ব্যবসায়ীদের ওয়াদা রোজায় দাম বাড়াবেনা
বিশেষ প্রতিনিধি : ব্যবসায়ীদের ওয়াদা রোজায় দাম বাড়াবেনা।ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের পর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন বলেছেন, আসছে রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম একটুও বাড়বে না বলে তিনি আত্মবিশ্বাসী।রোজা সামনে রেখে এরইমধ্যে বিভিন্ন ফলের পাশাপাশি পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম বেড়েছে ঢাকার বাজারগুলোতে।
এই প্রেক্ষাপটে রোববার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ভবনে চিনি, মসুর ডাল, ছোলা, তেল ও আটা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসেন মেয়র। সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ চিনি ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি আবুল হাসেম, বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্য তেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা ছিলেন বৈঠকে।বৈঠক শেষে মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কম থাকবে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এবার পর্যাপ্ত পরিমাণ পণ্য মজুত রয়েছে, যা দিয়ে আমাদের আসন্ন রমজানের পরও সামনের পূজায় সরবরাহ করতে পারবেন তারা। সুতরাং আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য বিশেষ করে ছোলা, চিনি, মসুর ডাল, সয়াবিন তেল ও আটাসহ অতি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের মূল্য কোনোক্রমেই গত বছরের চেয়ে এ বছর বাড়বে না।ঢাকা দক্ষিণ সিটির আওতাধীন এলাকার কাঁচাবাজারগুলোতে দ্রব্যমূল্য যাতে ‘লাগামহীন’ না হয় তা তদারকি করা হবে বলে জানান মেয়র।
তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মধ্য দিয়ে কোনও অসাধু ব্যবসায়ী যেন মূল্য বৃদ্ধি করতে না পারেন সেজন্য ডিএসসিসি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। সেই সঙ্গে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।বৈঠকে সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান বলেন, বাজারে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি বলার আগে অবশ্যই ক্রেতাদের দেখতে হবে কোন দ্রব্যটির দাম কত।
বাজারে বিভিন্ন প্রকারের ছোলা বিক্রি হয়। যেগুলো দেখতে একেবারেই পরিষ্কার সেগুলো কেজি ৯০-৯৫ টাকায় বিক্রি হয়। কিন্তু যেসব ছোলা নরমাল বা দেখতে একটু কালচে সেগুলো পাইকারি ও খুচরাভেদে ৫৫-৬২ টাকায় বিক্রি হয়। একইভাবে তেল ও মসুর ডালের ক্ষেত্রেও তা বিদ্যমান।আসন্ন রোজায় কয়েকটি পণ্যের দাম কেমন থাকবে, তারও একটি বিবরণ দিয়েছেন সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, রোজায় ছোলার পাইকারি মূল্য থাকবে ৭০-৭৬ টাকা এবং খুচরা মূল্য ৭৪-৮০ টাকা। চিনির পাইকারি মূল্য ৪৯ টাকা থেকে ৪৯ টাকা ৬০ পয়সা এবং খুচরা মূল্য ৫২ টাকা। মসুর ডাল পাইকারিতে ৮৫-৮৮ টাকা এবং খুচরায় ৮৯-৯২ টাকা। সয়াবিন তেল (খোলা) প্রতি লিটার পাইকারিতে ৭৩-৭৮ টাকা এবং খুচরায় ৭৭-৭৮ টাকা। আটা (খোলা) পাইকারিতে ২২-২৩ টাকা এবং খুচরায় ২৩-২৪ টাকা।



