• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইনে সারবে করোনা


প্রকাশিত: ৬:৫৬ পিএম, ২৪ মার্চ ২০ , মঙ্গলবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২২৯ বার

শফিক রহমান : এবার ম্যালেরিয়ার ওষুধে হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন এ সারবে করোনাভাইরাস। এলক্ষ্যে নেয়া হয়েছে কার্যকর ব্যবস্থা। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মাঠে নেমে পড়েছেন ইতিমধ্যে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ম্যালেরিয়া জ্বরে ব্যবহৃত হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন ও ক্লোরোকুইন কার্যকর বলে বাংলাদেশের সোসাইটি অব মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা কাজ শুরু করে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই তারা করোনা রোগীর সুচিকিৎসা নিশ্চিতে স্ট্যান্ডার্ড ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন প্রণয়ন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে।

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান জাতিরকন্ঠ কে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ম্যালেরিয়া জ্বরে ব্যবহৃত হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন কার্যকর বলে তত্য মিলেছে। বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যে করোনা রোগীর সুচিকিৎসা নিশ্চিতে স্ট্যান্ডার্ড ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন প্রণয়ন করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে সরকার ইতিমধ্যেই এক লাখ রোগীকে চিকিৎসা দেয়ার মতো ওষুধ মজুত করেছে।তিনি বলেন, দেশে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কয়েক লাখ হলেও তাদের সুস্থ করে তুলতে কার্যকর ওষুধের অভাব হবে না। দেশে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩৯ হলেও এ মুহূর্তেও এক লাখ রোগীর চিকিৎসা দিতে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরকারের কাছে মজুত রয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের বেশকিছু খ্যাতনামা ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ওষুধ উৎপাদনে নির্দেশনা দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর।

বাংলাদেশ সোসাইটি অফ মেডিসিনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ বিল্লাল আলম ২৪ মার্চ জাতিরকন্ঠ কে বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসায় ম্যালেরিয়া জ্বরে ব্যবহৃত হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন ও ক্লোরোকুইন ওষুধের সঙ্গে এজিথ্রোমাইসিন সাত দিন সেবনে অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়েছে বলে প্রমাণ মিলেছে।তিনি বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বিশ্বব্যাপী করোনা আক্রান্ত দেশগুলোর চিকিৎসা পদ্ধতি এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা পর্যালোচনা করে দেশে করোনা আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে স্ট্যান্ডার্ড ট্রিটমেন্ট গাইডলাইন সুপারিশ করেছে। ওই সুপারিশের আলোকেই কাজ চলছে। তাই করোনাভাইরাস ঠেকাতে হাইড্রক্সি ক্লোরোকুইন ও ক্লোরোকুইন ওষুধের সঙ্গে এজিথ্রোমাইসিন সেবনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে ইনসেপ্টা, ডেল্টা, এসিআই, জেসন, রেডিয়েন্ট ও ডেল্টা ফার্মাসিউটিক্যাল ম্যালেরিয়া জ্বরের ওষুধ উৎপাদন করে। দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে চিকিৎসাসেবা যেন ব্যাহত না হয় সে জন্য বেক্সিমকো, স্কয়ার ফার্মাসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এ দুটি ওষুধ উৎপাদনের প্রস্তুতি নিয়েছে।