সাবাস বি.চৌধুরী-চমৎকার চপোটাঘাত-
এস রহমান : সাবাস বি.চৌধুরী-চমৎকার চপোটাঘাত-দিলেন নির্বাচন পেছানো অশুভ চক্রদের। আপনি সত্যিই বলেছেন, সারা দেশে এখন নির্বাচনের আমেজ চলে এসেছে। এই মুহূর্তে আর নির্বাচন পেছানো ঠিক হবে না। কারণ, নির্বাচন পেছালে নির্বাচন হবে কি হবে না, তা নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হবে।
তাছাড়া প্রতিক্রিয়াশীলদের সেই অশুভ চক্র তো বসে নেই। তাছাড়া পরাজিত শক্তিতো ওদের মদদ জোগাচ্ছে। যারা জাতিরজনক বাঙ্গালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারে তাদের রক্ত কালো চোখ তো ‘মমতাময়ী’কে সহ্য করতে পারেনা। যারা জনদূর্ভোগ লাঘবে পুলিশের বার্তা না মেনে গাড়ি পুড়িয়ে দেয়, যারা ইসি’র নির্দেশনা মানেনা তারা সব পারে-কারণ তারা তো আগুন সন্ত্রাসী, জঙ্গি অপশক্তির দোসর।
আপনার এ চপোটাঘাত যুগ যুগ মানুষ মনে রাখবে! যেমন মানুষ মনে রেখেছে- তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আব্দুস সাত্তারের সোনালী ব্যাংকের কয়েক হাজার ব্যাংক কর্মীর একযোগে চাকরী খাওয়ার ঘটনাকে। গণতন্ত্রের পথ সম্প্রসারণে আপনার এই কথা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।যাহোক-নির্বাচন পেছানোর আর কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন যুক্তফ্রন্ট চেয়ারম্যান ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।
তিনি বলেন, সারা দেশে এখন নির্বাচনের আমেজ চলে এসেছে। এই মুহূর্তে আর নির্বাচন পেছানো ঠিক হবে না। নির্বাচন হবে কি হবে না, তা নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হবে।আজ বুধবার দুপুরে বারিধারায় এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ সব কথা বলেন।বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আজ বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর বদরুদ্দোজা চৌধুরী সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা বলেন।
গতকাল বিএনপির নয়াপল্টনের কার্যালয়ের সামনে যানবাহন ভাঙচুর ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার বিষয়ে বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘এটি নির্বাচনকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আনন্দ উৎসবে নেতা-কর্মীরা কেন লাঠি নিয়ে আসবে? কেন যানবাহনে আগুন দেবে? এগুলো পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।’ দ্রুত এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে তিনি বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।



