• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

কার জিঘাংসায় খুন হলো টেক্সাসের ছয় বাংলাদেশী!


প্রকাশিত: ১০:২৮ পিএম, ৬ এপ্রিল ২১ , মঙ্গলবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২৫৯ বার

বিশেষ প্রতিনিধি/টেক্সাস প্রতিনিধি : কার জিঘাংসায় খুন হলো টেক্সাসের ছয় বাংলাদেশী! তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে একই পরিবারের ছয় বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, দুই ভাই মিলে পরিবারের বাকি সদস্যদের হত্যার পর আত্মহত্যা করেন। নিহত ফারহান তৌহিদের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মানসিক হতাশা থেকে এমন সিদ্ধান্তের কথা ‌উল্লেখ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার (৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত একটা, স্থানীয়দের ফোন পেয়ে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের অ্যালেন শহরে প্রবাসী বাংলাদেশি তৌহিদুল ইসলামের বাড়িতে ঢুকে মার্কিন পুলিশ। এরআগে যোগাযোগ করতে না পেরেই পুলিশে খবর দেয়, তৌহিদুলের এক বন্ধু। পাইন ব্লাফ ড্রাইভ এলাকার ওই বাড়ি ঢুকতেই মেলে ছয়টি মরদেহ। একটি কক্ষে একইসঙ্গে বাবা-মা ও তিন সন্তানের মরদেহ ছিল। একটু দূরেই পড়েছিল তাদের নানির মরদেহ।

পুলিশ বলছে, শনিবার কোন এক সময়ে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে তাদের ধারণা, দুই ভাই ফারহান আর তানভীর মিলে, মা-বাবা, বোন আর নানিকে হত্যার পর আত্মহত্যা করে। ফারহানের ইনস্টাগ্রামের পোস্টেও মেলে দীর্ঘ একটি সুইসাইড নোট। যেখানে, মানসিক বিষণ্ণতা থেকে আত্মহত্যার সিদ্ধান্তের কথা বলেন তিনি।ইনস্টাগ্রামের পোস্টে ১৯ বছরের ফারহান জানায়, নবম শ্রেণী থেকেই মানসিক হতাশায় ভুগছেন তিনি। বেশ কয়েকবার করেছেন আত্মহত্যার চেষ্টাও। তার বড় ভাই ২১ বছরের তানভীরও হতাশায় ভুগছিলেন। এক সময় দুজন মিলে গোটা পরিবারকে গুলি করে হত্যার পর আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন। মার্কিন মুল্লুকে অস্ত্র কেনাকে মামুলি ব্যাপার আখ্যা দেন ফারহান। আর দেশটির অস্ত্র আইনকে উল্লেখ করেন তামাশা হিসেবে।এমন ঘটনায় শোকে স্তব্ধ টেক্সাসের বাংলাদেশি কমিউনিটি। সবসময় হাসিখুশী থাকা পরিবারটির সাথে এমন হবে মানতে পারছেন না ঘনিষ্টরাও। প্রায় ২৫ বছর আগে আমেরিকায় পাড়ি জমান তৌহিদুল ইসলাম। কাজ করতেন, সিটি গ্রুপের তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টরে।