‘আওয়ামী লীগে দুষ্কৃতিকারির ঠাই নেই’
বিশেষ প্রতিনিধি : দলে কোনো দুষ্কৃতিকারির ঠাই হবে না। শুদ্ধি অভিযান চলছে, কখন কে ধরা পড়বে বলা যায় না বলে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। চলমান শুদ্ধি অভিযান নিয়ে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আজ মঙ্গলবার দুপুরে খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগে দূষিত রক্তের প্রয়োজন নেই বলে সম্মেলনে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, দলে বিশুদ্ধ রক্তের সঞ্চার করতে হবে। ছবি-বিলবোর্ড টাঙিয়ে নেতা হওয়া যাবে না। দলে কোনো দুষ্কৃতিকারির ঠাই হবে না। শুদ্ধি অভিযান চলছে, কখন কে ধরা পড়বে বলা যায় না।
সেতুমন্ত্রী বলেন, দল ক্ষমতায়, তাই দলে কর্মীর চেয়ে নেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। নেতা হতে হলে নেতৃত্বের যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। আত্মীয়-স্বজনদের দিয়ে পকেট কমিটি গঠন করা যাবে না। দুর্দিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে।সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতি ভুলের চোরাবালিতে আটকে গেছে। আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে এখন তারা বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করছে। পরিণত হয়েছে নালিশ পার্টিতে। জনগণ এখন আর তাদের ডাকে সাড়া দেবে না।
আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ফখরুল সাহেবের মুখে দুর্নীতির কথা ভুতের মুখে রাম নাম। তাদের সময়ে পাঁচবার দুর্নীতিতে প্রধান হয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জনগণ দুর্নীতিগ্রস্ত, খুনি, সাম্প্রদায়িক শক্তির মদদদাতা আর জঙ্গি মদদদাতাদের ক্ষমতায় আর আনবে না।সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য। স্বাগত বক্তব্য দেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।
সম্মেলনে অতিথি ছিলেন বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন। খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আব্দুর রহমান, উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ড. মশিউর রহমান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাইদ আল মাহমুদ স্বপন, শ্রম প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, শেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, শেখ শাহরহান নাসের তন্ময় প্রমুখ।
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে মহানগর সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেককে পুনরায় সভাপতি ও সাবেক কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানাকে সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা আওয়ামী লীগের জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদকে পুনরায় সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারীকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।



