• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

‘প্রতিযোগিতায় সংবাদের মান কমেছে’


প্রকাশিত: ৬:১১ পিএম, ৪ মার্চ ২০ , বুধবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২৬৪ বার

স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিতর্ক ভিত্তিক সমাজের মাধ্যমে সমাজের পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটে। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা বিতর্ক ভিত্তিক সমাজ গঠনে অপরিহার্য। এ বিষয়ে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারি। দেশের গণমাধ্যম যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে সেলক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে ‘স্বপ্নের সারথি শাহ আলমগীর’ শীর্ষক স্মারক গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ লাভ করেছে। কিন্তু সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ পরিবেশনের প্রতিযোগিতা সংবাদের গুণগত মান কমেছে। এই প্রতিযোগিতার জন্য অনেক সময় বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা সম্ভব হয়ে উঠে না। অনেক সময় ভুল সংবাদ পরিবেশিত হয়ে থাকে। এ বিষয়ে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) ও প্রেস কাউন্সিলকে প্রয়োজনীয় কর্মশালার আয়োজন করার জন্যও বলা হয়েছে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোর নিবন্ধনের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি আশা করি, নিবন্ধনের পর অনলাইন নিউজ পোর্টালগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে। প্রতিষ্ঠিত অনলাইনগুলোকে প্রথম ধাপে নিবন্ধন দিতে চাই। চলতি মাসের ১৭ তারিখের পর থেকে নিবন্ধন দেওয়ার চেষ্টা করব।

শাহ আলমগীরের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি একজন উঁচু মাপের সাংবাদিক ও ভালো মানুষ ছিলেন। প্রচার বিমুখ একজন মানুষ ছিলেন তিনি। তার আচার-আচরণ ও দক্ষতা সব সময় আমাকে মুগ্ধ করেছে।

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, তার মতো নির্লোভ, নির্মোহ, প্রচার বিমুখ ও সহকর্মীদের সঙ্গে সদাচারী মানুষের সমাজে দরকার আছে। তাহলে সমাজে তার মতো আরো ভালো মানুষের জন্ম হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট কলামিস্ট সোহরাব হাসান, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, বিএফইউজে-বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ওমর ফারুক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)’র সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও প্রয়াত শাহ আলমগীরের সহধর্মিনী ফৌজিয়া বেগম মায়া।

পরিবর্তনের লক্ষ্যে ‘কার্যকর’ ডিইউজে
রুটি-রুজির নিরাপত্তায় আপোসহীন
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজে’র
২৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে
কবি মোশাররফ জহির পরিষদ এ
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে
আমি শফিক রহমান আপনার দোয়া
চাই, ভোট চাই, সমর্থন চাই-

তারিখ:-২৩.০২.২০২০ ইং

বরাবর,
ম্যানেজিং ডিরেক্টর,
সিটি ব্যাংক লিমিটেড, গুলশান ঢাকা।

বিষয়:-ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজে’র আসন্ন নির্বাচনে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার সাংবাদিক এর টেলিফোন ডিরেক্টরি প্রকাশ প্রসঙ্গে

জনাব,
নিবেদন এই যে, আগামী ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন এর নির্বাচন উপলক্ষ্যে জাতিরকন্ঠ’র উদ্যোগে প্রায় সাড়ে
৩ হাজার সাংবাদিক এর টেলিফোন ডিরেক্টরি প্রকাশিত হচ্ছে।

এতে আপনার প্রতিষ্টানের একটি সৌজন্য বিজ্ঞাপন (৫০ হাজার টাকা) প্রদানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাধিত করবেন।

শুভেচ্ছাসহ

(শফিক রহমান)
সম্পাদক

‘সত্য প্রচারে টুঁটি চেপে ধরা হচ্ছে’

স্টাফ রিপোর্টার : উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা কি হওয়া উচিত – এই ছিল সেমিনারের আলোচনার বিষয়। তবে আজ শনিবার প্রেস ক্লাবের ওই আলোচনায় বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের শীর্ষ ব্যক্তিরা সরকার কীভাবে গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরেছে সে অভিযোগ থেকে শুরু করে, জঙ্গি দমনে পুলিশি ভাষ্যের ও তদন্তের ফাঁক ফোকরের কথা তোলেন।
বাংলাদেশ পুলিশের সন্ত্রাস দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের অর্থায়নে ওই সেমিনারের আয়োজক ছিল সেন্টার ফর সোশ্যাল অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিসার্ফ)। সংবাদমাধ্যম কীভাবে উগ্রবাদ প্রচারে ব্যবহৃত হচ্ছে, উগ্রবাদ বিষয়ক সংবাদ প্রচারে কী কী পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত তা নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইমের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু বলেছেন, সরকারের কাজ গণমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরা নয়, কিন্তু সত্য সংবাদ প্রচার করলেও তা করা হচ্ছে। এতে ক্ষতি হয়ে যায়। নির্বাচনের সময় যেখানে আওয়ামী লীগ শক্তিশালী , সেখানে বিএনপির প্রতিনিধি বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে, আবার যেখানে বিএনপি শক্তিশালী সেখানে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদের বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। যখনই প্রচার করা হচ্ছে, অমুক কেন্দ্রে এজেন্ট নেই, তিনি আরেকজন সাংবাদিক পাঠান ওই প্রতিনিধির খোঁজে। এমনও হয় যে প্রতিনিধি হয়তো ঘর থেকে বের হননি। এই সংবাদ প্রচার সরকারের জন্য ভালো। কিন্তু বলা হচ্ছে ক্ষতি হয়ে যাবে। কর্তৃপক্ষের তাঁদের প্রতি ভরসা নেই বলে দাবি করেন তিনি।

অনলাইন প্রচার কীভাবে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে সে সম্পর্কেও মন্তব্য করেন মোজাম্মেল বাবু । তিনি বলেন, তাঁকে ভিডিও কনটেন্টের প্রতিটি লাইনের জন্য জবাবদিহি করতে হয়, আর তাঁর রিপোর্টারকে তাঁর কাছে জবাবদিহি করতে হয়। কিন্তু পোর্টালগুলোর এই বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে তাদের এই বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে না। উদাহরণ হিসেবে তিনি ‘প্রথম আলো’র অনলাইন সংস্করণের কথা বলেন।

গাজী টিভি ও সারাবাংলা ডট নেটের এডিটর ইন চিফ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেন, সংবাদমাধ্যমকে দোষ দেওয়া সবচেয়ে সহজ। সংবাদমাধ্যমের কাছে মানুষের একটা চাহিদা আছে, তার জোগান তাকে দিতে হয়। সে কারণে অবাধ তথ্য প্রবাহের একটা ব্যবস্থা থাকতে হবে। হোলি আর্টিজানে হামলার আগ পর্যন্ত এ বিষয়ে রাষ্ট্রীয় কোনো নির্দেশনা ছিল না। তিনি উগ্রবাদ বিরোধী অভিযান নিয়ে পুলিশের যে ভাষ্য তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, পুলিশ নিজেই উদ্ধার দেখায় ‘জিহাদি বই’। অথচ তারা অনায়াসে উগ্রবাদী বই লিখতে পারে। সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা আরও বলেন, সকলেই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করার কথা বলেন। কিন্তু মত প্রকাশের স্বাধীনতা না থাকলে ভালো সাংবাদিকতা করা সম্ভব না। ভালো সাংবাদিকতার পূর্ব শর্ত হলো ভালো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।

এ টি এন বাংলার প্রধান নির্বাহী সম্পাদক জ ই মামুন বলেন, হোলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর মানুষ ‘উগ্রবাদী হামলা’র বিষয়টা বুঝেছে। এর আগে এই সরকারের আমলেই ব্লগার খুন হয়েছেন, জঙ্গি হামলা হয়েছে। সেগুলো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা ছিল।

বেসরকারি চ্যানেল দেশ টিভির বার্তা বিভাগের সম্পাদক সুকান্ত গুপ্ত অলক বলেন, যেকোনো ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে যথাযথ ভাষ্য প্রয়োজন। উদাহরণ হিসেবে তিনি সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার ও তাঁদের নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রচারের কথা তোলেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তারের পর হয়তো জানা যায়, ওই সন্ত্রাসী মাস দুয়েক আগে থেকে নিখোঁজ ছিলেন। এত দিন তিনি কোথায় ছিলেন, নজরদারিতে ছিলেন কি না সে বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে বলা দরকার।

বক্তাদের কেউ কেউ ওয়াজের নামে অশ্লীলতা, উগ্রবাদ প্রচার বন্ধে সরকারের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন। সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেন, যারা অশ্লীল ওয়াজ করেন তাদের যেন আমন্ত্রণ জানানো না হয়, সে বিষয়ে সচেতনতা তৈরির কাজ করছে পুলিশ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, মাছরাঙ্গা টিভির হেড অব নিউজ রেজওয়ানুল হক রাজা, এনটিভির বার্তা প্রধান জহিরুল আলম, ডিবিসি নিউজের সিইও মঞ্জুরুল ইসলাম ও একুশে টিভির মোস্তফা মহসিন আব্বাস।

গোলটেবিলের সমন্বয়ক ছিলেন সিসার্ফের নির্বাহী পরিচালক শবনম আজিম।

স্যার সালাম নিবেন,

দৈনিক সত্যকথা প্রকাশ করার ব্যাপারে
আপনার সহযোগীতা একান্ত কাম্য-
বিষয়টিতে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে বাধিত করবেন
আপনার মূল্যবান মতামত জরুরী স্যার

আপনাদের জাতীয় প্রেসক্লাবের মেম্বারশীপ
পাইয়ে দিতে এবার নির্বাচনে নামলাম
আপনাদের দোয়া ও আর্শিবাদ প্রত্যাশা করছি-

রাহুর কবল থেকে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ( ডিইউজে) কে রক্ষার জন্যে এবার আসন্ন ডিইউজে নির্বাচনে পাচঁ পাচঁটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দিতা করবে। রাহুর কবলে পতিত হওয়া ডিইউজে কে বাচঁ্তে এবারের এই মহা উদ্যোগ। আর মহা উদ্যোগের কান্ডারি হয়ে আসছে কবি মোশাররফ- জহিরুল প্যানেল। এই প্যানেলে আছেন :
সভাপতি : কবি মোশাররফ হোসেন (দৈনিক দেশকাল)
সহসভাপতি : মো: মোশারফ হোসেন (দৈনিক নওরোজ)
সাধারন সম্পাদক : জহিরুল ইসলাম ( বাংলাদেশ প্রতিদিন)
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক : রফিক আহমেদ ( দৈনিক আমাদের নতুন সময়)
সাংগঠনিক সম্পাদক : শফিক রহমান ( জাতিরকন্ঠ নিউজ টোয়েন্টিফোর)

বরাবর,
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট,
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়,
ঢাকা, প্রকাশনা শাখা।

বিষয়:-‘সত্যকথা প্রতিদিন’ নামে ছাড়পত্র প্রদানের আবেদন।

সূত্র: স্মারক নম্বর-১৫. ৫৭.০০০০.৩৮.০০১.২০১২০৩

জনাব,
সবিনয় নিবেদন এই যে, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (নিবন্ধন শাখা) কর্তৃক আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী কে গত ৪ ফেব্রুয়ারী (স্মারক নম্বর-১৫. ৫৭.০০০০.৩৮.০০১.২০১২০৩) জানান যে, ‘সত্যকথা’ নামে ইতিপূর্বে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়েছে এবং নতুন নামে ছাড়পত্রের জন্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

উপরোক্ত নির্দেশনার আলোকে আমি ‘সত্যকথা প্রতিদিন’ নামে ছাড়পত্র’র আবেদন পেশ করলাম। অতএব মহাত্মন সমিপে নিবেদন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে বাধিত করবেন।

বিনীত নিবেদক,

এবিএম শফিকুর রহমান আজিজি,
পিতা মরহুম শামসুদ্দিন আহমেদ,
স্থায়ী ওবর্তমান ঠিকানা: ফ্ল্যাট নং-৪/এ, বাসা নম্বর-১৬/বি,, রোড নম্বর-১/১, মধুবাগ, খেজুরগাছ গলি, মগবাজার, রমনা, ঢাকা।

করোনাভাইরাস বাঙ্গালীদের আল্লাহ বাঁচিয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি : করোনাভাইরাস বাঙ্গালীদের আল্লাহ বাঁচিয়েছে। উহানে বা চীনে এখন পর্যন্ত কোনও বাংলাদেশি করোনা ভাইরাসে (২০১৯ এন সিওভি) আক্রান্ত হননি বলে জানিয়েছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারি সংস্থাটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এ তথ্য জানান। এ সময় আরও জানানো হয়, আইইডিসিআর এ পর্যন্ত ৩৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করেছে। লক্ষণ ও উপসর্গ দেখে এবং উহান থেকে আসার কারণে তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। কিন্তু কারও মধ্যে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।

চীন থেকে দেশে ফেরা ৩০২ জনের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া আটজনের শরীরেও এই ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, বিমানে থাকা অবস্থায় তাদের স্ক্রিনিং করা হয়। আটজনের শরীরের তাপমাত্রা প্রত্যাশিত মাত্রার থেকে বেশি হওয়ায় তাদের দুটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর আইইডিসিআর তাদের নমুনা সংগ্রহ করে। তবে রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তিনি আরও বলেন, যেহেতু তারা উহানে ছিল, তাই তাদের হজ ক্যাম্পে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

আর যিনি সিএমএইচে ছিলেন তিনি গর্ভবতী। স্বামী-সন্তানসহ তাদের সেখানেই কোয়ারেন্টাইন করে রাখা হয়েছে। এছাড়া ৩১২ জনের মধ্যে আরও দুটি পরিবার ছিল যাদের ছোট বাচ্চা রয়েছে তাদেরও সিএমএইচে আলাদা করে রাখা হয়েছে। শিশুরা একটু বেশি ভালনারেবল (ঝুঁকিপূর্ণ) বলে তাদের বড়দের সঙ্গে রাখা হয়নি। রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে হজ ক্যাম্পে থাকা একজনের শরীরে তাপামাত্রা বেশি থাকার কারণে তাকে কুর্মিটোলায় ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান সেব্রিনা ফ্লোরা। তিনি বলেন, এছাড়া বাকি সবাই মোটামুটি ভালো আছেন।

হজ ক্যাম্পের পরিবেশ নিয়ে সমালোচনা প্রসঙ্গে ডা. ফ্লোরা বলেন, এ অভিযোগটা একদমই মেনে নিতে পারি না। আমরা চেষ্টা করছি হজ ক্যাম্পে তাদের যা যা প্রয়োজন সেসব সরবরাহ করতে। তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমরা হজ ক্যাম্পটা তাদের জন্য তৈরি করেছিলাম। হজ মৌসুমে সেখানে যে রকম পরিকল্পনা থাকে অন্য সময়ে সেটা থাকে না। প্রথমদিন কিছু মশা ছিল সেখানে। তবে রবিবার থেকে মশা নেই। সিটি করপোরেশন সেখানে বিশেষভাবে কয়েকবার ফগিং করছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমি নিজে সেখানে থাকি।

এক রুমে অনেকজনকে রাখার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এক মিটার দূরত্বে থাকলে এই ভাইরাস একজন থেকে আরেকজনে যায় না। বিছানাগুলোও সেভাবেই রাখা। সেদিক থেকে আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। ফুলটাইম ক্লিনার থাকছে যারা সবকিছু পরিষ্কার করছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও সহযোগিতা করছে বলেও জানান তিনি।

হাসপাতাল থেকে হজ ক্যাম্পে ফেরত নেওয়া সাতজনকে পর্যবেক্ষণের জন্য নেওয়া হয়েছিল জানিয়ে সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, যদি তারা নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হন তাহলে ১৪ দিনের মধ্যে সেটা প্রকাশ পাবে। তাই তাদের পর্যবেক্ষণে রেখে স্ক্রিনিং করা হবে। আবার এটা কেবল ১৪ দিনই হবে কিনা, সে বিষয়েও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে আলাপ করে ঠিক করা হবে।

তিনি বলেন, ফেসবুকে অনেকেই অনেক কিছু লিখছে। তবে এটা ঠিক, এখানে যারা আছেন, তারা নিজের বাড়িতে এরকম পরিবেশে থাকেন না। কিন্তু বুঝতে হবে জরুরি পরিস্থিতির কারণে এমনটা করা হয়েছে। তার মধ্যেও যেন তারা ভালো থাকেন সেজন্য ওয়াইফাই, টেলিভিশনসহ ইনডোর খেলার নানা সরঞ্জামও দেওয়া হয়েছে।

স্যার,
আসসালামু আলাইকুম,
স্যার এবার নতুন নিয়ম করেছে নির্বাচন কমিশন,
এজন্য আপনার একটা ভোটার আইডির ছবি লাগবে-
প্লিজ নিশু ম্যামকে ব্যবস্থা নিতে বলুন,

একই সঙ্গে আপনার ড্রাইভার ও গ্রুপ চেয়ারম্যান স্যারের ড্রাইভারের ভোটার আইডি- পাসপোর্ট ছবি ১টি ও স্ট্যাম্প সাইজ একটি ছবি দিতে হবে

ভাগ্যবান সাকিব’ খাবার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি : একেই বলে ভাগ্যবান সাকিব! খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ হাতে রান্না করে সাকিব আল হাসানের বাসায় খাবার পাঠিয়েছেন। এ নিয়ে নিজেদের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন সাকিব দম্পতি। দেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব আল হাসান। অন্যদিকে, প্রশাসনিকভাবে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুজনের মধ্যে যোগাযোগটা নিবিড় এবং ধীরে ধীরে তা পারিবারিক পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। অসুস্থ সাকিবকে দেখতে প্রধানমন্ত্রী যেমন হাসপাতালে গেছেন, তেমনি তাঁর পরিবারকেও কাছে ডেকে এনে সময় কাটিয়েছেন আলাদা করে। এমনকি সংসদ নির্বাচনে সাকিবকে নির্বাচন বাদ দিয়ে খেলায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শও দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাকিবের পরিবারের সম্পর্ক এবার নতুন মাত্রা পেল।

নিজের শত ব্যস্ততা ফেলে আজ সকালে খাবার রান্না করে সাকিবের বাসায় পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর বাসায় সস্ত্রীক গিয়েছিলেন সাকিব। সেখানে সাকিবের জীবনসঙ্গী উম্মে শিশিরের কাছে প্রধানমন্ত্রী জানতে চেয়েছিলেন, তাঁর প্রিয় খাবার কী। শিশিরের কাছ থেকে জানার পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজ হাতে খাবার রান্না করে পাঠিয়ে দেবেন। কাল এ কথার বলার পর আজই সাকিবের বাসায় খাবার পাঠিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে খাবার ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে ঘটনাটা জানিয়েছেন সাকিব দম্পতি।

সাকিব তাঁর ফেসবুক পেজে প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো খাবারের ছবি দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্ত্রী এবং মেয়ের ছবি তুলে সেটা ফেসবুকে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘এ পৃথিবীতে আমি সবচেয়ে ভাগ্যবান মানুষ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৌজন্যে আমি ভাষাহীন, তাঁর হাতের সুস্বাদু খাবার খেলাম, যা তিনি সকালে নিজ হাতে রান্না করে আমার স্ত্রীর জন্য বাসায় পাঠিয়েছেন। গতকাল তাঁর বাসায় যাওয়ার পর সে (শিশির) নিজের পছন্দের খাবারের কথা জানিয়েছিল। ধন্যবাদ দিয়ে শেষ করতে পারব না। এই স্মৃতি আমার হৃদয়ে সারা জীবন অমলিন থাকবে। আমরা সত্যিই আশীর্বাদপুষ্ট!’

সাকিব আরো লিখেছেন, ‘এর চেয়ে বেশি ধন্য হতে পারতাম না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন ব্যস্ততার মাঝেও সময় বের করে আমার জন্য রান্না করে খাবার পাঠান, এর চেয়ে তৃপ্তিকর উপায়ে খাওয়ার কথা চিন্তাও করা যায় না। কাল তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলে জানতে চেয়েছিলেন, আমার পছন্দের খাবার কী কী। তিনি বলেছিলেন, নিজ হাতে খাবার রান্না করে পাঠিয়ে দেবেন! আমি এখন সত্যি সত্যিই আনন্দে দিশেহারা। আমার জীবনে সেরা মধ্যাহ্নভোজ। এত ভালোবাসা ও আদরের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করতে পারব না। উল্লেখ্য, নিষেধাজ্ঞার কারণে এখন ক্রিকেটের বাইরে রয়েছেন সাকিব।

স্বাধীনতার প্রায় অর্ধশত বছর পরও দেশবিরোধী শক্তি এখনও ফণা তোলার চেষ্ঠা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। চক্রটি স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারকে নানাভাবে বিপাকে ফেলারও অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

এমনি মূহুর্তে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী’র ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে জাতিরকন্ঠ’র উদ্যোগে জাতিরপিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের কর্মকান্ড তুলে ধরতে শুরু করেছে ‘জাতিরকন্ঠ বঙ্গবন্ধু প্রোফাইল’ শীর্ষক বিশেষ প্রতিবেদন। এ পর্যায়ে আমরা কথা বলছি ডিএফপি’র ডিজি জনাব মোহাম্মদ ইসতাক হোসেন এর সঙ্গে।

জনাব মোহাম্মদ ইসতাক হোসেন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ১৯৮৪ ব্যাচের একজন কর্মকর্তা। তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে তথ্য অফিসার পদে চাকরি জীবন শুরু করেন। গত ৩১ বছরে তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। জনাব ইসতাক হোসেন বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনে কাউন্সিলর পদে ৬ বছর কূটনৈতিক দায়িত্বও পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোল বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। এছাড়াও তিনি ইসলামাবাদের প্রেস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আপনার এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী’র ক্ষণ গণনা কিভাবে শুরু করেছেন?

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে আপনার ৩১ বছরের অভিজ্ঞতা কিভাবে কাজে লাগাবেন?

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে প্রশাসনিক বাঁধা কখনো অনুভব করছিলেন কি? কিভাবে মোকাবেলা করেছেন?

দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে আপনার অভিজ্ঞতায় এসব কর্মকান্ড
মিডিযায় তুলে ধরতে কি কি পদক্ষেপ জোরদার করছেন?

উড়াল সড়ক, পাতাল রেল, বঙ্গবন্ধু সেতু’র মত অগ্রসরমান স্থাপনা সমূহ জনগনের কাছে তুলে ধরতে আরো কি কি পদক্ষেপ নিতে পারে
তথ্য মন্ত্রণালয়?

বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে কোন পর্যায়ে পৌছে যেত বলে মনে করেন?

দুর্নীতি বাংলাদেশের উন্নয়নকে প্রায়ই বাঁধাগ্রস্থ করছে এর প্রতিরোধ কিভাবে করা যেতে পারে আপনার অভিজ্ঞতায় কি বলে?

সরকারের উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্থ করতে আগুন সন্ত্রাসীরা এখনও বিরাজমান এদের মূল উৎপাঠন করতে তথ্যমন্ত্রণালয় জনগনকে কিভাবে সচেতন করছে?

স্যার, সালাম নিবেন,

ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
নির্বাচনের জন্যে প্রেস আইডি ও গাড়ির
স্টিকারের জন্য আপনার ২ কপি পি পি ও ২ কপি স্ট্যাম্প
সাইজ ছবি লাগবে-বিষয়টি নিশু ম্যামকে নির্দেশ দিলে ভাল হয়

ধন্যবাদসহ
আপনার স্নেহের
শফিক রহমান

স্যার,
আসসালামু আলাইকুম,
ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
নির্বাচনের জন্যে প্রেস আইডি ও গাড়ির
স্টিকারের জন্য আপনার ও চেয়ারম্যান
স্যারের২ কপি পি পি সাইজ ছবি ও ২ কপি
স্ট্যাম্প সাইজ দরকার-প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে
ইসিকাকে নির্দেশ দিলে ভাল হয়-
বিনীত,
আপনার স্নেহের
শফিক রহমান

সব নাগরিকের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে:
মেয়র প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রহমান

ওয়ারী প্রতিনিধি : ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দক্ষিণ সিটির ওয়ারী থানার বিভিন্ন অঞ্চলে অব্যাহতভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রহমান। বুধবার বিকাল ৩ টা থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানীর ওয়ারী থানার আরকে মিশন রোড, জয়কালী মন্দির রোড, স্বামীবাগসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরনেতা প্রকৌশলী এহতেশামুল হক, শ্রমিকনেতা আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম, মুফতী ছিদ্দিকুর রহমান হাজী আব্দুল ওয়াহ্হাব খান, হাজী রুবেল, ছাত্রনেতা ইমরান হোসাইন নূরসহ ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন, যুব আন্দোলন ও ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

পীর সাহেব চরমোনাই মনোনীত হাতপাখার প্রার্থীর প্রতি গণমানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা ক্রমেই বেড়ে চলছে। মানুষের ধারণা ভোট দিতে পারবে কিনা। মানুষের মধ্যে শঙ্কা ও উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। ভোট দিতে পারলে তারা হাতপাখায় ভোট দেয়ার ওয়াদা করেন। গণসংযোগ ও পথসভাগুলো বিশাল গণমিছিলে রূপ নেয়। এ সময় রাস্তার দু’পাশে থাকা সাধারণ মানুষ হাত নেড়ে মেয়রপ্রার্থী কে শুভেচ্ছা জানান।

স্টাফ রিপোর্টার :

পলাতক সেই সিনহাগংদের ধরতে বিজ্ঞপ্তি

সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা। ফাইল ছবিসাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা। ফাইল ছবি

পলাতক সেই সিনহাগংদের ধরতে বিজ্ঞপ্তি দেয়ার নির্দেশ আদালত। -+দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জন পলাতক আসামির নামে জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মহানগরের সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েস আজ বুধবার এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্র বলছে, এর আগে ৫ জানুয়ারি সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। আজ ওই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার তামিল প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন ধার্য ছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে প্রতিবেদন দিয়ে বলা হয়, এস কে সিনহাসহ অন্যদের গ্রেপ্তার করা যায়নি। আদালত ওই প্রতিবেদন দিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। এ–সংক্রান্ত প্রতিবেদন ও মামলার শুনানির জন্য নতুন দিন ঠিক করা হয়েছে আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি।

গত ৯ ডিসেম্বর সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছিল দুদক।

মামলার আসামিরা হলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা, ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে এম শামীম, ব্যাংকটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও গুলশান শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মো. জিয়া উদ্দিন আহমেদ, গুলশান শাখার ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট শাফিউদ্দিন আসকারী, ভাইস প্রেসিডেন্ট লুৎফুল হক, এস কে সিনহার কথিত পিএস রণজিৎ চন্দ্র সাহা, রঞ্জিতের স্ত্রী সান্ত্রী রায় (সিমি), টাঙ্গাইলের মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা।

দুদক জানায়, এস কে সিনহার বিরুদ্ধে গত বছরের জুলাই মাসে মামলা করে সংস্থাটি। মামলায় ভুয়া তথ্য দিয়ে ফারমার্স ব্যাংক (বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক) থেকে অন্যের নামে চার কোটি টাকার ঋণ সৃষ্টি করে পরে তা এস কে সিনহার ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করার অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগে বলা হয়, সেই ব্যাংক হিসাব থেকে পরবর্তী সময়ে টাকা স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে পাচার করা হয়।

দুদক সূত্র বলছে, মামলার তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তার সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে বিদেশে অবস্থারত এস কে সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র অনুমোদন দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে নতুন করে আসামি হয়েছেন ফারমার্স ব্যাংকের নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী (বাবুল চিশতী)।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা অসৎ উদ্দেশে পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে চার কোটি টাকা ভুয়া ঋণ নিয়ে একই দিনে পে-অর্ডারের মাধ্যমে ব্যক্তিগত হিসাবে স্থানান্তর করেন। পরে ওই টাকা ব্যক্তিগত হিসাব থেকে অস্বাভাবিক নগদে এবং চেক ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে অন্য হিসাবে হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। পাশাপাশি ওই টাকার উৎস ও অবস্থান গোপনের মাধ্যমে পাচার বা পাচারের চেষ্টায় সম্পৃক্ত ছিলেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, জনৈক মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখায় আলাদা দুটি চলতি হিসাব খোলেন। পরদিনই তাঁরা দুই কোটি করে চার কোটি টাকা ঋণের আবেদন করেন। ব্যাংকে হিসাব খোলা এবং ঋণ আবেদনপত্রে দুজনই তাদের ঠিকানা বাড়ি নম্বর ৫১, সড়ক নম্বর ১২, সেক্টর ১০, উত্তরা আবাসিক এলাকা উল্লেখ করেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ওই বাড়ি সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার ব্যক্তিগত বাড়ি।

এজাহার বলছে, ঋণসংক্রান্ত আবেদন দুটি কোনো রকম যাচাই-বাছাই, রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণ এবং ব্যাংকের কোনো নিয়ম-নীতি না মেনেই শুধু গ্রাহকের আবেদনের ওপর ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক জিয়াউদ্দিন আহমেদসহ শাখার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঋণপ্রস্তাব তৈরি করে হাতে হাতে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়ে যান। প্রধান কার্যালয়ের ক্রেডিট কমিটির কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাই ছাড়াই অফিস নোট তৈরি করে তাতে স্বাক্ষর দিয়ে সাবেক এমডি এ কে এম শামীমের কাছে নিয়ে যান। ফারমার্স ব্যাংকের ঋণনীতি অনুযায়ী ঋণ দুটির প্রস্তাব অনুমোদন করার ক্ষমতা ব্যবস্থাপনা পরিচালকের না থাকা সত্ত্বেও তিনি এ-সংক্রান্ত যাচাই-বাছাই বা নির্দেশনা না দিয়ে ওই ঋণপ্রস্তাব দুটির অনুমোদন দেন।

ঋণ অনুমোদন হওয়ার পরের দিনই অনুমোদিত চার কোটি টাকার পৃথক দুটি পে-অর্ডার সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নামে ইস্যু করা হয়। পরে ওই পে-অর্ডার সোনালী ব্যাংকের সুপ্রিম কোর্ট শাখায় এস কে সিনহার হিসাবে জমা হয়। তিনি বিভিন্ন সময়ে অস্বাভাবিক ক্যাশ ও চেক/পে-অর্ডারের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে দিয়ে ওই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলেন।

ঢাকাস্থ চট্টগ্রাম বিভাগ সাংবাদিক সমিতি

তাং-৩১-১২-২০১৯
বরাবর,
ব্যবস্থাপনা পরিচালক,
অমিকন গ্রæপ, ৫ রাজ্জাক টাওয়ার, ঢাকা-১০০০।

বিষয়: নিম্নলিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদ¶েপ গ্রহণের আবেদন।

জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আপনার নির্দেশনায় আমি নিম্ন¯^া¶রকারী অমিকন গ্রæপের মিডিয়া কনসালটেন্ট থাকাকালীন সময় থেকে অনলাইন টিভি ও অনলাইন দৈনিক জাতিরকন্ঠ পরিচালনা করে আসছিলাম।

এই সময়কালীন আপনার স্নেহের আশির্বাদ পরামর্শ ও কৃপায় জাতিরকন্ঠ শিগগির সরকারি রেজিষ্ট্রেশন পেতে যাচ্ছে। জাতিরকন্ঠ ব্যবস্থাপনায় সম্পাদকীয় কমিটিতে আপনি ও চেয়ারম্যান স্যার এর নাম আছে। চলতি ডিসে¤\^র’১৯ থেকে অনলাইন পত্রিকার রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়ার (৩৫০০ প্রায়) তদন্ত শুরু হয়েছে।

এই দুটি মাধ্যম দিয়ে আমরা অমিকন গ্রæপের জন্যে বেশ কিছু স্থায়ী এ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের অনুমোদন পাবো। এই তদন্ত প্রক্রিয়া আরো কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

তাই মহাত্মন সমীপে নিবেদন, উপরোক্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ফেব্রুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত আমাকে মজুমদার ভবনের ক¶টি ব্যবহারে আপনার অনুমতি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে বাধিত করবেন।

আপনার স্নেহধন্য একান্ত বাধ্যগত
শফিক রহমান

সাধারণ এবং প্রযুক্তিগত দ¶তার একটি অনন্য মিশ্রণ)

(৮ ম ব্যাচের বিসিএস প্রশাসনের সদস্য)

সুলতান আহমেদ বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি ¶েত্রে একটি দুর্দান্ত একাডেমিক কীর্তি এবং উন্নয়ন প্রশাসনে শক্ত কাজের অসামান্য অভিজ্ঞতা অর্জন করে আসছেন। এটি তাকে সাধারণ এবং প্রযুক্তিগত দ¶তার এক অনন্য মিশ্রণের সাথে বিশেষজ্ঞ আধিকারিক করে তুলেছে। মিঃ সুলতান বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ট্রান্সপোর্ট ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েন, এবং ভোলা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় এবং বরিশালের সরকারী বিএম কলেজে বিজ্ঞান পড়েন। তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, রুরকি (আইআইটি-রুরকি) থেকে জল সম্পদ উন্নয়ন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হন। তিনি বুয়েটে পানিসম্পদ উন্নয়নে ডক্টর অফ ফিলোসফি অর্জন করেছিলেন। ডঃ সুলতান এশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, থাইল্যান্ড, আইএইচই-ডেলফ্ট, নেদারল্যান্ডস, লন্ড বিশ্ববিদ্যালয়, সুইডেন, সুকুবা বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান এবং সুইডেনের গথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জল সম্পদ উন্নয়ন ও পরিচালনায় ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রযুক্তি অধ্যয়ন করেছেন। তিনি দেশ-বিদেশে প্রশাসন, আইন, নীতি, প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন এবং পরিচালনা ইত্যাদি বিষয়ে সিস্টেমেটিক যন্ত্রের ব্যাপক প্রশি¶ণ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি ভূমি, জল, পরিবেশ, এবং জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত নীতি ও সংস্থার বিশেষজ্ঞ এবং ইআইএ পর্যালোচনা করেছেন।

ড। সুলতান, ক্যারিয়ারের আমলা, সহকারী প্রকৌশলী, সহকারী সচিব, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র সহকারী সচিবের মতো বিভিন্ন স¶মতা অর্জনে দেশের বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সরকারের সাথে ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। , উপ-সচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব, ইত্যাদি বিভিন্ন মন্ত্রক এবং পাবলিক অফিসে তিনি ফৌজদারী আদালতের সভাপতিত্ব করার এবং পেনাল কোড, ফৌজদারি কার্যবিধি, প্রমাণ আইন, দেশের প্রধান সার্বিক আইন সম্পর্কে বিস্তৃত জ্ঞানের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন। জনসাধারণের শ্রবণশক্তি, এবং বিচারিক ও প্রশাসনিক তদন্তের তাঁর বিশাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বিভিন্ন পাবলিক প্রশি¶ণ প্রতিষ্ঠানের প্রশি¶ক রং তিনি জল, জমি, আরএস, জিআইএস, ডাটাবেস এবং পরিবেশ বিকাশ ও পরিচালনায় বৌদ্ধিক এবং পেশাদার পরিষেবা প্রদানের বৈজ্ঞানিকভাবে ¯^তন্ত্র কেন্দ্র সিইজিআইএস-এ কাজ করেছিলেন, যা জল সম্পদ মন্ত্রকের তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত ব্যবসায়ের পরিচালক হিসাবে, এইচআরডি এবং প্রশাসন এবং আট বছরেরও বেশি সময়কালের জন্য নীতি ও প্রতিষ্ঠানের একজন প্রবীণ পেশাদার। ডঃ সুলতান ২০১ ঔধহঁধৎু সালের জানুয়ারী থেকে পরিবেশ অধিদফতরে এর মহাপরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ২০১২ সালের জানুয়ারী থেকে বিভাগের পরিচালক (প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা) হিসাবে আগে কাজ করেছেন।

ডাঃ সুলতানের অবিচ্ছিন্ন পদ¶েপ ও কার্যকর পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতামূলক প্রচারের কারণে পরিবেশ সংর¶ণ, সুর¶া এবং বিকাশ একটি দৃশ্যমান টেকসই আকার পেয়েছে: সারা দেশে পরিবেশগত আনুষ্ঠানিকতা একটি সংস্কৃতি ডঃ সুলতানের সাথে অব্যাহত প্রচেষ্টার অবসান ঘটিয়েছে পরিবেশ অধিদফতরের বিশেষায়িত প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি। তিনি বাস্তুসংস্থান এবং জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্প সংর¶ণের পরিবেশগতভাবে সমালোচনামূলক অঞ্চলগুলিতে সম্প্রদায় ভিত্তিক অভিযোজনকে শক্তিশালীকরণ ও একীকরণের সফল প্রকল্প পরিচালক ছিলেন যা তার স¶ম নেতৃত্বে কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়েছিল যা একটি ‘সম্প্রদায়ের সাথে জড়িত ইকোসিস্টেম ভিত্তিক প্রাকৃতিক সম্পদ মডেল পরিচালনা’ রেখেছিল। কিছু হাওর (জলাভূমি) এবং উপকূলীয় ভঙ্গুর ইকোসিস্টেমগুলিতে। তার অবিচল ও কার্যকর অনুশাসনের কারণে পরিবেশ অধিদফতরে প্রকল্প বন্দর-ফলসের সংখ্যা বেড়েছে।

ডঃ সুলতান পরিবেশ সংর¶ণ ও উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন ও প্রশমন, এবং টেকসই উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয়ে বাংলাদেশ দ্বিপা¶িক ও বৈশ্বিক আলোচনায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের প্রতিনিধি হিসাবে পরিবেশ অধিদফতরের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তিনি ইউএনএফসিসিসির পার্টির (সিওপি) সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন। প্যারিসের সিওপি ২১, মারাচেচে সিওপি ২২, কাতোয়াইসে সিওপি ২৪ এবং বৈশ্বিক আলোচনার জন্য তীব্র দ¶তা অর্জন করেছে। তিনি ২০১২ সালে বাংলাদেশকে কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে ¯^ল্প-কালীন জলবায়ু দূষণকারী (এসএলসিপি) হ্রাসের জন্য জলবায়ু ও ক্লিন এয়ার কোয়ালিশনের (সিসিএসি) বেশিরভাগ ওয়ার্কিং গ্রæপের সভায় অংশ নিয়েছিলেন।

ডঃ সুলতান ৩২ তম ব্যাচের বাংলাদেশ প্রশাসনিক পরিষেবার সদস্য। তিনি দ¶িণ এশীয় জল (সাউদা) সহকর্মী, এবং ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের সহযোগী। তিনি বিশেষভাবে বিশেষায়িত বিষয়গুলিতে এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সাহিত্য এবং জাতিগত বিষয়গুলি সহ অন্যান্য ¶েত্রেও তাঁর জ্ঞান আপডেট করার বিষয়ে সর্বদা আগ্রহী ছিলেন বলে দেখা গেছে। দীর্ঘ সময় কাজ করার, সামনের চিন্তাভাবনা, যোগাযোগ এবং প্রভাবিত করার, এবং বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা এবং বিচার করার দ¶তা তাঁর রয়েছে ব তিনি একজন ভাল যোগাযোগকারী, প্রেরণাদায়ক এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে, তাঁর সহকর্মীদের খুব ভাল বন্ধু। তিনি উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ এবং নিষ্ঠার সঙ্গে একটি খুব আনন্দদায়ক ব্যক্তিত্ব রয়েছে।

পূর্ববর্তী অবস্থানগুলি:

মহাপরিচালক, পরিবেশ অধিদফতর, বাংলাদেশ সরকার
অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ), পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক, বাংলাদেশ সরকার

শি¶া:

ডধঃবৎ জল সম্পদ বিকাশে পিএইচডি (নদী-প্লাবনভূমি একোহাইড্রোলজি) (৪.৫ বছর), বুয়েট, বাংলাদেশ (দ¶িণ এশিয়া জল ডধঃবৎ সাউদা ফেলো) (মে ২০১১)
ও আইআইটি-রুরকি (পূর্বে রুরকি বিশ্ববিদ্যালয়), ভারত (জানুয়ারী, ১৯৯৪) থেকে জল সম্পদ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্নাতকোত্তর (১৮ মাস)
ট বুয়েটে এমএসসি ইন ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (১৯৮৭-৮৮-৮৯): ৩০ ক্রেডিট কোর্সের কাজ শেষ হয়েছে
ঈরারষ বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), উযধশধাকা, থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক (৪ বছর), (মার্চ ১৯৮৭

পুরস্কার:

♦ প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রকল্প (টিসিএস) কল¤ে\^া প্লান বৃত্তি, যার অধীনে ডব্লিউআরই-তে এমএসসি ভারতের আইআইটি-রুরকিতে সম্পন্ন হয়েছিল
♦ নেদারল্যান্ডস সরকারের সাউথ এশিয়া ওয়াটার (সাউদা) ফেলোশিপ, যার অধীনে ডাব্লুআরডি-তে পিএইচডি বাংলাদেশের বুয়েটে করা হয়েছিল

প্রশি¶ণ: নীতি, সংস্থা, প্রশাসন, প্রকৌশল, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন, জীব বৈচিত্র্য ইত্যাদির উপর দেশে এবং বিদেশে প্রচুর প্রশি¶ণ প্রাপ্ত

প্রকাশনা:

♦ আহমেদ, এস, ১৯৯৯। এমএসসি থিসিস: সেডিমেন্ট ডিসচার্জ প্রেডিক্টরদের এন্ট্রপি ভিত্তিক বিশ্লেষণ, আন্তর্জাতিক নদী অববাহিকার সংঘাত ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত আঞ্চলিক সেমিনারের কার্যক্রম ১৯৯৯-৯ ডিসে¤\^র ১৯৯ ফঁৎরহম সালে ইাকায়, বাংলাদেশ বুয়েট কর্তৃক আয়োজিত এবং ইউনেস্কোর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হয়েছিল। ।
♦ আহমেদ, এস।, ২০০৪. বাংলাদেশ: অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মুলতুবি ইস্যু, সিওলে ১১-১ ঙপঃড়নবৎ অক্টোবর ২০০৪ চলাকালীন কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সঙ্কট পরিচালন সম্পর্কিত কর্মশালার কার্যক্রম, সিডি, কেডিআই স্কুল অফ পাবলিক পলিসি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, আয়োজিত। কোরিয়া।
♦ আহমেদ, এস, ২০০৮। সমšি^ত জল সম্পদ ব্যবস্থাপনা: একটি বিস্তৃত জাতীয় জল ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার মাধ্যমে নীতি থেকে অনুশীলন ঃড় একটি বাংলাদেশ কেস স্টাডি, শ্রীলঙ্কার কল¤ে\^ায় অনুষ্ঠিত দ¶িণ এশিয়ায় জল সম্পদ নীতি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের কার্যক্রম ১ ফঁৎরহম -২০ ডিসে¤\^র ২০০৮, ভারত আন্তঃবিভাগীয় জল সম্পদ স্টাডিজ (স্যাকুইটার্স) এর জন্য দ¶িণ এশিয়া কনসোর্টিয়াম আয়োজিত।
♦ আহমেদ, এস, ২০১১। স্টেজ স্থাপন (অধ্যায় ১, সহ-লেখক), কোযেে়ন ডি উইল্ডে (সম্পাদনা), চলন্ত উপকূলরেখাগুলি: গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা মোহনায় জমি উত্থান এবং ব্যবহার; পিপি ১-১৯। .াকা: ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
♦ আহমেদ, এস, ২০১১. পিএইচডি থিসিস: ডেল্টিক প্লাবনভূমি, বুয়েট, উযধশধাকার বন্যা ব্যবস্থাপনায় ইকোহাইড্রোলজিকাল বিবেচনার জন্য সিদ্ধান্ত সহায়তার বিকাশ।

প্রধানমন্ত্রীর নয়া মুখ্য সচিব হিসেবে
ড.কায়কাউস যোগ্যতার পদোন্নতি

শফিক রহমান : অবশেষে প্রশাসনের চৌকস কর্মকর্তা ১৯৮৪ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডার দেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ও লোডশেডিং বন্ধের অন্যতম কারিগর ড. আহমদ কায়কাউস এর যোগ্য মূল্যায়ন করলেন বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নেয়া রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার প্রধানমন্ত্রীর নতুন মুখ্য সচিব হিসেবে
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ড. আহমদ কায়কাউসকে বদলি করে এই আদেশ জারি করেছে। আদেশে বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমদ কায়কাউসকে প্রধানমন্ত্রীর নতুন মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।ওদিকে একই দিনে পৃথক এক প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান মুখ্য সচিব নজিবুর রহমানকে অবসর দেয়া হয়েছে। ৩০ ডিসে¤\^র তার বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী তাকে অবসর দেয়া হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। ১৯৮৪ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা ড. আহমদ কায়কাউস ২০১৬ সালের ১৫ ডিসে¤\^র বিদ্যুৎ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব হন। ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি সচিব পদে পদোন্নতি পান। চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি তাকে সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডঃ আহমদ কায়কাউস বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে ১৫ ডিসে¤\^র, ২০১৬ তারিখে সেক্রেটারি ইন-ইনচার্জ হিসাবে যোগদান করেন এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সালে তিনি সেক্রেটারির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পাওয়ার ডিভিশনে যোগদানের আগে ডঃ আহমদ আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইএফপিআরআই) পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড স্ট্রাটেজি সাপোর্ট প্রোগ্রামের (পিআরএসএসপি) ডেপুটি চিফ অফ পার্টি হিসাবে তিন বছর কাজ করেছিলেন, যেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এজেন্সি দ্বারা অর্থায়িত ছিল।

‘প্রতিটি গ্রাম হবে বাংলাদেশের শহর’ এমন দৃষ্ঠিভঙ্গি ছিল তাঁর সিভিল সার্ভিস কেরিয়ারে। তিনি গ্রামীণ ও শহর উভয় অঞ্চল সমান দ¶তার ¯^া¶র রেখেছিলেন। গবেষণামূলক পটভূমি থেকে তিনি উন্নয়নের নীতি দৃষ্টিকোণ ঠিক করতেন। আর এটা সফল হয়েছে ড. কায়কাউস এর আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস, উইলিয়ামস কলেজ, সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স থেকে ডেভলপমেন্ট ইকোনমিক্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের কারণে। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ডালাসে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক পলিসি এবং পলিটিকাল ইকোনমিতে পিএইচডি করেছেন।

তাঁর গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রশাসন, দারিদ্র্য, উন্নয়ন, শ্রমবাজার, মাইগ্রেশন ইত্যাদির মতো আন্তঃশৃক্সখলা সম্পর্কিত বিষয় রয়েছে। ডঃ আহমদ আইএফপিআরআইয়ের জন্য গবেষণা পত্র এবং জরিপ রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য জার্নাল নিবন্ধগুলির একটি ছিল বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কাঠামোগত রূপান্তর সম্পর্কিত ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট জার্নালে। জরিপের জন্য প্রশ্নমালা এবং নমুনা ফ্রেম বিকাশ করার বিষয়ে তাঁর বিশেষ দ¶তা রয়েছে । পাশাপাশি তিনি ক্লাস্টার ভিত্তিক অর্থনৈতিক রূপান্তর, ফিশ ভ্যালু চেইন, গ্রামীণ ননফর্ম অর্থনীতি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য জনসাধারণের ব্যয় নিয়েও গবেষণা করছেন।

ড. আহমদ কায়কাউস ১৯৮৬ সালের ২১ জানুয়ারী বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের প্রশাসনিক ক্যাডারে যোগদান করেন। তিনি বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরের যেমন সহকারী কমিশনার, উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট, এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি আবাসন অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর এবং বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড অন্তর্ভুক্ত বেশ কয়েকটি সংস্থায় ডেপুটেশনেও কাজ করেছিলেন। এছাড়াও ডঃ আহমদ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, অতিরিক্ত সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং বাংলাদেশ শক্তি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের (ইপিআরসি) চেয়ারম্যান ছিলেন। কায়কাউস আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের কলিন কাউন্টি কমিউনিটি কলেজ এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে, খণ্ডকালীন অনুষদ হিসাবেও কাজ করেছেন। তিনি নিয়মিত পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং সেন্টার, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস একাডেমি, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি বক্তা হিসাবে উপস্থিত হন।

ভোটে নেমেছে বিএনপির ইশরাক তাবিথ

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে ভোটের মাঠে নেমে পড়েছেন বিএনপির ইশরাক তাবিথ। আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে উত্তরে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য তাবিথ আউয়াল এবং দ¶িণে পেয়েছেন দলের সদ্য প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

শনিবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পার্লামেন্টারি সভায় এই দুইজন প্রার্থীকে চূড়ান্ত করা হয়।সভা শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের একথা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে শুক্রবারই দ¶িণে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনই বলে জানিয়েছিলেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি জানান, যেহেতু দ¶িণে আমাদের অন্য কোনো প্রার্থী নেই তাই ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন আমাদের চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনীত করা হয়েছে।

এদিকে ঢাকা উত্তরে মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়ন পেতে ফরম কিনেছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন। তবে শেষমেশ তাবিথ আউয়ালকেই বেছে নিল বিএনপি। যিনি আগের বার আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রয়াত জনপ্রিয় মেয়র আনিসুল হকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছিলেন।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ৩১ ডিসে¤\^র, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি। আর এই দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জানুয়ারি। ওইদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে।

উধরষু ঔধঃরৎশযধহঃযধ রং ঃযব যরমযবংঃ ারবংি ধহফ সড়ংঃ ৎবধফ হবংিঢ়ধঢ়বৎ ধহফ ঙঁৎ ড়হষরহব রং ঃযব সড়ংঃ ারংরঃবফ ইধহমষধফবংযর ধহফ ইবহমধষর বিনংরঃব রহ ঃযব ড়িৎষফ.জবঢ়ৎড়ফঁপঃরড়হ ড়ভ ধহু পড়হঃবহঃ,ড়হ ঃযরং বিনংরঃব রং ংঃৎরপঃষু ঢ়ৎড়যরনরঃব.পধষষ বফরঃরৎ-০১৭১৫০১১৮৩৭.

ডব ড়িঁষফ ষরশব ঃড় ংবঃ ঁঢ় নঁৎবধঁ ড়ভভরপব রহ টঘ সবসনবৎ ংঃধঃবং.ডযড় রহঃবৎবংঃবফ পধহ পড়হঃধপঃ-ঞযব ঢ়ৎরড়ৎরঃু ড়ভ ঃযব ইধহমষধফবংযর ষরারহম রহ ঃযব পড়ঁহঃৎু
ঊফরঃড়ৎ: ঝযধভরয় জধযসধহ, ঊসধরষ: বফরঃড়ৎ@লধঃরৎশযধহঃযধ.পড়স.নফ, ড়ৎ ধনসংযধভরয়@মসধরষ.পড়স;পধষষ: +৮৮০১৭১৫০১১৮৩৭

আমরা জাতিসংঘ সদস্যভুক্ত দেশ সমূহে
ব্যুরো অফিস স্থাপন করতে চাই-
আগ্রহীরা যোগাযোগ করতে পারেন-
অবস্থানরত বাংলাদেশীদের অগ্রাধিকার

সম্পাদক:
শফিক রহমান
বসধরষ:বফরঃড়ৎ@লধঃরৎশযধহঃযধ.পড়স.নফ, ড়ৎ ধনসংযধভরয়@মসধরষ.পড়স

সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রæপের সভাপতি এমদাদ জানান, কয়লা আমদানি করতে না পারলেও এলসি’র সুদ ব্যাংককে পরিশোধ করতে হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ইটভাটার মালিকের কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে এখন কয়লা দিতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। সবমিলিয়ে মারাত্মক ব্যবসায়িক ¶তির মুখে পড়েছেন আমদানিকারকরা

একশ্রেনীর দুর্নীতিবাজ আমদানিকারক ও সিএন্ডএফের লোকজনের সহায়তায় সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজ¯^ লুটপাট হচ্ছে দেশের কয়েকটি শুল্ক স্টেশনে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য তামাবিল স্থলবন্দর ও শেওলা’য় ‘শুল্ক লুটপাট’ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সৎ নিষ্ঠাবান আমদানিকারকরা।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের বিভিন্ন খনি থেকে প্রতিদিন সিলেট বিভাগের তামাবিল, বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলী সীমান্ত দিয়ে প্রায় ১০ হাজার টন কয়লা আমদানি হয়ে থাকে।

সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর, সুতারকান্দি ও শেওলা শুল্কস্টেশনের পাশাপাশি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগালি শুল্কস্টেশন দিয়ে কয়লা আমদানি বন্ধ রয়েছে।

সুনামগঞ্জের আমদানিকারক চৌধুরী আর এইচ শাহীন জানান, কয়লা আমদানি বন্ধ থাকায় জেলার আমদানিকারকেরা আর্থিক ¶তির মুখে পড়েছেন। কেননা, ভারতে তাঁদের অনেক কয়লা আটকে আছে।
তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক সমিতির সভাপতি আলকাছ উদ্দিন খন্দকার বলেন, সুনামগঞ্জের তিনটি শুল্কস্টেশন দিয়ে পাঁচ শতাধিক ব্যবসায়ী কয়লা আমদানি করেন। প্রতিদিন পাঁচ–ছয় হাজার টন কয়লা আমদানি হয়।
তাহিরপুরের বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলি শুল্কস্টেশনের রাজ¯^ কর্মকর্তা আবদুল হান্নান বলেন, আমদানি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ৫০-৬০ লাখ টাকার রাজ¯^ আয় কমেছে

আটাব সম্মিলিত ফোরামের নির্বাচনী প্রচারণা-

হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম এবং সাবেক হাব সহ সভাপতি স্টার ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এর এমডি গোলাম কিবরিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও কারিশমায় আটাব সম্মিলিত ফোরামের নির্বাচনী প্রচারণা-

আটাব নির্বাচনে সম্মিলিত ফোরাম এর ভিক্টরি অর্জনে মূল ভূমিকা পালনকারী ইনসেটে হাব সভাপতি তসলিম এবং সাবেক হাব সহ সভাপতি কিবরিয়া। নির্বাচনে আটাব সম্মিলিত ফোরামের নিরঙ্কুশ বিজয়ী মনসুর আহমদ কালামের নেতৃত্বাধীন প্যানেল নেতারা-

তসলিম-কিবরিয়ার কারিশমায়

তসলিম-কিবরিয়ার কারিশমায়
আটাবে সম্মিলিত ফোরাম ভিক্টরি

শফিক রহমান / সাইফুল বারী মাসুম : তসলিম-কিবরিয়ার কারিশমায় এবার আটাবে বিশাল ভিক্টরি অর্জন করেছে ‘আটাব সম্মিলিত ফোরাম’। হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম এবং সাবেক হাব সহ সভাপতি স্টার ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এর এমডি গোলাম কিবরিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও কারিশমায় আটাবে সম্মিলিত ফোরামের নিরঙ্কুশ বিজয় হয়েছে। ভোটাররা বলেছেন, এ বিজয় হয়েছে তসলিম-কিবরিয়ার সৎ নেতৃবৃন্দের কারণে। সংগঠন কু¶িগতকারী অসৎদের ভোটাররা প্রত্যাখান করেছে এবার। দুর্নীতি অসততা’র বিরুদ্ধে হাব নেতৃত্ব তসলিম-কিবরিয়া আটাব ভোটারদের বোঝাতে স¶ম হয়েছিলেন। অনুসন্ধানে দুর্নীতি অসততা’র মুখোশ খুলে যায় জিন্নুর আহমেদ চৌধুরী দীপু ও এম এ রশীদ শাহ সম্রাটদের। ফলে গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টের প্যানেল ও সংগঠনটির বিদায়ী ও টানা তিন মেয়াদের সভাপতি এস এন মঞ্জুর মোরর্শেদ মাহবুব এর ভরাডুবি ঘটে।

অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে প্র্ণূ প্যানেলে বিজয়ী হয়েছে মনসুর আহমদ কালামের নেতৃত্বাধীন আটাব সম্মিলিত ফোরাম। ২৯টি পদের সব ক’টিতেই এ প্যানেল জয় লাভ করেছে। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল ছিল জিন্নুর আহমেদ চৌধুরী দিপুর নেতৃত্বাধীন আটাব গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্ট। নির্বাচনী বোর্ডের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী জাতিরকন্ঠ কে বলেছেন, মনসুর আহমদ কালামের নেতৃত্বাধীন আটাব সম্মিলিত ফোরাম নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছেন।

রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে, চট্টগ্রামে পূর্ব নাসিরাবাদ ষোলশহর ২ ন¤\^র গেটের জিননুরাইন কনভেনশন সেন্টারে এবং সিলেটের জিন্দাবাজার গ্যালারিয়া শপিং কমপ্লেক্সে আটাব আঞ্চলিক কার্যালয়ে গত শনিবার ১৪ ডিসে¤\^র সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন আড়াই হাজারেরও বেশি। ২০১৯-২১ সেশনের জন্য ২৯ জন কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত করেন ভোটাররা। এর মধ্যে ঢাকা জোনের ১৭ জন এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের ছয়জন করে।

নির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকেই সভাপতি ও মহাসচিবসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হবে। সংগঠনটির নির্বাচনী বোর্ডের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী গত শনিবার রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

নির্বাচিত ২৯ জন হলেন- মনসুর আহমেদ কামাল (৭৮০ ভোট), গোলাম কিবরিয়া (৭৪৪), মোতাহের হোসাইন বুলবুল (৭৭৫), মো. আবুল কাসেম (৭৬৭), এফআর করিম কাজল (৭৬৫), আজহারুল কবির চৌধুরী (৭৬৫), এইচ বি এম শোয়াবে রহমান (৭৪৭), নজির আহমেদ আজাদ (৭৪৬), মো. গিয়াস উদ্দিন (৭৪৫), গোলাম কিবরিয়া (৭৪৪), মাওলানা ফজলুর রহমান (৭৪৩), মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন টিপু (৭৪২), মো. অলিউর রহমান (৭৪১), নির্মল চন্দ্র বৈরাগি ( ৭৩৯), মো. কাওসার হোসাইন আফরাদ ( ৭৩৯), মাহমুদুল হাসান (৭৩৯), গিয়াস উদ্দিন আহমেদ আমজাদ (৭৩৯), মো. মুসলেহ উদ্দিন (৭৩৭), মো. আবদুল খালেক (৭৩৬), মো. হেলাল (৭৩৪), মাহমুদুল হক পিয়ারু (৭৩২), আকবর আলী (৭৩০), মো. জিয়া উদ্দিন চৌধুরী (৭৩০), মো. মোকসেদুর রহমান (৭২৭), মো. জুনায়েদ গুলজার (৭২৫), মো. মাজহারুল হক ভূঁইয়া (৭১৪), মো. ফরহাদ গনি (৭১৯), মো. দেলাওয়ার হোসাইন ভূঁইয়া (৭১৪), মো. মোরশেদুল আলম (৭১৪), এ এস এম সাইফুল ইসলাম (৬৯৪)।

গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কয়েকজন হলেন- আফসিয়া জান্নাত সালেহ (৬৯৩), এম এ রশীদ শাহ সম্রাট (৬৯১), এইচ এম মুজিবুল হক শুক্কুর (৬৮৪), মো. ইদ্রিস মিয়া (৬৮০), মো. ওয়াহিদুল আলম (৬৭৯), শরাফত উল্লাহ শহিদ (৬৭৯), জিন্নুর আহমেদ চৌধুরী দীপু (৬৭৮), শফিক উল্লাহ নান্টু (৬৬৬), তৌফিক উদ্দিন আহমেদ (৬৬৫), মো. রফিকুল ইসলাম (৬৬৫), মনসুর আলী খান ( ৬৬৫), মুফতি কফিল উদ্দিন সরকার সালেহী (৬৬৩), জিয়াউর রহমান খান রেজোয়ান (৬৬২ )।

সম্মিলিত ফোরামের প্রধান সমš^য়কের দায়িত্বে ছিলেন হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম। গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টের প্যানেলের প্রধান সমš^য়ক ছিলেন সংগঠনটির বিদায়ী ও টানা তিন মেয়াদের সভাপতি এস এন মঞ্জুর মোরর্শেদ মাহবুব।

ভারতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় পুলিশ সদস্য গ্রেফতার
প্রকাশিত: ১৮ ডিসে¤\^র ২০১৯ – ১২:১১
ঝযধৎব ঃড় ঋধপবনড়ড়শ
ঋধপবনড়ড়শঝযধৎব ঃড় ঞরিঃঃবৎ
ঞরিঃঃবৎঝযধৎব ঃড় খরহশবফওহ
খরহশবফওহঝযধৎব ঃড় ডযধঃংঅঢ়ঢ়
ডযধঃংঅঢ়ঢ়ঝযধৎব ঃড় ঈড়ঢ়ু খরহশ
ঈড়ঢ়ু খরহশঝযধৎব ঃড় ঊসধরষ
ঊসধরষঝযধৎব ঃড় চৎরহঃ
চৎরহঃ

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভারতে পাচারের অভিযোগে দেব প্রসাদ সাহা নামে এক পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার গ্রেফতারের পর যশোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।

বিচার সাইফুদ্দিন হুসাইন আগামী ১৯ ডিসে¤\^র রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে আসামিকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন।

গ্রেফতার দেব প্রসাদ সাহা খুলনার তেরখাদা উপজেলা শহরের সুরেন্দ্রনাথ সাহার ছেলে।

গ্রেফতার ও রিমান্ড আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল থানার ওসি মামুন খান।

গ্রেফতার দেব প্রসাদ সাহা খুলনার তেরখাদা উপজেলা শহরের সুরেন্দ্রনাথ সাহার ছেলে।

আদালত সূত্র জানায়, গ্রেফতার আসামি দেব প্রসাদ সাহা ঢাকার উত্তরা ১ ন¤\^র আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে কনস্টেবল। সেই সুবাদে ২০১৪ সালের ২৭ ডিসে¤\^র থেকে ২০১৮ সালের ১৭ আগস্ট পর্যন্ত বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কর্মরত ছিলেন। তার বিপি ন¤\^র ৭৫৯৮০৫১১৯৮ ও কনস্টেবল ন¤\^র ৭০৩।

সেখানে কর্মরত থাকা অবস্থায় ভারতের অনেকের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। যে কারণে তিনি যখন তখন নোম্যানস ল্যান্ড অতিক্রম ভারতে যাওয়া আসা করতেন। ইমিগ্রেশনে দায়িত্ব পালনকালে সেনাবাহিনীর অফিস সহকারী আবু হানজালা রানা ও সৈনিক শাহনেওয়াজ শাহিনের সঙ্গে তার পরিচয় ও সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।

তারা দুইজন বেনাপোলে মাঝেমধ্যে এসে ভারতের এস চক্রবর্তী ও পিন্টু নামে দুইজনের কাছে বাংলাদেশের গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন।

২০১৮ সালের শেষের দিকে দেব প্রসাদ সাহা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স¤\^লিত একটি পেনড্রাইভ নোম্যানস ল্যান্ড পার হয়ে ভারতে পাচার করে। ১৫ দিন পর আবু হানজালা রানার কাছ থেকে এনে আবারো একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স¤\^লিত পেনড্রাইভ ভারতের এস চক্রবর্তী ও পিন্টুর কাছে হস্তান্তর করে দেব প্রসাদ সাহা।

গত ২৫ অক্টোবর ঢাকার কমলাপুরের একটি হোটেল থেকে ডিজিএফআই ও র‌্যাবের হাতে সৈনিক শাহানেওয়াজ শাহিন আটক হন। এ সময় তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি পেনড্রাইভ উদ্ধার হয় এবং ভারতের কাছ তথ্য পাচারের বেশ কিছু তথ্য দেন।

পরে বিষয়টি পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে অনুসন্ধানে নামে। তদন্তে তাদের মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও ভারতের পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আরেফের সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও সিডির মাধ্যমে ভারতে বাংলাদেশের তথ্য পাচারের বিষয়টি উঠে আসে।

বেনাপোল থানার ওসি মামুন খান জানান, সেনা সদস্য শাহনেওয়াজ ও অফিস সহকারী আবু হানজালার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে ভারতে পাচারের বিষয়টিও দেব প্রসাদ ¯^ীকার করেছে মর্মে তারা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে প্রতীয়মান হয়েছে। সে কারণে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্য দেব প্রসাদ সাহাকে আটকের পর মামলা দিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

মহাসচিব মসিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিজ্ঞপ্তিটি আমাকে দিয়েছিলেন। আমি চেয়ারম্যানের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছি। তিনি রেখে দিয়েছেন।’

মসিউর রহমান বলেন, পার্টির চেয়ারম্যান, কো চেয়ারম্যান এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষকসহ প্রেসিডিয়ামের সদস্যরা আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

এ পদোন্নতিকে বিভ্রান্তিকর, প্রচার না করার অনুরোধ জাপা চেয়ারম্যানের
এ দিকে সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে বিবৃতি পাঠিয়ে এ পদোন্নতিকে বিভ্রান্তিকর আখ্যা দিয়ে তা প্রচার না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, এভাবে কোনো নিয়োগ দেওয়ার এখতিয়ার প্রধান পৃষ্ঠপোষকের নেই। জাতীয় পার্টির নবম কাউন্সিলের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক পার্টির বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রদানের ক্ষমতা একমাত্র পার্টি চেয়ারম্যানের, অন্য কারও নেই। বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মী এবং জনসাধারণকে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ জা​নানো হয়।

রিকশাচালক থেকে কোটিপতি
রুদ্র মিজান
শেষের পাতা ২৪ নভেম্বর ২০১৯, রোববার | সর্বশেষ আপডেট: ১:৩২

জুয়েল রানা। রিকশাচালক থেকে মাত্র ১০ বছরে হয়েছেন কোটি কোটি টাকার মালিক। ঢাকা শহরে একাধিক বাড়ি, গাড়ি, দোকানের মালিক তিনি। জমির মালিক হিসেবে তার নামে মিরপুরের বিভিন্নস্থানে ঝুলছে সাইনবোর্ড। যখনই বের হন সঙ্গে থাকে মোটরসাইকেলের বিশাল বহর। তার বিলাসবহুল গাড়ির পেছনে মোটরসাইকেলে করে প্রটৌকল দেয় তার কর্মীরা। দলীয় কর্মসূচিতে তার ছবি সম্বলিত পোস্টার নিয়ে অংশ নেয় তার অনুসারীরা। স্লোগান হয় তার নামে।
পল্লবী এলাকায় দেয়ালে-দেয়ালে ঝুলছে তার পোস্টার। কোথাও কোথাও বড় আকারের ডিজিটাল ব্যানার, সাইনবোর্ড। এই যুবলীগ নেতাকে মিরপুর পল্লবী এলাকায় যুবরাজ হিসেবে জানে সবাই। জুয়েল রানার নাম শুনলেই ভয়ে কেঁপে উঠে ওই এলাকার লোকজন। যদিও নামের আগে তিনি ব্যবহার করেন আলহাজ্ব শব্দটি। বাসা থেকে যখনই বের হন তার ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডো গাড়ির পেছনে থাকে মোটরসাইকেলের বহর। কখনও কখনও গাড়ি পরিবর্তন করেন জুয়েল। বিকালে বাউনিয়াবাদ এলাকায় দেখা মেলে তার। নিরাপত্তার জন্য তার গাড়িতে থাকে দুটি পিস্তল। তিনি দাবি করেন পিস্তল দুটি লাইসেন্স করা। মিরপুরের জুটের ব্যবসা যারা নিয়ন্ত্রণ করে তাদের মধ্যে অন্যতম জুয়েল রানা। এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের জন্য তার রয়েছে বিশেষ বাহিনী। ওই বাহিনীতে রয়েছে তার ভায়রা ভাই হেলাল। সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত হেলালের রয়েছে অস্ত্র। অভিযোগ রয়েছে কাজ পেতে বাধা এলেই তার দুর করতে ব্যবহার করেন অস্ত্র। অস্ত্র প্রদর্শন করলেই অনেক বাধা দুর হয়ে যায়। হেলালের সঙ্গে থাকে যুবলীগের জুয়েল রানার অনুসারী ক্যাডার বাহিনী।

মুন্সিগঞ্জের হতদরিদ্র পরিবারের ছেলে জুয়েল রানা। ২০০৯ সালে মিরপুরের বাউনিয়াবাদ এলাকায় রিকশা চালাতেন জুয়েলের পিতা। একই পেশায় ছিলেন জুয়েলও। পরবর্তীতে বেশ কয়েক রিকশার মালিক হন তিনি। ওই এলাকায় একটি রিকশার গ্যারেজ গড়ে তোলেন। ওই সময়েই যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেন জুয়েল। ওয়ার্ড থেকে থানা। অল্প দিনেই স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের আর্শীবাদে আধিপত্য গড়ে তোলেন। বিদ্যালয়ের গন্ডি পার না হলেও পল্লবী থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়ে ওই এলাকায় রাজত্ব কায়েম করেন। একের পর এক জবর-দখল, হামলা, হত্যায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে।

জুয়েল রানা আলোচনায় আসেন ২০১৪ সালে। ওই বছরের এপ্রিল মাসে বাউনিয়া বাঁধ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী জামেনা আক্তারের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। অভিযোগ উঠে জুয়েল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। মাদ্রাসায় আসা-যাওয়ার পথে যৌন হয়রানি করা হতো ওই ছাত্রীকে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গিয়ে নাজেহাল হয়ে হয়েছে তার স্বজনদের। এ ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে যুবলীগ নেতা জুয়েল রানা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন জামেনার মামা আমির হোসেন। স্থানীয়রা জানান, জুয়েল রানার চাপের মুখে মামলাটি আপোস করা হয়েছে। মামলার আপোসের সত্যতা স্বীকার করেছেন নিহতের মামা আমির হোসেন।

ওই বছরের ১৪ই জুন পল্লবীর কুর্মিটোলা বিহারি ক্যাম্পে হামলার ঘটনা ঘটে। ক্যাম্পের বাসিন্দাদের অভিযোগ, জুয়েল রানার নেতৃত্বে বাউনিয়া বাঁধের রাজু বস্তিসহ আশপাশ বস্তিতে বিদুৎ সংযোগ দেওয়া হয় ক্যাম্প থেকে। এ নিয়ে বিরোধের জের ধরে শবে বরাতের রাত শেষে ভোরে সশস্ত্র হামলা চালানো হয় ক্যাম্পে। ওই সময়ে মোহাম্মদ ইয়াসিনের ঘরের দরজায় বাইরে থেকে তালা দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়া হয়। আগুনে পুড়ে মারা যায় ওই পরিবারের ৯ জন। আজাদ নামে আরও একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ বিষয়ে জুয়েল রানাসহ তার সহযোগীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছে বিহারীরা। ভিডিও চিত্রসহ অভিযোগ করা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে। কিন্তু নিহতের স্বজনরা বাদি হয়ে কোনো মামলার করতে পারেননি। বিহারীদের নেতা সাদাকাত খান ফাক্কু জানান, পুলিশ বাদি হয়ে মামলা করলেও ওই মামলায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত কাউকে আসামি করা হয়নি। তাদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।

সূত্রমতে, রিকশা চালক থেকে ক্ষমতার সাধ পেয়ে পাল্টে গেছেন জুয়েল। তার ব্যবহারের জন্য রয়েছে চারটি বিলাসবহুল গাড়ি। কখনও প্রাডো, কখনও এক্সকরোলা, নোয়া ও জিপ গাড়িতে দেখা যায় তাকে। অন্তত চারটি গাড়ি রয়েছে তার। বাউনিয়াবাদ এলাকায় রাস্তার পাশে সরকারি জমিতে ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেয় জুয়েল চক্র। এমনকি এমনি বস্তির প্রতি ঘর থেকেও চাঁদা আদায় করা হয়। যদি স্ত্রী, সন্তান নিয়ে জুয়েল থাকেন বনানীর ডিওএইচএস এলাকার বিলাস বহুল বাড়ির নিজস্ব ফ্ল্যাটে। বাউনীয়াবাদ এলাকায় রয়েছে তার কয়েকটি বাড়ি ও প্লট। পলাশ নগরে ১৫ কাঠা জয়গা, বাউনীবাদ এর কয়েকটি সরকারি জায়গা দখল করে গড়ে তুলেছেন দোকানপাট ও সমিল । পল্লবীর বালুর মাঠ দখল করে ভবন নির্মাণ করেছে জুয়েল ও তার সহযোগীরা। সাভারে রয়েছে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি।

পলাশনগরে দোতলা একটি বাড়িটি দখলের অভিযোগ রয়েছে জুয়েল রানার বিরুদ্ধে। ওই বাড়ির মালিকদের একজন মাহবুব হাসান। তিনি জানান, অস্ত্র দেখিয়ে জিম্মি করে বাড়িটি দখল করেছেন জুয়েল। স্থানীয় স্বপন, রিয়াদ ও বাবুর কাছ থেকে তারা ১২ লাখ টাকা ঋণ করেছিলেন বাড়ির মালিকরা। ওই লেনদেন নিয়ে সালিসের নামে জুয়েল দুই কোটি টাকা মূল্যের বাড়িটি দখল করেন। বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় তার রয়েছে অন্তত চারটি বাড়ি। এরমধ্যে একটি বাড়ির নাম ‘মিম ভিলা’। পলাশনগরে রয়েছে তার একটি বাড়ি। মিরপুর-১১ নম্বরের বি ব্লকে ঢাকা শহর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (ডুইপ) পৌনে এক কাঠা আয়তনের কমপক্ষে ১৫টি বাড়ি রয়েছে জুয়েল রানা ও তার স্বজনদের দখলে। অভিযোগ রয়েছে, কেনার নামে নানা কৌশলে বাড়িগুলো দখল করেছেন জুয়েল। জুয়েলের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ি থানার কুন্ডের বাজার এলাকায় বিপুল টাকা ব্যয়ে গড়েছেন বিলাস বহুল অট্টলিকা। সূত্রমতে, ওই বাড়ির ছাদে রয়েছে সুইমিং পুল। বাড়িতে ব্যবহার করা হয়েছে দামি টাইলস, পাথর। এসব বিষয়ে যুবলীগ নেতা জুয়েল রানা মানবজমিনকে বলেন, আমি কখনও জবর-দখলে জড়িত না। আমি ব্যবসা করি। রাজনীতি করি। রাজনীতি করি বলেই অনেকে অনেক অভিযোগ করে। কিন্তু আমি কোনো চাঁদাবাজি, হত্যাকাণ্ড বা খারাপ কাজে জড়িত না। খারাপ লোক হলে আমাকে মাদ্রাসা ও মসজিদ এবং এনডিসি স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি করা হতো না। এসব অভিযোগ তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেন তিনি।

ঢাকা সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর কারা

অল্প সময়েই কোটিপতি জুয়েল প্রশাসন নিরব

চট্টগ্রাম ৮ আসনে ভোট পরিস্থিতি

ওকে ফেব্রুয়ারী বিলটা জানুয়ারী পেমেন্ট ধরে নিউ বিল ইনভয়েস দিন

সিআইডির জালে ঋণ জালিয়াত দম্পতি

স্টাফ রিপোর্টার : সিআইডির জালে ধরা পড়েছে ঋণ জালিয়াত দম্পতি। এরা ভুয়া সঞ্চয়পত্র জমা দিয়ে দুটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে আট কোটি ৬৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাত করেছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এঁরা হলেন এইচএমএ বারিক ওরফে বাদল হাওলাদার ওরফে মোস্তাক আহমেদ ও তার স্ত্রী মরশিদা আফরিন। গত মঙ্গলবার খুলনার খালিশপুর থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। দু’দিনের রিমান্ড শেষে আজ শনিবার ওই দম্পতিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির সদর দপ্তরে আজ শনিবার দুপুরে ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াডের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন এসব তথ্য জানান।

অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেন বলেন, ২০০৪ সালে ২১ সদস্যের একটি প্রতারক চক্র ২১টি ভুয়া সঞ্চয়পত্রের বিপরীতে বেসরকারি এবি ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে আট কোটি ৬৫ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ করে। এর সঙ্গে এবি ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক আসিরুল হক জড়িত ছিলেন। গ্রেপ্তার দম্পতি ওই চক্রের সদস্য। তারা জালিয়াতি করে গুলশান ও উত্তরায় তিনটি ভবন, ফ্ল্যাট, গাড়ি এ জমির মালিক হয়েছেন। তাদের ব্যাংক হিসাবে জালিয়াতি করে উপার্জিত দুই কোটি টাকার সন্ধান পেয়েছে সিআইডি।

সিআইডি কর্মকর্তা ফারুক হোসেন বলেন, ২০০৪ সালে জালিয়াতি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় এবি ব্যাংকটি মামলা করে। তবে তখন থেকে পালিয়ে ছিলেন মোস্তাক আহমেদ। ওই মামলায় তার সাজাও হয়। তিনি সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও ভারতে পালিয়ে ছিলেন। তিনি ২০১১ সালে গোপনে দেশে ফিরে আবার জালিয়াতি শুরু করেন। ১৬ বছর ধরে পলাতক মোস্তাককে খুঁজছিল পুলিশ। ওই মামলায় এবি ব্যাংকের ধানমন্ডি শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক আসিরুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০০৬ সালে তিনি তিন মাস কারাভোগ করেন। পরে তিনি জামিনে মুক্ত হন এবং হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তবে এর সঙ্গে ব্যাংকের আর কোনো কর্মকর্তা জড়িত আছে কি-না তা তদন্ত করে দেখছে সিআইডি। ব্যাংক থেকে ভুয়া সঞ্চয়পত্র দিয়ে ঋণ নিয়ে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৪, ২০১১ ও ২০১৬ সালে ঢাকার গুলশান, ধানমন্ডি, উত্তরা পশ্চিম ও মোহাম্মদপুর থানায় সাতটি মামলা করে। ওই মামলাগুলো সিআইডি তদন্ত করছে।ফারুক হোসেন জানান, চক্রটির মূল হোতা একজন শিল্পপতি। তার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ব্যবসা আছে। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই শিল্পপতির নাম গোপন রেখেছে সিআইডি। ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে অর্থ আত্মসাৎ করে ওই ব্যক্তি ব্যবসা করে শিল্পপতি হয়েছেন। তাকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

উত্তরা ব্যংকে আননটেক্স দুর্নীতি

২০২০ সালের ‘গ্লোবাল ফিন্যান্স মিনিস্টার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিজনেস পত্রিকা দ্য ব্যাংকার অর্থমন্ত্রীকে বিশ্বের সেরা অর্থমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেছেন।

মন্ত্রণালয় থেকে এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এবারই প্রথম বাংলাদেশের কোনো অর্থমন্ত্রী এই পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন।

অর্থমন্ত্রীদের আর্থিক খাতে গতিশীলতা আনয়নসহ দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন নিশ্চিতকরণে গৃহীত পদক্ষেপসহ সার্বিক বিবেচনায় এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়ে থাকে। এশিয়া-প্যাসিফিক, আমেরিকা, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপ- এই পাঁচটি অঞ্চল থেকে পাঁচ জন অর্থমন্ত্রীকে পুরস্কৃত করা হয়। এবং তাদের মধ্য থেকে একজনকে বিশ্বের মধ্যে শ্রেষ্ঠ অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, জানুয়ারি ২০১৯ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর আ হ মুস্তফা কামালকে অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এর আগে তিনি পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে ২০১৪-২০১৮ সালে দায়িত্বরত ছিলেন।

১৫ ব্যাক্তিত্ব পাচ্ছেন হোয়াটস অন অ্যাওয়ার্ড

বিশেষ প্রতিনিধি : আন্তর্জাতিক প্রচারণায় বাংলাদেশী তরুণদের মেধার বিকাশ ঘটাতে এবার হোয়াটস অন অ্যাওয়ার্ড ২০২০ দেয়া হচ্ছে ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে। কাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের ২ নম্বর সড়কের ৯ নম্বর বাড়িতে অবস্থিত হোয়াটস অন একাডেমীতে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে।

জানা গেছে, তরুণ প্রজন্মের মেধাবী শিল্পী ও কলাকৌশলীদের স্বীকৃতি প্রদান ও নতুন বছর উদযাপন উপলক্ষে হোয়াটসঅন বাৎসরিক অ্যাওয়ার্ড পার্টির নানা আয়োজন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। অনুষ্ঠান উপলক্ষে হোয়াটসঅন গাইড এর ব্যাবস্হাপনা পরিচালক স্যাম আলিম লন্ডন হতে এবং পরিচালক সেটসু আদাচি জাপান হতে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। অনুষ্ঠানে সম্মানিত বিশেষ অতিথি হিসাবে থাকবেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা অভিনেত্রী শম্পা রেজা।

এছাড়াও অংশগ্রহন করবে শিল্পী সামিনা চৌধুরী, জেফার, বাংলা ফাইভ ব্যান্ড সহ আরো অনেকে। বেষ্ট আইকন, বেস্ট ব্যান্ড, বেস্ট সিঙ্গার, বেস্ট রাইসিং স্টার, ভিডিও প্রোডিউসার, রাইটার এয়ারলাইনস, অ্যাড এজেন্সি, বিউটি স্যালুন, ফ্যাশন হাউস, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ট্রাভেল এজেন্সি সহ ১৫ টি ক্যাটাগরীতে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হবে।অ্যাওয়ার্ড পার্টির অনুষ্ঠান কমিটির সহযোগী পার্টনারসহ যারা উক্ত অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন তাদেরকে ধন্যবাদ ও সকলের অংশগ্রহণ কামনা করেছেন হোয়াটসঅনের ব্যাবস্হাপনা পরিচালক স্যাম আলিম ।

অ্যাওয়ার্ড প্রদান উপলক্ষ্যে ব্যাবস্হাপনা পরিচালক স্যাম আলিম জাতিরকন্ঠ কে বলেছেন, হোয়াটসঅন হচ্ছে তরুণ ও মেধাবী শিল্পীদের জন্য একটি অনবদ্য প্লাটফর্ম। আন্তর্জাতিক প্রচারণার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী তরুণদের মেধা ও মননশীলতাকে তুলে ধরাই আমাদের উদ্দেশ্য।পরিচালক সেটসু আদাচি বলেন, আমরা শিল্পী ও বিভিন্ন সংস্কৃতির মানুষদের মধ্যে সহযোগীতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেস্টা করে থাকি।

‘এবার আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি চাঙ্গা’

বিশেষ প্রতিনিধি : এবার আওয়ামী লীগ সবচেয়ে বেশি চাঙ্গা। ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংগঠনিক সম্পাদকদের তৃণমূল পর্যায়ে দল গোছানোর নির্দেশ দেন। সে অনুসারে ২০১৯ সালের বেশিরভাগ সময় আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব কাজ করেছে দল গোছাতে।ভ্রাতৃপ্রতিম থেকে শুরু করে সহযোগী সংগঠন ও মূল দলের সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করে বছর শেষ করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সেজন্য ২০১৯ সালের বিদায় লগ্নে বেশ চাঙ্গা ও ফুরফুরে মেজাজে দলের নেতারা।

নির্বাচনের পর জানুয়ারিতে সরকার গঠন করেই আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ ফোরাম কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে দল গোছাতে নির্দেশনা দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার নির্দেশনার পরপরই মাঠে নামেন আওয়ামী লীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকরা। মহানগর, জেলা ও উপজেলাসহ বিভিন্ন পর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরে যে দ্বন্দ্ব ও কোন্দল চলছিল, তা মিটিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের এক প্লাটফর্মে নিয়ে আসতে কাজ শুরু করেন তারা। এর অংশ হিসেবে সারাদেশে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, পৌরসভা, থানা, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সম্মেলন করা হয়। তৃণমূল পর্যায়ে সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের পর বছরের শেষভাগে হয় জাতীয় সম্মেলন। এতে নতুন নেতৃত্ব উঠে আসায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে গতি এসেছে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।

আওয়ামী লীগের মোট সাংগঠনিক জেলা ৭৮টি। ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের আগেই ২৯টি সাংগঠনিক জেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসব সম্মেলনের নেতৃত্বে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এছাড়া বিপুলসংখ্যক ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন শাখার পাশাপাশি সম্মেলন হয় তিন শতাধিক উপজেলা শাখায়ও।

যে সম্মেলনগুলো হয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট ছিল ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ। ৩০ নভেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলনে নতুন নেতৃত্ব ঘোষিত হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি হন শেখ বজলুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক হন মান্নান কচি। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি হন আবু আহাম্মদ মন্নাফি এবং সাধারণ সম্পাদক হন হুমায়ূন কবির।

সম্মেলন হয় সিলেট জেলা ও মহানগর; বরিশাল মহানগর; দক্ষিণাঞ্চলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট হিসেবে বিবেচিত খুলনা মহানগর ও জেলা এবং বিএনপির শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত বগুড়া-ফেনী জেলা শাখায়ও। সবগুলো সম্মেলনেই ঘোষিত হয় নতুন নেতৃত্ব।

শুধু মূল দলের মহানগর, জেলা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন আর ওয়ার্ড শাখা নয়। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো গোছানোর কাজও চলে। সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আসে যুবলীগ, কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ ও মৎসজীবী লীগেও।

এর মধ্যে শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড হিসেবে পরিচিত যুবলীগের নেতৃত্বে আসেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনির জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ ফজলে শামস পরশ। তাকে চেয়ারম্যান করার পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সভাপতি মাইনুল হোসেন খান নিখিলকে করা হয় কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক। কৃষক লীগের সভাপতি হন সমীর চন্দ্র চন্দ এবং সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পান উম্মে কুলসুম। স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি হন নির্মল রঞ্জন গুহ এবং সাধারণ সম্পাদক হন আফজালুর রহমান।

শ্রমিক লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন ফজলুল হক আর সাধারণ সম্পাদক হন কে এম আজম খসরু। মৎসজীবী লীগের সভাপতি পদে দায়িত্ব পান মো. সাইফুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন শেখ আজগর লস্কর।

সবশেষ অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিকসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে সভাপতি পদে শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদের পুনর্নির্বাচিত হন। সভাপতি হিসেবে শেখ হাসিনা নবমবারের মতো এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদের দ্বিতীয়বারের মতো দায়িত্ব পান। এ দুই শীর্ষ পদের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসে আরও নতুন মুখ।

৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির মধ্যে ঘোষিত হয় ৭৪ জনের নাম। এর মধ্যে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে যুক্ত হন জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান ও শাজাহান খান। যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হন ড. হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। এছাড়া এস এম কামাল ও মির্জা আজম সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে এবং বিপ্লব কুমার বড়ুয়া দফতর সম্পাদক হিসেবে পদোন্নতি পান।

সম্মেলনে গঠনতন্ত্রের কিছু সংশোধনী পাস হয়। এর মধ্যে উপদেষ্টা পরিষদ ৪১ থেকে ৫১ জন করা, সাংগঠনিক ডাটাবেজ তৈরির জন্য সব সদস্যের নাম ও মোবাইল নম্বর সংযুক্তির বিধান, জেলাপর্যায়ে অনুমতিবিহীন খরচ ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকায় উন্নীত করার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জাতিরকন্ঠ কে বলেন, বছরব্যাপী সারাদেশে জেলা ও উপজেলা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন শাখা পর্যন্ত সম্মেলন করা একটি বড় সফলতা। এর চেয়েও বড় সফলতা আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোর সম্মেলন করে নতুন ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতৃত্ব নিয়ে আসা।

তাং-৩১-১২-২০১৯
বরাবর,
ব্যবস্থাপনা পরিচালক,
অমিকন গ্রুপ, ৫ রাজ্জাক টাওয়ার, ঢাকা-১০০০।

বিষয়: নিম্নলিখিত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন।

জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আপনার নির্দেশনায় আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী অমিকন গ্রুপের মিডিয়া কনসালটেন্ট থাকাকালীন সময় থেকে অনলাইন টিভি ও অনলাইন দৈনিক জাতিরকন্ঠ পরিচালনা করে আসছিলাম।

এই সময়কালীন আপনার স্নেহের আশির্বাদ পরামর্শ ও কৃপায় জাতিরকন্ঠ শিগগির সরকারি রেজিষ্ট্রেশন পেতে যাচ্ছে। জাতিরকন্ঠ ব্যবস্থাপনায় সম্পাদকীয় কমিটিতে আপনি ও চেয়ারম্যান স্যার এর নাম আছে। চলতি ডিসেম্বর’১৯ থেকে অনলাইন পত্রিকার রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়ার (৩৫০০ প্রায়) তদন্ত শুরু হয়েছে।

এই দুটি মাধ্যম দিয়ে আমরা অমিকন গ্রুপের জন্যে বেশ কিছু স্থায়ী এ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের অনুমোদন পাবো। এই তদন্ত প্রক্রিয়া আরো কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

তাই মহাত্মন সমীপে নিবেদন, উপরোক্ত পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ফেব্রুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত আমাকে মজুমদার ভবনের কক্ষটি ব্যবহারে আপনার অনুমতি ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে বাধিত করবেন।

আপনার স্নেহধন্য একান্ত বাধ্যগত
শফিক রহমান

সাধারণ এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার একটি অনন্য মিশ্রণ)

(৮ ম ব্যাচের বিসিএস প্রশাসনের সদস্য)

সুলতান আহমেদ বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে একটি দুর্দান্ত একাডেমিক কীর্তি এবং উন্নয়ন প্রশাসনে শক্ত কাজের অসামান্য অভিজ্ঞতা অর্জন করে আসছেন। এটি তাকে সাধারণ এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতার এক অনন্য মিশ্রণের সাথে বিশেষজ্ঞ আধিকারিক করে তুলেছে। মিঃ সুলতান বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এ সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ট্রান্সপোর্ট ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েন, এবং ভোলা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় এবং বরিশালের সরকারী বিএম কলেজে বিজ্ঞান পড়েন। তিনি ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, রুরকি (আইআইটি-রুরকি) থেকে জল সম্পদ উন্নয়ন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হন। তিনি বুয়েটে পানিসম্পদ উন্নয়নে ডক্টর অফ ফিলোসফি অর্জন করেছিলেন। ডঃ সুলতান এশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, থাইল্যান্ড, আইএইচই-ডেলফ্ট, নেদারল্যান্ডস, লন্ড বিশ্ববিদ্যালয়, সুইডেন, সুকুবা বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান এবং সুইডেনের গথেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জল সম্পদ উন্নয়ন ও পরিচালনায় ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রযুক্তি অধ্যয়ন করেছেন। তিনি দেশ-বিদেশে প্রশাসন, আইন, নীতি, প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন এবং পরিচালনা ইত্যাদি বিষয়ে সিস্টেমেটিক যন্ত্রের ব্যাপক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন। তিনি ভূমি, জল, পরিবেশ, এবং জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত নীতি ও সংস্থার বিশেষজ্ঞ এবং ইআইএ পর্যালোচনা করেছেন।

ড। সুলতান, ক্যারিয়ারের আমলা, সহকারী প্রকৌশলী, সহকারী সচিব, সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট, সিনিয়র সহকারী সচিবের মতো বিভিন্ন সক্ষমতা অর্জনে দেশের বৃহত্তম প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সরকারের সাথে ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। , উপ-সচিব, যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব, ইত্যাদি বিভিন্ন মন্ত্রক এবং পাবলিক অফিসে তিনি ফৌজদারী আদালতের সভাপতিত্ব করার এবং পেনাল কোড, ফৌজদারি কার্যবিধি, প্রমাণ আইন, দেশের প্রধান সার্বিক আইন সম্পর্কে বিস্তৃত জ্ঞানের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন। জনসাধারণের শ্রবণশক্তি, এবং বিচারিক ও প্রশাসনিক তদন্তের তাঁর বিশাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বিভিন্ন পাবলিক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষক is তিনি জল, জমি, আরএস, জিআইএস, ডাটাবেস এবং পরিবেশ বিকাশ ও পরিচালনায় বৌদ্ধিক এবং পেশাদার পরিষেবা প্রদানের বৈজ্ঞানিকভাবে স্বতন্ত্র কেন্দ্র সিইজিআইএস-এ কাজ করেছিলেন, যা জল সম্পদ মন্ত্রকের তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত ব্যবসায়ের পরিচালক হিসাবে, এইচআরডি এবং প্রশাসন এবং আট বছরেরও বেশি সময়কালের জন্য নীতি ও প্রতিষ্ঠানের একজন প্রবীণ পেশাদার। ডঃ সুলতান ২০১ January সালের জানুয়ারী থেকে পরিবেশ অধিদফতরে এর মহাপরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ২০১২ সালের জানুয়ারী থেকে বিভাগের পরিচালক (প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা) হিসাবে আগে কাজ করেছেন।

ডাঃ সুলতানের অবিচ্ছিন্ন পদক্ষেপ ও কার্যকর পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ ও সচেতনতামূলক প্রচারের কারণে পরিবেশ সংরক্ষণ, সুরক্ষা এবং বিকাশ একটি দৃশ্যমান টেকসই আকার পেয়েছে: সারা দেশে পরিবেশগত আনুষ্ঠানিকতা একটি সংস্কৃতি ডঃ সুলতানের সাথে অব্যাহত প্রচেষ্টার অবসান ঘটিয়েছে পরিবেশ অধিদফতরের বিশেষায়িত প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি। তিনি বাস্তুসংস্থান এবং জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্প সংরক্ষণের পরিবেশগতভাবে সমালোচনামূলক অঞ্চলগুলিতে সম্প্রদায় ভিত্তিক অভিযোজনকে শক্তিশালীকরণ ও একীকরণের সফল প্রকল্প পরিচালক ছিলেন যা তার সক্ষম নেতৃত্বে কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়েছিল যা একটি ‘সম্প্রদায়ের সাথে জড়িত ইকোসিস্টেম ভিত্তিক প্রাকৃতিক সম্পদ মডেল পরিচালনা’ রেখেছিল। কিছু হাওর (জলাভূমি) এবং উপকূলীয় ভঙ্গুর ইকোসিস্টেমগুলিতে। তার অবিচল ও কার্যকর অনুশাসনের কারণে পরিবেশ অধিদফতরে প্রকল্প বন্দর-ফলসের সংখ্যা বেড়েছে।

ডঃ সুলতান পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন ও প্রশমন, এবং টেকসই উন্নয়ন ইত্যাদি বিষয়ে বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক ও বৈশ্বিক আলোচনায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের প্রতিনিধি হিসাবে পরিবেশ অধিদফতরের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তিনি ইউএনএফসিসিসির পার্টির (সিওপি) সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন। প্যারিসের সিওপি 21, মারাচেচে সিওপি 22, কাতোয়াইসে সিওপি 24 এবং বৈশ্বিক আলোচনার জন্য তীব্র দক্ষতা অর্জন করেছে। তিনি ২০১২ সালে বাংলাদেশকে কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে স্বল্প-কালীন জলবায়ু দূষণকারী (এসএলসিপি) হ্রাসের জন্য জলবায়ু ও ক্লিন এয়ার কোয়ালিশনের (সিসিএসি) বেশিরভাগ ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় অংশ নিয়েছিলেন।

ডঃ সুলতান ৩২ তম ব্যাচের বাংলাদেশ প্রশাসনিক পরিষেবার সদস্য। তিনি দক্ষিণ এশীয় জল (সাউদা) সহকর্মী, এবং ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের সহযোগী। তিনি বিশেষভাবে বিশেষায়িত বিষয়গুলিতে এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, সাহিত্য এবং জাতিগত বিষয়গুলি সহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও তাঁর জ্ঞান আপডেট করার বিষয়ে সর্বদা আগ্রহী ছিলেন বলে দেখা গেছে। দীর্ঘ সময় কাজ করার, সামনের চিন্তাভাবনা, যোগাযোগ এবং প্রভাবিত করার, এবং বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা এবং বিচার করার দক্ষতা তাঁর রয়েছে e তিনি একজন ভাল যোগাযোগকারী, প্রেরণাদায়ক এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে, তাঁর সহকর্মীদের খুব ভাল বন্ধু। তিনি উচ্চ নৈতিক মূল্যবোধ এবং নিষ্ঠার সঙ্গে একটি খুব আনন্দদায়ক ব্যক্তিত্ব রয়েছে।

পূর্ববর্তী অবস্থানগুলি:

মহাপরিচালক, পরিবেশ অধিদফতর, বাংলাদেশ সরকার
অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ), পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক, বাংলাদেশ সরকার

শিক্ষা:

Water জল সম্পদ বিকাশে পিএইচডি (নদী-প্লাবনভূমি একোহাইড্রোলজি) (৪.৫ বছর), বুয়েট, বাংলাদেশ (দক্ষিণ এশিয়া জল Water সাউদা ফেলো) (মে ২০১১)
I আইআইটি-রুরকি (পূর্বে রুরকি বিশ্ববিদ্যালয়), ভারত (জানুয়ারী, 1994) থেকে জল সম্পদ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্নাতকোত্তর (18 মাস)
U বুয়েটে এমএসসি ইন ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (1987-88-89): 30 ক্রেডিট কোর্সের কাজ শেষ হয়েছে
Civil বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), Dhakaাকা, থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক (4 বছর), (মার্চ 1987

পুরস্কার:

♦ প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রকল্প (টিসিএস) কলম্বো প্লান বৃত্তি, যার অধীনে ডব্লিউআরই-তে এমএসসি ভারতের আইআইটি-রুরকিতে সম্পন্ন হয়েছিল
♦ নেদারল্যান্ডস সরকারের সাউথ এশিয়া ওয়াটার (সাউদা) ফেলোশিপ, যার অধীনে ডাব্লুআরডি-তে পিএইচডি বাংলাদেশের বুয়েটে করা হয়েছিল

প্রশিক্ষণ: নীতি, সংস্থা, প্রশাসন, প্রকৌশল, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু পরিবর্তন, জীব বৈচিত্র্য ইত্যাদির উপর দেশে এবং বিদেশে প্রচুর প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত

প্রকাশনা:

♦ আহমেদ, এস, ১৯৯৯। এমএসসি থিসিস: সেডিমেন্ট ডিসচার্জ প্রেডিক্টরদের এন্ট্রপি ভিত্তিক বিশ্লেষণ, আন্তর্জাতিক নদী অববাহিকার সংঘাত ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত আঞ্চলিক সেমিনারের কার্যক্রম 1999-৯ ডিসেম্বর ১৯৯ during সালে Bাকায়, বাংলাদেশ বুয়েট কর্তৃক আয়োজিত এবং ইউনেস্কোর পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হয়েছিল। ।
♦ আহমেদ, এস।, ২০০৪. বাংলাদেশ: অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মুলতুবি ইস্যু, সিওলে ১১-১ October অক্টোবর ২০০৪ চলাকালীন কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সঙ্কট পরিচালন সম্পর্কিত কর্মশালার কার্যক্রম, সিডি, কেডিআই স্কুল অফ পাবলিক পলিসি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, আয়োজিত। কোরিয়া।
♦ আহমেদ, এস, ২০০৮। সমন্বিত জল সম্পদ ব্যবস্থাপনা: একটি বিস্তৃত জাতীয় জল ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার মাধ্যমে নীতি থেকে অনুশীলন to একটি বাংলাদেশ কেস স্টাডি, শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ায় জল সম্পদ নীতি সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনের কার্যক্রম ১ during -20 ডিসেম্বর ২০০৮, ভারত আন্তঃবিভাগীয় জল সম্পদ স্টাডিজ (স্যাকুইটার্স) এর জন্য দক্ষিণ এশিয়া কনসোর্টিয়াম আয়োজিত।
♦ আহমেদ, এস, ২০১১। স্টেজ স্থাপন (অধ্যায় 1, সহ-লেখক), কোয়েেন ডি উইল্ডে (সম্পাদনা), চলন্ত উপকূলরেখাগুলি: গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা মোহনায় জমি উত্থান এবং ব্যবহার; পিপি 1-19। .াকা: ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
♦ আহমেদ, এস, ২০১১. পিএইচডি থিসিস: ডেল্টিক প্লাবনভূমি, বুয়েট, Dhakaাকার বন্যা ব্যবস্থাপনায় ইকোহাইড্রোলজিকাল বিবেচনার জন্য সিদ্ধান্ত সহায়তার বিকাশ।

প্রধানমন্ত্রীর নয়া মুখ্য সচিব হিসেবে
ড.কায়কাউস যোগ্যতার পদোন্নতি

শফিক রহমান : অবশেষে প্রশাসনের চৌকস কর্মকর্তা ১৯৮৪ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডার দেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ও লোডশেডিং বন্ধের অন্যতম কারিগর ড. আহমদ কায়কাউস এর যোগ্য মূল্যায়ন করলেন বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নেয়া রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার প্রধানমন্ত্রীর নতুন মুখ্য সচিব হিসেবে
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ড. আহমদ কায়কাউসকে বদলি করে এই আদেশ জারি করেছে। আদেশে বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমদ কায়কাউসকে প্রধানমন্ত্রীর নতুন মুখ্য সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।ওদিকে একই দিনে পৃথক এক প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান মুখ্য সচিব নজিবুর রহমানকে অবসর দেয়া হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর তার বয়স ৫৯ বছর পূর্ণ হওয়ায় সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী তাকে অবসর দেয়া হয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। ১৯৮৪ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা ড. আহমদ কায়কাউস ২০১৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর বিদ্যুৎ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব হন। ২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি সচিব পদে পদোন্নতি পান। চলতি বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি তাকে সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডঃ আহমদ কায়কাউস বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ে ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৬ তারিখে সেক্রেটারি ইন-ইনচার্জ হিসাবে যোগদান করেন এবং ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সালে তিনি সেক্রেটারির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পাওয়ার ডিভিশনে যোগদানের আগে ডঃ আহমদ আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইএফপিআরআই) পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড স্ট্রাটেজি সাপোর্ট প্রোগ্রামের (পিআরএসএসপি) ডেপুটি চিফ অফ পার্টি হিসাবে তিন বছর কাজ করেছিলেন, যেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এজেন্সি দ্বারা অর্থায়িত ছিল।

‘প্রতিটি গ্রাম হবে বাংলাদেশের শহর’ এমন দৃষ্ঠিভঙ্গি ছিল তাঁর সিভিল সার্ভিস কেরিয়ারে। তিনি গ্রামীণ ও শহর উভয় অঞ্চল সমান দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। গবেষণামূলক পটভূমি থেকে তিনি উন্নয়নের নীতি দৃষ্টিকোণ ঠিক করতেন। আর এটা সফল হয়েছে ড. কায়কাউস এর আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস, উইলিয়ামস কলেজ, সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স থেকে ডেভলপমেন্ট ইকোনমিক্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের কারণে। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ডালাসে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাবলিক পলিসি এবং পলিটিকাল ইকোনমিতে পিএইচডি করেছেন।

তাঁর গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে প্রশাসন, দারিদ্র্য, উন্নয়ন, শ্রমবাজার, মাইগ্রেশন ইত্যাদির মতো আন্তঃশৃঙ্খলা সম্পর্কিত বিষয় রয়েছে। ডঃ আহমদ আইএফপিআরআইয়ের জন্য গবেষণা পত্র এবং জরিপ রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য জার্নাল নিবন্ধগুলির একটি ছিল বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কাঠামোগত রূপান্তর সম্পর্কিত ওয়ার্ল্ড ডেভলপমেন্ট জার্নালে। জরিপের জন্য প্রশ্নমালা এবং নমুনা ফ্রেম বিকাশ করার বিষয়ে তাঁর বিশেষ দক্ষতা রয়েছে । পাশাপাশি তিনি ক্লাস্টার ভিত্তিক অর্থনৈতিক রূপান্তর, ফিশ ভ্যালু চেইন, গ্রামীণ ননফর্ম অর্থনীতি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য জনসাধারণের ব্যয় নিয়েও গবেষণা করছেন।

ড. আহমদ কায়কাউস ১৯৮৬ সালের ২১ জানুয়ারী বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের প্রশাসনিক ক্যাডারে যোগদান করেন। তিনি বিভিন্ন প্রশাসনিক স্তরের যেমন সহকারী কমিশনার, উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট, এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি আবাসন অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর এবং বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড অন্তর্ভুক্ত বেশ কয়েকটি সংস্থায় ডেপুটেশনেও কাজ করেছিলেন। এছাড়াও ডঃ আহমদ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, অতিরিক্ত সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগ এবং বাংলাদেশ শক্তি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের (ইপিআরসি) চেয়ারম্যান ছিলেন। কায়কাউস আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের কলিন কাউন্টি কমিউনিটি কলেজ এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে, খণ্ডকালীন অনুষদ হিসাবেও কাজ করেছেন। তিনি নিয়মিত পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং সেন্টার, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস একাডেমি, এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি বক্তা হিসাবে উপস্থিত হন।

ভোটে নেমেছে বিএনপির ইশরাক তাবিথ

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে ভোটের মাঠে নেমে পড়েছেন বিএনপির ইশরাক তাবিথ। আগামী ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে উত্তরে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য তাবিথ আউয়াল এবং দক্ষিণে পেয়েছেন দলের সদ্য প্রয়াত ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

শনিবার সন্ধ্যায় বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পার্লামেন্টারি সভায় এই দুইজন প্রার্থীকে চূড়ান্ত করা হয়।সভা শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের একথা জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এর আগে শুক্রবারই দক্ষিণে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনই বলে জানিয়েছিলেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি জানান, যেহেতু দক্ষিণে আমাদের অন্য কোনো প্রার্থী নেই তাই ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন আমাদের চূড়ান্ত প্রার্থী মনোনীত করা হয়েছে।

এদিকে ঢাকা উত্তরে মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়ন পেতে ফরম কিনেছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির বিশেষ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন। তবে শেষমেশ তাবিথ আউয়ালকেই বেছে নিল বিএনপি। যিনি আগের বার আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রয়াত জনপ্রিয় মেয়র আনিসুল হকের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছিলেন।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৯ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি। আর এই দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জানুয়ারি। ওইদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে।

Daily Jatirkhantha is the highest views and most read newspaper and Our online is the most visited Bangladeshi and Bengali website in the world.Reproduction of any content,on this website is strictly prohibite.call editir-01715011837.

We would like to set up bureau office in UN member states.Who interested can contact-The priority of the Bangladeshi living in the country
Editor: Shafiq Rahman, Email: editor@jatirkhantha.com.bd, or abmshafiq@gmail.com;call: +8801715011837

আমরা জাতিসংঘ সদস্যভুক্ত দেশ সমূহে
ব্যুরো অফিস স্থাপন করতে চাই-
আগ্রহীরা যোগাযোগ করতে পারেন-
অবস্থানরত বাংলাদেশীদের অগ্রাধিকার

সম্পাদক:
শফিক রহমান
email:editor@jatirkhantha.com.bd, or abmshafiq@gmail.com

সিলেট কয়লা আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি এমদাদ জানান, কয়লা আমদানি করতে না পারলেও এলসি’র সুদ ব্যাংককে পরিশোধ করতে হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ইটভাটার মালিকের কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে এখন কয়লা দিতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা। সবমিলিয়ে মারাত্মক ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়েছেন আমদানিকারকরা

একশ্রেনীর দুর্নীতিবাজ আমদানিকারক ও সিএন্ডএফের লোকজনের সহায়তায় সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব লুটপাট হচ্ছে দেশের কয়েকটি শুল্ক স্টেশনে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য তামাবিল স্থলবন্দর ও শেওলা’য় ‘শুল্ক লুটপাট’ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সৎ নিষ্ঠাবান আমদানিকারকরা।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের বিভিন্ন খনি থেকে প্রতিদিন সিলেট বিভাগের তামাবিল, বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলী সীমান্ত দিয়ে প্রায় ১০ হাজার টন কয়লা আমদানি হয়ে থাকে।

সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর, সুতারকান্দি ও শেওলা শুল্কস্টেশনের পাশাপাশি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগালি শুল্কস্টেশন দিয়ে কয়লা আমদানি বন্ধ রয়েছে।

সুনামগঞ্জের আমদানিকারক চৌধুরী আর এইচ শাহীন জানান, কয়লা আমদানি বন্ধ থাকায় জেলার আমদানিকারকেরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। কেননা, ভারতে তাঁদের অনেক কয়লা আটকে আছে।
তাহিরপুর কয়লা আমদানিকারক সমিতির সভাপতি আলকাছ উদ্দিন খন্দকার বলেন, সুনামগঞ্জের তিনটি শুল্কস্টেশন দিয়ে পাঁচ শতাধিক ব্যবসায়ী কয়লা আমদানি করেন। প্রতিদিন পাঁচ–ছয় হাজার টন কয়লা আমদানি হয়।
তাহিরপুরের বড়ছড়া, চারাগাঁও ও বাগলি শুল্কস্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা আবদুল হান্নান বলেন, আমদানি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ৫০-৬০ লাখ টাকার রাজস্ব আয় কমেছে

আটাব সম্মিলিত ফোরামের নির্বাচনী প্রচারণা-

হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম এবং সাবেক হাব সহ সভাপতি স্টার ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এর এমডি গোলাম কিবরিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও কারিশমায় আটাব সম্মিলিত ফোরামের নির্বাচনী প্রচারণা-

আটাব নির্বাচনে সম্মিলিত ফোরাম এর ভিক্টরি অর্জনে মূল ভূমিকা পালনকারী ইনসেটে হাব সভাপতি তসলিম এবং সাবেক হাব সহ সভাপতি কিবরিয়া। নির্বাচনে আটাব সম্মিলিত ফোরামের নিরঙ্কুশ বিজয়ী মনসুর আহমদ কালামের নেতৃত্বাধীন প্যানেল নেতারা-

তসলিম-কিবরিয়ার কারিশমায়

তসলিম-কিবরিয়ার কারিশমায়
আটাবে সম্মিলিত ফোরাম ভিক্টরি

শফিক রহমান / সাইফুল বারী মাসুম : তসলিম-কিবরিয়ার কারিশমায় এবার আটাবে বিশাল ভিক্টরি অর্জন করেছে ‘আটাব সম্মিলিত ফোরাম’। হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম এবং সাবেক হাব সহ সভাপতি স্টার ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস এর এমডি গোলাম কিবরিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও কারিশমায় আটাবে সম্মিলিত ফোরামের নিরঙ্কুশ বিজয় হয়েছে। ভোটাররা বলেছেন, এ বিজয় হয়েছে তসলিম-কিবরিয়ার সৎ নেতৃবৃন্দের কারণে। সংগঠন কুক্ষিগতকারী অসৎদের ভোটাররা প্রত্যাখান করেছে এবার। দুর্নীতি অসততা’র বিরুদ্ধে হাব নেতৃত্ব তসলিম-কিবরিয়া আটাব ভোটারদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন। অনুসন্ধানে দুর্নীতি অসততা’র মুখোশ খুলে যায় জিন্নুর আহমেদ চৌধুরী দীপু ও এম এ রশীদ শাহ সম্রাটদের। ফলে গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টের প্যানেল ও সংগঠনটির বিদায়ী ও টানা তিন মেয়াদের সভাপতি এস এন মঞ্জুর মোরর্শেদ মাহবুব এর ভরাডুবি ঘটে।

অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনে পূ্র্ণ প্যানেলে বিজয়ী হয়েছে মনসুর আহমদ কালামের নেতৃত্বাধীন আটাব সম্মিলিত ফোরাম। ২৯টি পদের সব ক’টিতেই এ প্যানেল জয় লাভ করেছে। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্যানেল ছিল জিন্নুর আহমেদ চৌধুরী দিপুর নেতৃত্বাধীন আটাব গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্ট। নির্বাচনী বোর্ডের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী জাতিরকন্ঠ কে বলেছেন, মনসুর আহমদ কালামের নেতৃত্বাধীন আটাব সম্মিলিত ফোরাম নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছেন।

রাজধানীতে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে, চট্টগ্রামে পূর্ব নাসিরাবাদ ষোলশহর ২ নম্বর গেটের জিননুরাইন কনভেনশন সেন্টারে এবং সিলেটের জিন্দাবাজার গ্যালারিয়া শপিং কমপ্লেক্সে আটাব আঞ্চলিক কার্যালয়ে গত শনিবার ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন আড়াই হাজারেরও বেশি। ২০১৯-২১ সেশনের জন্য ২৯ জন কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত করেন ভোটাররা। এর মধ্যে ঢাকা জোনের ১৭ জন এবং চট্টগ্রাম ও সিলেটের ছয়জন করে।

নির্বাচিত নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকেই সভাপতি ও মহাসচিবসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হবে। সংগঠনটির নির্বাচনী বোর্ডের চেয়ারম্যান ফজলুল হক চৌধুরী গত শনিবার রাতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

নির্বাচিত ২৯ জন হলেন- মনসুর আহমেদ কামাল (৭৮০ ভোট), গোলাম কিবরিয়া (৭৪৪), মোতাহের হোসাইন বুলবুল (৭৭৫), মো. আবুল কাসেম (৭৬৭), এফআর করিম কাজল (৭৬৫), আজহারুল কবির চৌধুরী (৭৬৫), এইচ বি এম শোয়াবে রহমান (৭৪৭), নজির আহমেদ আজাদ (৭৪৬), মো. গিয়াস উদ্দিন (৭৪৫), গোলাম কিবরিয়া (৭৪৪), মাওলানা ফজলুর রহমান (৭৪৩), মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন টিপু (৭৪২), মো. অলিউর রহমান (৭৪১), নির্মল চন্দ্র বৈরাগি ( ৭৩৯), মো. কাওসার হোসাইন আফরাদ ( ৭৩৯), মাহমুদুল হাসান (৭৩৯), গিয়াস উদ্দিন আহমেদ আমজাদ (৭৩৯), মো. মুসলেহ উদ্দিন (৭৩৭), মো. আবদুল খালেক (৭৩৬), মো. হেলাল (৭৩৪), মাহমুদুল হক পিয়ারু (৭৩২), আকবর আলী (৭৩০), মো. জিয়া উদ্দিন চৌধুরী (৭৩০), মো. মোকসেদুর রহমান (৭২৭), মো. জুনায়েদ গুলজার (৭২৫), মো. মাজহারুল হক ভূঁইয়া (৭১৪), মো. ফরহাদ গনি (৭১৯), মো. দেলাওয়ার হোসাইন ভূঁইয়া (৭১৪), মো. মোরশেদুল আলম (৭১৪), এ এস এম সাইফুল ইসলাম (৬৯৪)।

গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কয়েকজন হলেন- আফসিয়া জান্নাত সালেহ (৬৯৩), এম এ রশীদ শাহ সম্রাট (৬৯১), এইচ এম মুজিবুল হক শুক্কুর (৬৮৪), মো. ইদ্রিস মিয়া (৬৮০), মো. ওয়াহিদুল আলম (৬৭৯), শরাফত উল্লাহ শহিদ (৬৭৯), জিন্নুর আহমেদ চৌধুরী দীপু (৬৭৮), শফিক উল্লাহ নান্টু (৬৬৬), তৌফিক উদ্দিন আহমেদ (৬৬৫), মো. রফিকুল ইসলাম (৬৬৫), মনসুর আলী খান ( ৬৬৫), মুফতি কফিল উদ্দিন সরকার সালেহী (৬৬৩), জিয়াউর রহমান খান রেজোয়ান (৬৬২ )।

সম্মিলিত ফোরামের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম। গণতান্ত্রিক ঐক্যফ্রন্টের প্যানেলের প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন সংগঠনটির বিদায়ী ও টানা তিন মেয়াদের সভাপতি এস এন মঞ্জুর মোরর্শেদ মাহবুব।

ভারতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার, রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় পুলিশ সদস্য গ্রেফতার
প্রকাশিত: ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯ – ১২:১১
Share to Facebook
FacebookShare to Twitter
TwitterShare to LinkedIn
LinkedInShare to WhatsApp
WhatsAppShare to Copy Link
Copy LinkShare to Email
EmailShare to Print
Print

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ভারতে পাচারের অভিযোগে দেব প্রসাদ সাহা নামে এক পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার গ্রেফতারের পর যশোর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।

বিচার সাইফুদ্দিন হুসাইন আগামী ১৯ ডিসেম্বর রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে আসামিকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন।

গ্রেফতার দেব প্রসাদ সাহা খুলনার তেরখাদা উপজেলা শহরের সুরেন্দ্রনাথ সাহার ছেলে।

গ্রেফতার ও রিমান্ড আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল থানার ওসি মামুন খান।

গ্রেফতার দেব প্রসাদ সাহা খুলনার তেরখাদা উপজেলা শহরের সুরেন্দ্রনাথ সাহার ছেলে।

আদালত সূত্র জানায়, গ্রেফতার আসামি দেব প্রসাদ সাহা ঢাকার উত্তরা ১ নম্বর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে কনস্টেবল। সেই সুবাদে ২০১৪ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ১৭ আগস্ট পর্যন্ত বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কর্মরত ছিলেন। তার বিপি নম্বর ৭৫৯৮০৫১১৯৮ ও কনস্টেবল নম্বর ৭০৩।

সেখানে কর্মরত থাকা অবস্থায় ভারতের অনেকের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। যে কারণে তিনি যখন তখন নোম্যানস ল্যান্ড অতিক্রম ভারতে যাওয়া আসা করতেন। ইমিগ্রেশনে দায়িত্ব পালনকালে সেনাবাহিনীর অফিস সহকারী আবু হানজালা রানা ও সৈনিক শাহনেওয়াজ শাহিনের সঙ্গে তার পরিচয় ও সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।

তারা দুইজন বেনাপোলে মাঝেমধ্যে এসে ভারতের এস চক্রবর্তী ও পিন্টু নামে দুইজনের কাছে বাংলাদেশের গোপনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন।

২০১৮ সালের শেষের দিকে দেব প্রসাদ সাহা বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্বলিত একটি পেনড্রাইভ নোম্যানস ল্যান্ড পার হয়ে ভারতে পাচার করে। ১৫ দিন পর আবু হানজালা রানার কাছ থেকে এনে আবারো একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্বলিত পেনড্রাইভ ভারতের এস চক্রবর্তী ও পিন্টুর কাছে হস্তান্তর করে দেব প্রসাদ সাহা।

গত ২৫ অক্টোবর ঢাকার কমলাপুরের একটি হোটেল থেকে ডিজিএফআই ও র‌্যাবের হাতে সৈনিক শাহানেওয়াজ শাহিন আটক হন। এ সময় তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি পেনড্রাইভ উদ্ধার হয় এবং ভারতের কাছ তথ্য পাচারের বেশ কিছু তথ্য দেন।

পরে বিষয়টি পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে অনুসন্ধানে নামে। তদন্তে তাদের মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও ভারতের পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আরেফের সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিও সিডির মাধ্যমে ভারতে বাংলাদেশের তথ্য পাচারের বিষয়টি উঠে আসে।

বেনাপোল থানার ওসি মামুন খান জানান, সেনা সদস্য শাহনেওয়াজ ও অফিস সহকারী আবু হানজালার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে ভারতে পাচারের বিষয়টিও দেব প্রসাদ স্বীকার করেছে মর্মে তারা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে প্রতীয়মান হয়েছে। সে কারণে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্য দেব প্রসাদ সাহাকে আটকের পর মামলা দিয়ে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

৩৫০০ কোটি টাকা নিয়ে চম্পট
সানাউল্লাহ সাকিব, ঢাকা
১২ জানুয়ারি ২০২০, ১১:০৩
আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২০, ১৪:১২
প্রিন্ট সংস্করণ

৪০

প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার।প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার।২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে কমপক্ষে চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (এনবিএফআই) মালিকানায় অস্বাভাবিক পরিবর্তন আসে। সেই চার প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা এখন চরম খারাপ। একটি বিলুপ্তের পথে, বাকি তিনটিও গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না।

নানা কৌশল করে এসব প্রতিষ্ঠান দখল করেছেন মূলত একজন ব্যক্তি। প্রতিষ্ঠান দখল করার জন্য নামে-বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলেছেন, শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কিনেছেন, দখল করা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণের নামে টাকাও সরিয়েছেন। এমনকি দেশের বাইরেও কোম্পানি খুলেছেন।

আর এই ব্যক্তি হলেন প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদার। প্রতিষ্ঠানগুলো দখলের সময় পি কে হালদার প্রথমে রিলায়েন্স ফাইন্যান্স এবং পরে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ছিলেন। আর এসব কাজে তাঁকে সব ধরনের সমর্থন ও সহায়তা দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা। মূলত বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন—এই দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থার চোখের সামনেই সবকিছু ঘটেছে।

এখন পি কে হালদার পলাতক। আর আমানতকারীরা দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন টাকা ফেরত পাওয়ার আশায়। প্রায় ২৭৫ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দখলের ইতিবৃত্ত
পি কে হালদারের দখল করা প্রতিষ্ঠান চারটি হলো ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)। এর মধ্যে গত বছরের জুলাইয়ে পিপলস লিজিং অবসায়নের জন্য অবসায়ক নিয়োগ করা হয়েছে। চারটি প্রতিষ্ঠান দখলে নিলেও কোনো প্রতিষ্ঠানেই পি কে হালদারের নিজের নামে শেয়ার নেই।

প্রশান্ত কুমার হালদার প্রতিষ্ঠান দখল ও অর্থ আত্মসাৎ করেছেন নিয়ন্ত্রক সংস্থার চোখের সামনে। অনেক ক্ষেত্রে সমর্থনও পেয়েছেন।

প্রথম আলোর দুই মাসের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, সব শেয়ার অন্যদের নামে হলেও ঘুরেফিরে আসল মালিক পি কে হালদারই। নিজেকে আড়ালে রাখতে এমন কৌশল নেন তিনি। নিজের নামের সঙ্গে মিল রেখে পি কে হালদার গড়ে তুলেছেন একাধিক প্রতিষ্ঠান, যার বেশির ভাগই কাগুজে। এর মধ্যে রয়েছে পিঅ্যান্ডএল ইন্টারন্যাশনাল, পিঅ্যান্ডএল অ্যাগ্রো, পিঅ্যান্ডএল ভেঞ্চার, পিঅ্যান্ডএল বিজনেস এন্টারপ্রাইজ, হাল ইন্টারন্যাশনাল, হাল ট্রাভেল, হাল ট্রিপ, হাল ক্যাপিটাল, হাল টেকনোলজি অন্যতম। এর বাইরে আনন কেমিক্যাল, নর্দান জুট, সুখাদা লিমিটেড, রেপটাইল ফার্মসহ আরও একাধিক প্রতিষ্ঠান।

কাগজে–কলমে এসব প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় আছেন পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, ভাই প্রিতিশ কুমার হালদার ও তাঁর স্ত্রী সুস্মিতা সাহা, খালাতো ভাই অমিতাভ অধিকারী, অভিজিৎ অধিকারীসহ বিভিন্ন আত্মীয়স্বজন। আবার ব্যাংক এশিয়ার সাবেক এমডি ইরফানউদ্দিন আহমেদ ও সাবেক সহকর্মী উজ্জ্বল কুমার নন্দীও আছেন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায়।

এত দিন ধরে বহাল তবিয়তে থাকলেও পি কে হালদারের নাম সামনে আসে ক্যাসিনোবিরোধী সাম্প্রতিক শুদ্ধি অভিযানের সময়। এ সময় দুদক যে ৪৩ জনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে, তাঁদের মধ্যে পি কে হালদার একজন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ১৪ নভেম্বর হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছিল দুদক। তার আগে ৩ অক্টোবর তাঁর বিদেশযাত্রায়ও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ঠিকই দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন। বেশির ভাগ অর্থও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। দুদকের অনুরোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) পি কে হালদারের অর্থ লেনদেন নিয়ে এক বিশেষ প্রতিবেদন তৈরি করে। তাতেও তাঁর ব্যাপক অনিয়ম ও জালিয়াতির চিত্র উঠে এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পি কে হালদার ও তাঁর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে জমা হয় প্রায় ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠানের হিসেবে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা, পি কে হালদারের হিসাবে ২৪০ কোটি টাকা এবং তাঁর মা লীলাবতী হালদারের হিসাবে জমা হয় ১৬০ কোটি টাকা। তবে এসব হিসাবে এখন জমা আছে মাত্র ১০ কোটি টাকার কম। অন্যদিকে পি কে হালদার এক ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকেই ২ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ বের করে নিয়েছেন।

এ নিয়ে প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, এসব টাকা দিয়েই আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানা কেনা হয়। তবে ঋণ নেওয়া পুরো টাকার হদিস মিলছে না। নিয়ন্ত্রণ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পর্ষদে বসেছেন পি কে হালদারের একসময়ের সহকর্মী ও আত্মীয়রা। আর মালিকানা পরিবর্তনে সব ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

কে এই পি কে হালদার
পি কে হালদারের জন্ম পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার দিঘিরজান গ্রামে। বাবা প্রয়াত প্রণনেন্দু হালদার ও মা লীলাবতী হালদার। তাঁর মা ছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। পি কে হালদার ও প্রিতিশ কুমার হালদার—দুই ভাই–ই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে ব্যবসায় প্রশাসন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।

২০০৮ সাল পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইআইডিএফসিতে উপব্যবস্থাপনা (ডিএমডি) পরিচালক ছিলেন পি কে হালদার। ১০ বছরের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা নিয়েই ২০০৯ সালে তিনি রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি হয়ে যান। এরপর ২০১৫ সালের জুলাইয়ে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের এমডি পদে যোগ দেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, দুই ভাই মিলে ভারতে হাল ট্রিপ টেকনোলজি নামে কোম্পানি খোলেন ২০১৮ সালে, যার অন্যতম পরিচালক প্রিতিশ কুমার হালদার। কলকাতার মহাজাতি সদনে তাঁদের কার্যালয়।

আর কানাডায় পিঅ্যান্ডএল হাল হোল্ডিং ইনক নামে কোম্পানি খোলা হয় ২০১৪ সালে, যার পরিচালক পি কে হালদার, প্রিতিশ কুমার হালদার ও তাঁর স্ত্রী সুস্মিতা সাহা। কানাডা সরকারের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কানাডার টরন্টোর ডিনক্রেস্ট সড়কের ১৬ নম্বর বাসাটি তাঁদের।

পি কে হালদারের মুঠোফোন দুই মাস ধরে বন্ধ। প্রশ্ন লিখে হোয়াটসঅ্যাপ ও ই-মেইলে যোগাযোগ করা হলেও কোনো উত্তর মেলেনি।

পি কে হালদারের এত টাকা
পি কে হালদারের নামে ব্যাংক এশিয়া, এনআরবি গ্লোবাল, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংসহ কয়েকটি ব্যাংকের হিসাবে বিভিন্ন সময়ে জমা হয় ২৪০ কোটি টাকা। হাল ট্রাভেল (হাল ট্রিপ) এজেন্সির চেয়ারম্যান পি কে হালদার নিজে। বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা হাল ট্রিপের হিসাবে জমা হয় ৪০৭ কোটি টাকা। ফার্স্ট কমিউনিকেশনের পরিচালকও তিনি। এর ব্যাংক হিসাবে জমা হয় ৮২৩ কোটি টাকা।

সুখাদা লিমিটেডে পি কে হালদারের শেয়ার ৯০ শতাংশ ও মা লীলাবতী হালদারের ৫ শতাংশ। এ হিসেবে ২০ কোটি ৪১ লাখ টাকা জমা হয়।

লীলাবতী হালদারের ৩টি ব্যাংক হিসাবে জমা হয় ১৬০ কোটি টাকা। রিলায়েন্স ফাইন্যান্স থেকে নেওয়া ৩ গ্রাহকের ঋণের ৬৩ কোট টাকাও লীলাবতী হালদারের হিসাবে জমা হয়। ওই সময়ে রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি ছিলেন পি কে হালদার। একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের হিসাবে এত টাকা জমা হওয়া নিয়ে কোনো ব্যাংক কখনোই প্রশ্ন তোলেনি।

ভাই প্রিতিশ কুমার হালদারের ব্যাংক হিসাবে ৫০ লাখ টাকা জমা থাকলেও তাঁর নামে রয়েছে হাল টেকনোলজি, হাল ট্রিপ টেকনোলজি, পিঅ্যান্ডএল হোল্ডিং, মাইক্রো টেকনোলজিস, নর্দান জুটসহ আরও নানা প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠানের হিসাবে ৫০০ কোটি টাকার বেশি জমা হয়, ঋণও রয়েছে।

কার টাকা, গন্তব্য কোথায়
ব্যাংক এশিয়ার ধানমন্ডি শাখায় পি কে হালদারের দুটি হিসাবে বিভিন্ন সময়ে ২৪৪ কোটি টাকা জমা হয়। এই হিসাব থেকে রিলায়েন্স ব্রোকারেজে যায় ২০৫ কোটি টাকা, লীলাবতী হালদারের হিসাবে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা, পিঅ্যান্ডএল অ্যাগ্রোতে ১১ কোটি টাকা, আনন কেমিক্যালে ৩ কোটি ও এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে যায় ৪০ লাখ টাকা।

২০১৫ সালে পিপলস লিজিংয়ের নিয়ন্ত্রণ নেয় আনান কেমিক্যাল। এফএএস ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট ও রিলায়েন্স ব্রোকারেজের মাধ্যমে এই শেয়ার কেনা হয়।

লীলাবতী হালদারের ব্যাংক হিসাবে বিভিন্ন সময়ে ১৬০ কোটি টাকা জমা হয়। এর মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকে তাঁর হিসাবটি ২০১৩ সালের ৭ মার্চ খুলে ওই বছরের ২৬ আগস্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই ৫ মাসে ওই হিসাবে ১৯ কোটি টাকা জমা করে ইমেক্সকো, বর্ণা ও ওরিয়াল নামের তিনটি প্রতিষ্ঠান। আরেকটি হিসাবে জমা করে ৯ কোটি টাকা, যা ৩০ দিনের মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ তিন প্রতিষ্ঠানই রিলায়েন্স ফাইন্যান্স থেকে ৬৩ কোটি টাকা ঋণ পায়। ওই সময়ে পি কে হালদার ছিলেন রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের এমডি। পুরানা পল্টনের ইস্টার্ন ট্রেড সেন্টারের ১০ তলায় এ তিন প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়, যা তিন মাস ধরে বন্ধ।

হাল ট্রাভেল সার্ভিস মূলত ট্রাভেল এজেন্সি প্রতিষ্ঠান, যা হাল ট্রিপ নামে পরিচিত। এর চেয়ারম্যান পি কে হালদার ও এমডি তাজবীর হাসান। পি কে হালদারের শেয়ারই ৯০ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটির কয়েকটি ব্যাংক হিসাবে বিভিন্ন সময় জমা হয় ৪০৭ কোটি টাকা।

হাল ট্রিপের কার্যালয়ে বসে গত ২১ ডিসেম্বর এমডি তাজবীর হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে হাল ট্রাভেলের মালিকানায় যুক্ত হোন পি কে হালদার। প্রতি মাসে সর্বোচ্চ তিন কোটি টাকার টিকিট বিক্রি হয়। ৩ বছরে ৪০০ কোটি টাকা কারা জমা করল? এ প্রশ্নের কোনো জবাব তিনি দিতে পারেননি।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত ইন্টারনেট গেটওয়ে প্রতিষ্ঠান (আইজিডব্লিউ) ফার্স্ট কমিউনিকেশনের পরিচালক পি কে হালদার। প্রতিষ্ঠানটির ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের হিসাবে বিভিন্ন সময় জমা হয় ৮২৩ কোটি টাকা। পি কে হালদার এমডি থাকাকালে রিলায়েন্স ফাইন্যান্স প্রতিষ্ঠানটিকে ঋণ দিয়েছিল, যার বর্তমান স্থিতি ৪৩ কোটি টাকা।

পি কে হালদারের বাংলাদেশ মাইক্রোটেকনোলজি ও হাল টেকনোলজি একীভূত হয়ে বর্তমানে হাল টেকনোলজি। এর চেয়ারম্যান ব্যাংক এশিয়ার সাবেক এমডি ইরফানউদ্দিন আহমেদ, তিনি অংশীদারও।

ইরফানউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘হাল টেকনোলজি একীভূত হওয়ার পর আমি যোগ দিয়েছিলাম। সম্প্রতি ছেড়ে দিয়েছি।’ তবে এখনো পি কে হালদারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দেখভাল করছেন বলে জানা গেছে।

যেখানে সব বেনামি কোম্পানি
ঋণ নিতে ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে কাগজে–কলমে যত প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে, তার বেশির ভাগের ঠিকানা পুরানা পল্টনের ইস্টার্ন ট্রেড সেন্টারের ১০ তলা এবং কারওয়ান বাজারের ডিএইচ টাওয়ারের ৮ ও ১৪ তলা।

ইস্টার্ন ট্রেড সেন্টারের ১০ তলায় সুকুমার মৃধা প্রায় ২০ বছর ধরে আইনি ব্যবসা করছেন, তার প্রতিষ্ঠানের নাম সুকুমার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস। দীর্ঘদিন ধরে পি কে হালদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের কর ফাইলের কাজ করেন সুকুমার মৃধা। এ সূত্র ধরেই ওই ভবনের ১০ তলার পুরোটাই বেনামি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। ওই ১০ তলার ঠিকানা ব্যবহার করেই হাল ইন্টারন্যাশনাল, হাল এন্টারপ্রাইজ, সুখাদা লিমিটেড, সন্দীপ ইন্টারন্যাশনাল, উইন্টেল ইন্টারন্যাশনাল, বর্ণা, ইমেক্সো, আরবি এন্টারপ্রাইজ, এসএ এন্টারপ্রাইজসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন করা হয়। কয়েকটি কক্ষে এখনো সাইনবোর্ড লাগানো আছে। দুই মাস ধরে এসব কক্ষে তালা ঝুলছে।

ইস্টার্ন ট্রেড সেন্টারে কথা হয় সুকুমার মৃধার সঙ্গে। ওই সময়ে তিনি প্রিতিশ কুমার হালদারের কর ফাইল নিয়ে কাজ করছিলেন। সুকুমার মৃধা প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওরা (হালদার পরিবার) আমার পূর্বপরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের কর ফাইল আমি প্রস্তুত করে থাকি। তাঁরা হঠাৎ করেই আমার দরজায় হাল এন্টারপ্রাইজের সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেন। আমি এর সঙ্গে জড়িত নই।’

তবে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয়ে (আরজেএসসি) খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উইন্টেল ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক পদে আছেন সুকুমার মৃধার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধা। ওই প্রতিষ্ঠান এফএএস ফাইন্যান্স থেকে ৪০ কোটি টাকা ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং থেকে ৬০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আর পরিশোধ করছে না। সুকুমার মৃধার মেয়ের নামে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিআইএফসির শেয়ারও কেনা হয়।

ইস্টার্ন ট্রেড সেন্টারেরর মালিক সমিতির সভাপতি শহীদ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ওই তলার কক্ষগুলো কারা ব্যবহার করেন, এটা সুকুমার মৃধা ভালো বলতে পারবেন।

কারওয়ান বাজারের ডিএইচ টাওয়ারে আছে রেপটাইল ফার্ম, আনন কেমিক্যাল, নর্দান জুট, রহমান কেমিক্যাল, আজিজ ফাইবারসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়। সবই পি কে হালদারের।

গত ২১ ডিসেম্বর কারওয়ান বাজারের ডিএইচ টাওয়ারে কথা হয় উজ্জ্বল কুমার নন্দীর সঙ্গে। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘পি কে হালদারের ডাকে সারা দিয়ে আমি প্রথমে এফএএফ ফাইন্যান্স ও পরে পিপলসের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিই। এটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল।’ তিনি জানান, নর্দান জুটের দায়িত্ব প্রিতিশ কুমার হালদারের কাছে হস্তান্তর করেছেন। এখন অন্য সব দায়িত্বও ছেড়ে দিতে চাইছেন।

উজ্জ্বল কুমার নন্দী ২০১০ সাল পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইআইডিএফসির কোম্পানি সচিব ছিলেন। ২০১৩ সালের অক্টোবরে তাঁকে এফএএস ফাইন্যান্সের পরিচালক করেন পি কে হালদার। এরপর তাঁকে আনন কেমিক্যাল ও পিপলস লিজিংয়ের চেয়ারম্যান করা হয়। একই সঙ্গে উজ্জ্বল নন্দীকে নর্দান জুট, রহমান কেমিক্যাল, ক্লিউইস্টন ফুডের চেয়ারম্যানের পদ দেন পি কে হালদার।

চার আর্থিক প্রতিষ্ঠান দখল যেভাবে
মূলত শেয়ারবাজার থেকে শেয়ার কিনে চারটি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন পি কে হালদার। এভাবে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পিপলস লিজিং ও বিএফআইসির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের একধরনের সহায়তা ছিল। এই দুই প্রতিষ্ঠানের আগের পরিচালনা পর্ষদের একাধিক সদস্য আইন ভেঙে নামে-বেনামে ঋণ নেওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। আর এই সুযোগে এসব কোম্পানির শেয়ার কিনে প্রতিষ্ঠান দুটির নিয়ন্ত্রণ নেন পি কে হালদার।

যেমন বিআইএফসির নিয়ন্ত্রণ সুকুজা ভেঞ্চার ও কাঞ্চি ভেঞ্চার নামের দুটি প্রতিষ্ঠানের হাতে। আরজেএসসি সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ডিসেম্বরের একই দিনে এ দুটি প্রতিষ্ঠান কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। সুকুজা ভেঞ্চারের শেয়ার সুখাদা লিমিটেড ও সুকুমার মৃধার মেয়ে অনিন্দিতা মৃধার হাতে। এর মধ্যে অনিন্দিতা মৃধার শেয়ারই ৯০ শতাংশ। আর সুখাদা লিমিটেডের মনোনীত পরিচালক ব্যাংক এশিয়ার সাবেক এমডি ইরফানউদ্দিন আহমেদ। ইরফানউদ্দিন আহমেদ কিছুদিনের জন্য বিআইএফসির চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন। আর কাঞ্চি ভেঞ্চারের ৯৫ শতাংশ শেয়ার হাল ইন্টারন্যাশনালের হাতে, যার প্রতিনিধিও ইরফানউদ্দিন আহমেদ।

সুকুমার মৃধা প্রথম আলোকে বলেন, ‘পি কে হালদার আমার মেয়েকে কোম্পানির পরিচালক বানিয়েছেন। এর বেশি কিছু আমি জানি না।’

পিপলস লিজিংয়ের নিয়ন্ত্রণ ছিল আনন কেমিক্যাল নামের একটি প্রতিষ্ঠানের। আবার আনন কেমিক্যালের ৯৪ শতাংশ শেয়ার প্রিতিশ কুমার হালদারে হাতে ও ৫ শতাংশ শেয়ার তার খালাতো ভাই অভিজিৎ অধিকারীর হাতে।

এফএএস ফাইন্যান্সের নিয়ন্ত্রণ পিঅ্যান্ডএল ইন্টারন্যাশনাল ও রেপটাইল ফার্মের হাতে। আবার রেপটাইলস ফার্মের মালিকানায় আছে পিঅ্যান্ডএল ইন্টারন্যাশনাল, কেএইচবি সিকিউরিটিজের এমডি রাজীব সোম ও তাঁর স্ত্রী শিমু রায়। এর ফলে ময়মনসিংহের কুমির চাষ প্রকল্পটি বনে গেছে একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মালিক। মালিক মূলত পি কে হালদারই।

রাজীব সোম গতকাল শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি মূলত সিকিউরিটিজ ও রেপটাইল ফার্মের বেতনভুক্ত কর্মচারী। ফার্মে ও সিকিউরিটিজে আমাদের কিছু শেয়ারও আছে। এর বাইরে আমি কোনো কিছুর সঙ্গে জড়িত নই।’

ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের নিয়ন্ত্রণ হাল ইন্টারন্যাশনাল, বিআর ইন্টারন্যাশনাল, নেচার এন্টারপ্রাইজ, নিউ টেক এন্টারপ্রাইজের হাতে। এসব প্রতিষ্ঠান ২০১৫ সালে কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। হাল ইন্টারন্যাশনালের ৭০ শতাংশ শেয়ারের মালিক পি কে হালদার নিজে।

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং একসময় ভালো চলছিল। ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠানটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরই প্রতিষ্ঠানটি ভেঙে পড়ে। প্রায় ৩০টি প্রতিষ্ঠানের নামে বের করে নেওয়া হয় ২ হাজার ২৯ কোটি টাকা। এর সব কটির সুবিধাভোগীও পি কে হালদার বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ সামগ্রিক বিষয় নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, একজন ব্যক্তি কীভাবে চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিলেন, এটা বোধগম্য হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি বলে কি কিছুই ছিল না। জানার পরও কেন সেখানে প্রশাসক বসায়নি। আর্থিক অপরাধের বিচার না হওয়ায় সবাই অনিয়মে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, এখনই সরকারের পক্ষ থেকে এসব অপরাধ শক্ত হাতে দমন করতে হবে। না হলে আর্থিক খাতকে টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে, যার পরিণতি কারও জন্য সুখকর হবে না।

দিল্লির সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০

অনলাইন ডেস্ক দিল্লিতে সংঘর্ষের সময় এক ব্যক্তিকে পেটানো হচ্ছে। ছবি: রয়টার্সদিল্লিতে সংঘর্ষের সময় এক ব্যক্তিকে পেটানো হচ্ছে। ছবি: রয়টার্সভারতের রাজধানী দিল্লিতে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় মৃত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে ১৮–তে পৌঁছেছে। আইনটির বিরোধী ও সমর্থক দুই পক্ষের মধ্যে পাথর নিক্ষেপ, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের মধ্য দিয়ে ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে উত্তাল উত্তর-পূর্ব দিল্লি। সংঘর্ষে ১৫০ জনের বেশি মানুষ আহত। গতকাল মঙ্গলবার শুরু হওয়া এই সহিংসতা আজ বুধবার সকালেও চলছে।

আজ এনডিটিভির অনলাইন সংস্করণে বলা হয়, ঘটনাস্থলে পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। গতকাল রাতে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনে যান অজিত। সিলামপুর, জাফরাবাদ, মৌজপুর ও গোকুলপুরি চক পরিদর্শন করেন তিনি। রাজধানীতে সংঘটিত সহিংসতার বিষয়ে আলোচনার জন্য নিরাপত্তাসংক্রান্ত মন্ত্রিপরিষদ কমিটি আজ বৈঠকে বসবে। দোভাল পরিস্থিতি নিয়ে কমিটির কাছে তথ্য তুলে ধরবেন।

দিল্লি হাইকোর্ট গতকাল মধ্যরাতে পুলিশকে মানুষের নিরাপদ চলাচল ও আহত ব্যক্তিদের জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। দুজন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চটি বিচারপতি এস মুরলিধরের বাড়িতে আদালত বসিয়ে শুনানি করেন। নিরাপদ চলাচল ও জরুরি চিকিৎসকের বিষয়ে এক জরুরি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাতে এই আদালত বসিয়ে শুনানি করা হয়। আজ স্থানীয় সময় বেলা সোয়া দুইটায় আদালত মামলাটি আবার নিয়ে বিচারকাজ পরিচালনা করবেন।

গতকাল রাতে মূলত জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) ও জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার শিক্ষার্থীরা বড় আকারে সমবেত হয় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবনের সামনে। সহিংসতার নেপথ্যে জড়িত ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি জানায় তারা। দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় পুলিশ জলকামানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে।

সংঘর্ষের দিন রাস্তায় লাঠিসোঁটায় সজ্জিত লোকেদের দেখা যায়। পুড়িয়ে দেওয়া হয় বিভিন্ন দোকান। সংঘাত সামাল দিতে সেনাবাহিনীকে নিয়োগ করার আরজি খারিজ করে দেয় কেন্দ্রীয় সরকার।

দিল্লিতে সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেওয়া গাড়ি। ছবি: এএফপিদিল্লিতে সংঘর্ষের সময় পুড়িয়ে দেওয়া গাড়ি। ছবি: এএফপিকেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দিল্লিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছয় হাজারের বেশি সদস্য নিয়োজিত আছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য নিয়োজিত থাকায় সেনা নামানোর প্রয়োজন হবে না।

গতকালই ভারত সফরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সফরের মধ্যেই দিল্লিতে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো। গতকাল প্রায় সারা দিনই উত্তর-পূর্ব দিল্লির একাধিক জায়গায় একের পর এক সংঘর্ষ ঘটতে থাকে। আহত ব্যক্তিদের অনেকে পুলিশ সদস্য। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন রয়েছে ৩৫ কোম্পানি আধা সেনা। কালকের ঘটনার পরই উত্তর-পূর্ব দিল্লির বেশ কয়েকটি এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

প্রিয় সহকর্মী সম্মাণিত সদস্য/সদস্যা ভাই-বোন ও বন্ধুরা,

আমি শফিক রহমান আপনাদের সঙ্গে পরামর্শ করার সময় না পেয়ে
ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের ২৯ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে কবি মোশাররফ-জহির পরিষদে
প্রার্থী হয়েছি,
আপনারা ইতিপূর্বে অনেক রথি-মহারথি নির্বাচিত করেছেন, সেই প্রত্যাশায় আপনাদের কাছে আমার বিনীত প্রার্থনা আমার ভুল-ত্রুটি মাফ করে একটা ভোট ভিক্ষা দিলে খুশী হবো-
সর্বদা যখন ডাকবেন পাশে পাবেন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি-
প্রয়োজনে যোগাযোগ-০১৭১৫০১১৮৩৭

রংপুর বিভাগ