• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

কাল ভোট পানসে উৎসবে’ও ‘আতিক’


প্রকাশিত: ১:৫৩ পিএম, ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯ , বুধবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২২৫ বার

স্টাফ রিপোর্টার : কাল ভোট পানসে উৎসবে ‘আতিক’ এর নাম উঠছে। বলা হচ্ছে মন্দের ভালো। আশেপাশে কেউ নেই যে আলো ছড়াবে-। তাই এই ভোট উৎসবে আতিক’ই জিতছে এমনটাই শোনা যাচ্ছে ঢাকা উত্তরের সর্বত্র। এরই মধ্যে প্রচার শেষ হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫ প্রার্থী।মাঠে রয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আতিকুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী শাফিন আহমেদ। অন্য প্রার্থীরা হলেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আনিসুর রহমান দেওয়ান, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টির (পিডিপি) শাহীন খান ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুর রহিম।নগর গড়ার নানা প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তারা। তবে অনেকের কথায় মন ভরেনি নগরবাসীর-তাই সংশয় রয়েছে নানা ধরনের।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী আতিকুল ইসলাম জাতিরকন্ঠ কে বলেন, ‘নির্বাচিত হলে আমার প্রথম কাজ হবে কাজ বোঝা। এরপর সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করবো। নগরীকে একটি পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে উপহার দিতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেবো। দেয়ালে কোনও ধরনের পোস্টার ফেস্টুন লাগাতে দেবো না। দৃষ্টিকটু সব দেয়াল বিভিন্ন দৃশ্য এঁকে সাজিয়ে তুলবো।’

জাতীয় পার্টির প্রার্থী শাফিন আহমেদে বলেন, ‘বায়ু দূষণে বিশ্বে ঢাকার অবস্থান প্রথম। এটা রোধ করতে হবে। খাল খনন করে পানি ধরে রাখার চেষ্টা করবো। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কোনও ধরনের পলিব্যাগ সহ্য করা হবে না। এই এলাকায় মাদক ও খাদ্যে ভেজাল নির্মূলে আমার অবস্থান থাকবে জিরো ট্রলারেন্স। পরিবেশের উন্নয়নে বৃক্ষরোপণ করা হবে। ফুটপাত যাতে পথচারীদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া যায় সেজন্য হকার পুনর্বাসন করে ফুটপাত দখল ‍মুক্ত করবো।’

শাফিন আহমেদ আরও বলেন, ‘সাধারণ মানুষ যাতে সিটি করপোরেশনের সব সেবা পান তা নিশ্চিত করবো। জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ রক্ষার প্রতি নজর থাকবে। সঠিক সময়ে ওষুধ ছিটিয়ে মশা নিধন করা হবে। মাদক সেবন ও ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সন্ত্রাস ও নানাবিধ অসমাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলবো।’তবে নির্বাচন নিয়ে শাফিন আহমেদ এই প্রার্থীর নানা আশঙ্কা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আসলে নির্বাচনে কী হবে সেটা সবাই জানে। মানুষ একই রকমের নির্বাচন দেখে আসছে। আর দেখতে চায় না। সরকার দলের প্রার্থী সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন। মানুষ যাতে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারে সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুর রহিম বলেছেন, ‘আমি আনিস ভাইয়ের টেবিল ঘড়ি মার্কা নিয়েই জনতার কাছে এসেছি। তার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে চাই। নির্বাচিত হলে বস্তিবাসীর জন্য কাজ করবো। স্থায়ী বহুতল ভবন নির্মাণ করে তাদের পুনর্বাসন করবো। শিক্ষা বাণিজ্য বন্ধ করা, বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ, কর্মসংস্থান তৈরি করা, ন্যায্য মূল্যে খাদ্য বিতরণ প্রকল্প চালু করা এবং সবার মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার থাকবো।’

গুলশান এলাকার ভোটার মোহাম্মদ আশরাফ বলেন, ‘নির্বাচনের অগে প্রার্থীরা অনেক ধরনের কথা বলেন। বস্তি থেকে শুরু করে সব এলাকার ভোটারদের ঘরে ঘরে যান। নির্বাচিত হলে সবই ভুলে যান। আমরা এমন অনেক প্রার্থীর প্রতিশ্রুতি দেখেছি। কিন্তু কোনও কিছুরই বাস্তবায়ন দেখিনি। আমার বিশ্বাস, যোগ্য নেতৃত্বে এলে ঢাকা শহরের চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব।’