‘বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে এগিয়ে যাচ্ছে’
সংসদ রিপোর্টার : ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঢাকাস্থ রাষ্ট্রদূত রেনজি টিরিংক বলেছেন, অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই বাণিজ্য সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কাজ করে যাবে। সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি একথা বলেন বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানিয়েছেন। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন। শিক্ষাখাতেও বড় উন্নয়ন সহযোগী তারা।প্রেস সচিব বলেন, রাষ্ট্রদূত বাণিজ্য আরও বাড়ানোর কথা বলেন, যার ফলে দুই পক্ষই লাভবান হবে।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতে বাংলাদেশে জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোলৎজ উপস্থিত ছিলেন।প্রেস সচিব বলেন, জার্মান রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করে বলেন, অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।জার্মান রাষ্ট্রদূত বলেন, এত কিছু মোকাবিলা করেও শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রেখে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।২১ বছর আওয়ামী লীগের ক্ষমতার বাইরে থাকা এবং সেনাশাসনের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ অনেক বড় ছিল।
১৯৯৬ সালে প্রথম ক্ষমতায় আসার পর তার সরকারের সময় বেসরকারি খাত উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।নির্বাচনের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত ভোটে এলেও নির্বাচন নিয়ে তাদের আগ্রহ ছিল না। অন্যদিকে দেশের উন্নয়নের জন্য আপামর জনসাধারণ এবং বিশেষ করে নারী ও যুব সমাজ আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে।
দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য পরিস্থিতি ‘ভালো’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল থেকে উন্নয়ন নিশ্চিত করাই তার সরকারের লক্ষ্য।ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত করেন বিদায়ী ব্রিটিশ হাই কমিশনার অ্যালিসন ব্লেক। তিনি বাংলাদেশ-ব্রিটিশ সম্পর্ক সন্তোষজনক ও খুবই সুন্দর উল্লেখ করে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করেন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে বলে জানান তিনি।
এ সময় ১৯৭২ সালে পাকিস্তান কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে বঙ্গবন্ধুর লন্ডন যাওয়ার কথা স্মরণ করেন শেখ হাসিনা।রেলওয়ের উন্নয়নে ব্রিটিশ সহযোগিতা প্রয়োজন প্রত্যাশা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রেলওয়ের বিষয়ে ব্রিটেনের ওপর আমাদের আস্থা বেশি। কারন তারা অভিজ্ঞ।”



