• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

সহিংস পুরনো কায়দায় হেফাজত তান্ডব-মেরেছে পুলিশের ওসিকেও


প্রকাশিত: ৬:৪৩ পিএম, ২৮ মার্চ ২১ , রোববার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৩৯৬ বার

ডেস্ক রিপোর্টার/হবিগঞ্জ রিপোর্টার/ বি-বাড়িয়া প্রতিনিধি : সেই পুরনো কায়দায় ফের সহিংস হয়ে উঠেছে হেফাজত। হরতালের নামে আজ তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা করেছে। একই ঘটনা ঘটেছে মুন্সিপুরনো গঞ্জের সিরাজদিখান ও কিশোরগঞ্জেও। হেফাজত এবার পিটিয়েছে পুলিশের ওসিকেও। সরেজেমিনে রিপোর্টার/ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: সেই পুরনো কায়দায় ফের সহিংস হয়ে উঠেছে হেফাজত। হরতালের নামে আজ তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা করেছে। একই ঘটনা ঘটেছে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান ও কিশোরগঞ্জেও। হেফাজত এবার পিটিয়েছে পুলিশের ওসিকেও। সরেজেমিনে দেখা গেছে, হেফাজত সমর্থকরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে আবারও পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৩৩টি রাবার বুদেখা গেছে, হেফাজত সমর্থকরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে আবারও পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৩৩টি রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে হেফাজত কর্মীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়। হরতালে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে ব্যাপক সহিংসতা করেছে হেফাজত কর্মীরা। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের পাশাপাশি কারা সংঘর্ষে জড়িয়েছে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে সহিংসতায়।

আজমিরীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কের নোয়াগড় এলাকায় রোববার বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আইনশঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার সময় মসজিদের মাইক ব্যবহার করে ধর্মভিত্তিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। মাইকে ঘোষণা দিয়ে জড়ো করা হয় কর্মী সমর্থকদের। সংঘর্ষের সময় তারা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে ও দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়। আজমিরীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হানিফ জাতিরকন্ঠ কে জানান, ‘নোয়াগড় এলাকায় হেফাজত ইসলামের সমর্থকরা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে রাখে। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দিলে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুড়তে থাকে। এক পর্যায়ে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি নুরুল ইসলামসহ আরও পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন।

ওসি কীভাবে আহত হয়েছেন-জানতে চাইলে তিনি জাতিরকন্ঠ কে বলেন, তার গায়ে ইটপাটকেল লাগার পাশাপাশি তাকে লাঠি দিয়ে মারা হয়েছে। হবিগঞ্জে হেফাজত কর্মীরা পুলিশের একটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। এসময় হেফাজত সমর্থকরা মাইকে ঘোষণা দিয়ে আবারও পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পুলিশ তখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৩৩টি রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে হেফাজত কর্মীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়।
ওসি আরও জানান, উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

গত দুই দিন ধরে সহিংস ব্রাহ্মণবাড়িয়া সকাল থেকে জ্বলছে হেফাজত কর্মীদের আক্রমণে। তারা হামলা করেছে সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা, ঘরবাড়ি, আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাদের বাড়িতে।তারা জেলা পরিষদ কার্যালয়ে, পৌরসভা কার্যালয়ে, জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এবং সাধারণ সম্পাদকের বাড়ি ও কার্যালয়ে, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বাড়ি, ভূমি অফিসে, আয়কর আইনজীবী ও আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল হক ভূঁইয়ার কার্যালয়ে, জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগার ও শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ চত্বরে আয়োজিত উন্নয়ন মেলায় আগুন দিয়েছে।

আগুন দেয়া হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনে রেললাইনের কাঠের পাটাতনে।ভাঙচুর করেছে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কার্যালয়, ব্যাংক এশিয়া, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, সুরসম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ সঙ্গীতায়ন এবং পরিবার ও পরিকল্পনা কার্যালয়ে।

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম জালাল উদ্দিনকে পেটানো হয়েছে। হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলা হয়েছে পুলিশের ওপর।কিশোরগঞ্জেও আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙচুর করেছে তারা। নারায়ণগঞ্জে হামলা হয়েছে সাংবাদিকদের ওপর। ছবি তুলতে গেলেই ছিনিয়ে নেয়া হয় ক্যামেরা, মোবাইল ফোন।