ দিয়েও মান্নাকে কিনতে ব্যর্থ হলেন বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক জিয়া। তিনি চেয়েছিলেন মান্না বিএনপিতে এসে ভোট করুক। কিন্তু মান্না সোজা না করে দিয়েছেন। বলেছেন এভাবে তিনি বিক্রি হবেন না। বরং মান্না বলেছেন, নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী হয়ে ভোট করা হলে তিনি ভেবে দেখতে পারেন।
জানা গেছে, বগুড়া-৬ ও সংরক্ষিত মহিলা আসনে প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে বিপাকে বিএনপি। বগুড়ার আসনে দলীয় প্রার্থী না দিয়ে বরং নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাকে প্রার্থী করার চেষ্ঠা চলছে। বিএনপি বলেছে, যদি তিনি বিএনপিতে যোগ দেন তাহলে তাকে প্রার্থী করা হবে। কিন্তু বিএনপির এই প্রস্তাব নাকচ করে দেন মান্না।
রোববার তিনি বলেন, কিছু দিন আগে বিএনপি মহাসচিব তাকে এই প্রস্তাব দেন। লন্ডন থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচন করতে আগ্রহী কিনা। বিএনপি মহাসচিব বললেন আমাদের হয়ে। তখন আমি জানতে চাই তারমানে কি বিএনপির হয়ে? মির্জা ফখরুল হেসে বলেন তারমানে তো তাই হয়।
বিএনপির এই প্রস্তাবে অবাক হন বলে জানান মান্না। বলেন তারমানে এমপি হওয়ার জন্য আমি দল ভেঙে দিয়ে বিএনপিতে চলে যাবো? এবিষয়টি নিয়ে অনেক আগেই কথা হয়েছিলো। ওটা ওইদিনেই শেষ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, নিবার্চন করার ইচ্ছা নেই। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো গ্যারান্টি যেখানে নেই সেখানে নিবার্চন করার আগ্রহ থাকে কিভাবে?মান্না বিএনপির মহাসচিবকে বলেন, ঐক্যফ্রন্ট থেকে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব পেলে তিনি বাকি শরিক দল জেএসডি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
এ আসনটিতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচন করে একাধিকবার জয়ী হয়েছেন। তাই নির্বাচনে কে প্রার্থী হবেন এ সিদ্ধান্ত নেবেন তারেক রহমান। আগামী ২৪ জুন এ আসনে নির্বাচন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথ না নেওয়ায় বগুড়া-৬ আসনটি শূন্য হয়।এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার শেষ দিন ২০ মে।
কিন্তু এই রির্পোট লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে বিএনপি সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। লন্ডনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন মনোনয়ন পেতে আগ্রহীরা। জানা গেছে, বিএনপির সিনিয়র নেতাদের একাংশ মনে করেন সংসদে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য দলের একজন সিনিয়র নেতাকে মনোনয়ন দেয়া প্রয়োজন।ওদিকে ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানকে চান তারা। অন্যদিকে শ্যামা ওবায়েদ ও ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নামও বলাবলি করা হচ্ছে।এছাড়া গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধু ও আলোচনায় আছেন।



