• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

কমলা-তামিলনাডু টু আমেরিকা


প্রকাশিত: ২:১০ এএম, ৮ নভেম্বর ২০ , রোববার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২০৫ বার

আসমা আক্তার : ‘দ্য ট্রুথস উই হোল্ড, অ্যান আমেরিকান জার্নি’র লেখক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে রেকর্ড পপুলার ভোট পেয়ে দেশটির ইতিহাসে প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন কমলা হ্যারিস। তিনিই প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত যিনি এই গৌরব অর্জন করলেন। আজ শনিবার বিবিসি ও সিএনএনের প্রতিবেদনে কমলার জয়ের এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।কমলা হ্যারিস ইতিহাসের এই পথে হাঁটা শুরু করেছিলেন সেদিনই, যেদিন ডেমোক্র্যাটদের হয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করা হয়েছিল।

তখন কৌতূহল তৈরি হয় সারাবিশ্বে কে এই কমলা হ্যারিস? অবশ্য মার্কিন রাজনীতিক বিশ্লেষকরা বলছিলেন, কমলাকে দিয়ে শ্বেতাঙ্গদের সঙ্গে অভিবাসী ও কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে বিভাজনের রাজনীতির ইতি টানতে চাইছেন ডেমোক্র্যাটরা।ভারতীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে মিল রেখে সৌভাগ্য, সৌন্দর্য ও শক্তির দেবী লক্ষ্মীর প্রতীক আর সংস্কৃত শব্দ ‘কমল’ বা পদ্মফুলের সমার্থক শব্দে মেয়ের নাম কমলা রেখেছিলেন ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের শ্যামলা গোপালান।১৯৬১ সালে ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটিতে কমলা হ্যারিসের মা শ্যামলার সঙ্গে বাবা জ্যামাইকান ডোনাল্ড হ্যারিসের পরিচয়। ১৯৬৪ সালের ২০ অক্টোবর শ্যামলা আর ডোনাল্ডের সংসারে আসে কমলা। ১৯৬৭ সালে জন্ম নেয় কমলার বোন মায়া লক্ষ্মী হ্যারিস। তবে কমলার বয়স যখন মাত্র সাত, তখন বিচ্ছেদ হয় মা-বাবার।

‘দ্য ট্রুথস উই হোল্ড, অ্যান আমেরিকান জার্নি’ নামে আত্মজীবনীতে এমনটাই লিখেছেন কমলা।কমলা হ্যারিসের মা শ্যামলা গোপালান জানিয়েছেন, দুই মেয়ে যেন শেকড় ভুলে না যায়, তাতেও ছিল তাঁর মা শ্যামলার কড়া দৃষ্টি। গির্জার পাশাপাশি মেয়েদের যেতে হতো হিন্দু মন্দিরেও। এ ছাড়া, বাল্যকালে ভারতে বেড়াতে যাওয়া কমলার ওপর রয়েছে নানাবাড়ির প্রভাব।এর মধ্যে ২০১৬ সালে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত হিসেবে মার্কিন সিনেটে জায়গা করে নেন কমলা হ্যারিস। এর মাত্র চার বছর পর ২০২০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে লড়াই করারও ঘোষণা দিলে সেই লড়াইয়ে না টিকলেও হয়ে যান বাইডেনের রানিংমেট।