• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

বিদায়বেলায় ক্ষমা করে দিও মোরে..


প্রকাশিত: ২:২৩ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২৫১ বার

সুপ্রিমকোর্ট রিপোর্টার : অঝোরে কাঁদতে থাকেন বিনতা মাহবুব। বিদায়বেলায় তিনি লাশবাহী গাড়ি ধরে বারবার বলতে থাকেন ‘ আমাকে ক্ষমা করে দিও, ক্ষমা করে দিও তুমি; আমাকে ক্ষমা করে দিও’ এ সময় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তিনি গাড়ি ধরে বারবার ক্ষমা চাইতে থাকেন। আর প্রয়াত স্বামীকে উদ্দেশ্য করে বলতে থাকেন– ক্ষমা করে দিও, পরে স্বজনরা এসে বিনতা মাহবুবকে সরিয়ে নিয়ে যা; আর লাশবাহী গাড়ি চলতে থাকে সামনের দিকে…। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে মাহবুবে আলমের লাশ সুপ্রিমকোর্টে এলে জানাজা সম্পন্ন হয় সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায়।

জানা গেছে, জ্বর ও গলাব্যথা নিয়ে ৪ সেপ্টেম্বর সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি হন রাষ্ট্রের প্রধান এ আইন কর্মকর্তা। ওই দিনই করোনা পরীক্ষা করলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ১৯ সেপ্টেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) থেকে তার মরদেহ আনা হয়।

সুপ্রিম কোর্টের এ সিনিয়র আইনজীবী ১৯৭৫ সালে হাইকোর্টে আইন পেশায় যুক্ত হন। ১৯৯৮ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে ২০০১ সালের ৪ অক্টোবর পর্যন্ত অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন।মাহবুবে আলম সুপ্রিম কোর্ট বারের ১৯৯৩-৯৪ সালে সম্পাদক ও ২০০৫-২০০৬ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান।তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হত্যা, জাতীয় চার নেতা হত্যা, সংবিধানের এয়োদশ ও ষোড়শ সংশোধনীসহ ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি করেন।