প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি ক্ষেত্রেই যেন পর্যায়ক্রমে বিশেষজ্ঞের সৃষ্টি হয় সেই উদ্যোগ নেবে সরকার। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাজ চলছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জেলা পর্যায়ে মেডিক্যাল কলেজ করে দিয়েছি। দেশের প্রথম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করে দিয়েছিলাম। দু’টো মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ইতোমধ্যে করা হয়েছে। আরও একটা করার পরিকল্পনা আছে।’
‘এভাবে পর্যায়ক্রমে আমাদের লক্ষ্য, প্রতিটি ডিভিশনাল হেডকোয়ার্টারে আমরা একটা করে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় করে দেবো। এর সাথে আরও মেডিক্যাল কলেজও আমরা করে দিচ্ছি।এভাবে চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি শুধু হাসপাতাল করে ছেড়ে দেয়া নয়, বিশেষজ্ঞ তৈরি করা, তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান শেখ হাসিনা।
পর্যায়ক্রমিকভাবে অন্যান্য জায়গায়ও বছরে অন্তত একবার করে নিয়মিত ক্যাম্প করে চিকিৎসা সেবা দেয়ার উদ্যোগ নেয়ার প্রস্তাব করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, বিশেষ করে ক্যাম্পগুলো শীতের সময় করলে ভালো হয়।কেননা বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুসারে বর্ষাকালের বদলে শীত বা হেমন্ত বা শরৎকালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলে সেটা চিকিৎসা দেয়ার পাশাপাশি মানুষদের যাতায়াত ও যোগাযোগের জন্য সুবিধা হবে। একই সঙ্গে দ্রুত সুস্থ হওয়ার সুযোগও থাকে এই সময়গুলোতে।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এই চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের জন্য ২০ কোটি টাকার আলাদা একটি ফান্ড করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, একেবারে হতদরিদ্র মানুষেরা যেন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পায়, সেই ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য এই ফান্ড গঠন করা হবে।

হয়েছে।বুধবার সকালে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করেন।এ সময় তিনি বলেন, চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে বর্তমান সরকার।তিনি বলেন, ক্ষমতা ভোগের বস্তু নয়, মানুষের সেবা করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য।


