• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

বনানী আগুন ট্রাজেডি:নজরে ফারুক-রুপায়ন


প্রকাশিত: ৪:৩২ পিএম, ৩০ মার্চ ১৯ , শনিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১৫১ বার

 

 

স্টাফ রিপোর্টার : অবশেষে বনানীর বহুতল বাণিজ্যিক ভবন এফআর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের দুদিন পর এই তথ্য জানালেও এর বাদী কে হয়েছেন এবং কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া। এফআর টাওয়ার মামলা দায়েরের পর নজরদারিতে রাখা হয়েছে হচ্ছে ভবন মালিক ফারুক-রুপায়ন হাউজিং এর মালিককে। তারা যাতে পালাতে না পারে সে দিকেও দেখভাল করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে।

শনিবার দুপুরে পুরান ঢাকার চকবাজারে মাদকবিরোধী ও ট্রাফিক সচেতনতা তৈরি বিয়য়ক এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, বনানী থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। কমিশনার বলেন একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে, এটা আমরা তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এই অগ্নিকাণ্ডে ২৬ জন নিহত এবং অর্ধ শতাধিক ব্যক্তি আহত হন। ক্ষতিগ্রস্ত কাউকে বাদী করে মামলা দায়ের করতে চান বলে পুলিশ প্রধান মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী একদিন আগেই জানিয়েছেলেন।

তিনি শুক্রবার বলেছিলেন, নিহতের পরিবারের কেউ মামলা করলে সরকার তাদের সহযোগিতা করবে। এছাড়া তাদের কেউ বাদী হতে রাজি না হলে রাষ্ট্র নিজেই বাদী হয়ে মামলা করবে। কী কী ধারায় মামলা হবে, সেটা আমরা এখন দেখব। ভবনটিতে পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা না থাকা এবং ভবন নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ না করার দিকে ইঙ্গিত করে গৃহায়নমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছিলেন, এটা দুর্ঘটনা নয়, এটি ‘হত্যাকাণ্ড’। মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মোস্তাক আহমেদ জাতিরকন্ঠ কে বলেন, এ বিষয়ে বিস্তারিত আমরা পরে জানাব।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই ভবনের জমির মূল মালিক এস এম এইচ আই ফারুক নামের একজন প্রকৌশলী। আর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভবনের অর্ধেকের মালিকানা ছিল রূপায়ন হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের হাতে। এ কারণে নাম সংক্ষেপে ভবনের এফআর টাওয়ার। মূল মালিকরা বিভিন্ন ফ্লোর পরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। এখন এফআর টাওয়ার পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্বে আছেন প্রযুক্তি খাতের কোম্পানি কাশেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের এমডি তাসভীর উল ইসলাম।

এদিকে বনানীর অগ্নিকাণ্ডের রেশ না কাটতেই শনিবার সকালে আগুনে পুড়েছে গুলশান ১ নম্বরের ডিএনসিসি মার্কেট সংলগ্ন কাঁচাবাজার। তার দুই মাস আগে চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডে নিহত হন ৭০ জনের বেশি মানুষ। এসব অগ্নিকাণ্ডের জন্য ভবন নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ না করাকে দায়ী করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, কেউ বিল্ডিং কোড মানেন না। তিনি নগরবাসীকে বিধিমালা অনুসরণ করে ভবন নির্মাণ এবং পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জাম রাখার অনুরোধ জানান।