• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

আবুধাবির বড় বিনিযোগ টানবেন প্রধানমন্ত্রী


প্রকাশিত: ২:৩২ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯ , মঙ্গলবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৯৬ বার

শহিদুল্লাহ আজিজ : এবার আবুধাবির বড় বিনিযোগ টানবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেলক্ষ্য সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা তৈরী করা হচ্ছে। এছাড়াও বেসামরিক বিমান চলাচল, পর্যটন, স্বাস্থ্য, সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রেও আবুধাবির ডলার দেশে আনার পরিকল্পনা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।আগামী সপ্তাহে আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়া প্রদর্শনীতে যোগদানের জন্য আবুধাবি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সামরিক মহড়া প্রদর্শনী দেখার পাশাপাশি দেশটির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মেদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মেদ বিন রাশিদ আল মোকতামের সঙ্গে বৈঠকের কথাও রয়েছে তার।

দ্বিপক্ষীয় ওই বৈঠকগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য থাকবে বাংলাদেশে দেশটির বিনিয়োগ বাড়ানো। পাশাপাশি দেশটিতে আরও রফতানির সুযোগ সৃষ্টি এবং সেখানে বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজার কতটা বড় করা যায় তা নিয়েও আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এছাড়াও সফরে বেসামরিক বিমান চলাচল, পর্যটন, স্বাস্থ্য, সামরিক সহযোগিতাসহ আরও কিছু বিষয় আলোচনার টেবিলে উঠতে পারে বলে আশা করছে সরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সরকারের একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, সফরে বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিষয়টি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। দেশটির মনোযোগ আকর্ষণে প্রয়োজনে আমিরাতের ব্যবসায়ীদের জন্য একটি স্বতন্ত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইপিজেড) গড়ে দেওয়ার আশ্বাসও দেবেন তিনি।বাংলাদেশে বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ আছে ২.৫ বিলিয়ন ডলার। সরকার মনে করে, তেল সমৃদ্ধ সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রচুর তরল অর্থ আছে। আর বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশও তাদের আরও বিনিয়োগ পেতে আগ্রহী।

সরকারের একটি উর্ধ্বতণ সূত্র জাতিরকন্ঠ কে বলেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে গত অর্থবছরে ১.২ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে বাংলাদেশ রফতানি করেছে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। এর মধ্যে তৈরি কাপড়, সবজি ও অন্যান্য পণ্য রয়েছে । এর বিপরীতে আমদানি করেছে মূলত পেট্রোলিয়াম পণ্য। বাংলাদেশের যে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি করা হচ্ছে তার একটি শুধুমাত্র আবুধাবির বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে। তাছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশে সিরামিক, সার, ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ যাতে আরো বাাড়ায় সেদিকে নজর রাখছেন শেখ হাসিনা।

সম্প্রতি দেশটিতে থাকা অবৈধ নাগরিকদের বৈধ করার সুযোগ দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সেখানে থাকা প্রচুর সংখ্যক বাংলাদেশি বৈধ হওয়ার সুযোগ নিয়েছে। আর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর দেশটিতে আবার লোক পাঠানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।গৃহস্থালি কাজের জন্য বর্তমানে ১৯টি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ থেকে লোক নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত । বাংলাদেশ এই বাজার দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকদের জন্য খোলার অনুরোধ করেছে দেশটিকে।