হেফাজত নেতাদের বাঁচাতে তদবিরে জুনায়েদ বাবুনগরী

বিশেষ প্রতিনিধি : ফের লবিং হেফাজতে ইসলামের। নেতাদের বাঁচাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তদবিরে নেমেছেন হেফাজতে ইসলামের আমির সোমবার (৫ জুলাই) রাত ৮টা ৩৭ মিনিটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসভবনে বৈঠক শেষে রাত সাড়ে ১০টার পর মন্ত্রীর বাসা থেকে বের হন ধর্মভিত্তিক সংগঠনটির এই প্রধান নেতা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ২ ঘণ্টা বৈঠক করলেও গণমাধ্যমের সামনে কোনো কথা বলেননি হেফাজতের নেতারা। তবে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, ঈদুল আজহার আগে নেতাকর্মীদের মুক্তি, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কওমি মাদরাসা খুলে দেওয়াসহ কিছু দাবি জানিয়েছে নেতাকর্মীরা। অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে- হেফাজতের নতুন কমিটি ঘোষণার পর তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছেন।
এর আগে সোমবার (৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কালো রংয়ের একটি প্রাইভেটকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় পৌঁছান হেফাজতের নেতারা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আজ চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছেন জুনায়েদ বাবুনগরী। তার সঙ্গে আছেন মাওলানা নুরুল ইসলাম, খাদেম মো. সুফী ও খাদেম নাঈম জুনাইয়েদ।বৈঠকে অংশ নিতে সোমবার (৫ জুলাই) চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছেন জুনায়েদ বাবুনগরী। এরপর বারডেম হাসপাতালে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান তিনি। পরে তিনি রাজধানীর খিলগাঁও এলাকার একটি মাদরাসায় বিশ্রাম নেন। এরপর সেখান থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান।
জানা গেছে, আজ রাতেই হেফাজতের আমির জুনায়েদ বাবুনগরী চট্টগ্রাম হাটহাজারী মাদরাসায় ফিরে যাবেন।
এর আগে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময় দেশজুড়ে তাণ্ডব চালায় হেফাজতে ইসলাম। সংগঠনটির শীর্ষ পর্যায়ের অন্তত ৫০ নেতাকে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সবাইকে সহিংসতার একাধিক মামলায় রিমান্ডেও নেয়া হয়। গ্রেপ্তার থামাতে এর মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তিনবার হেফাজতের মহাসচিব নূরুল ইসলাম জিহাদীর নেতৃত্বে সাক্ষাৎ করে সংগঠনটির একটি প্রতিনিধিদল। কিন্তু ধরপাকড় থামছে না। এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে নিজেই দেখা করতে এলেন বাবুনগরী।



