সংলাপে ভোটের পাল্লা ভারী হচ্ছে হাসিনার
এস রহমান : সংলাপে ভোটের পাল্লা ভারী হচ্ছে শেখ হাসিনার। প্রধানমন্ত্রীর এই গনতান্ত্রিক আচরণ কে বাহবা দিচ্ছেন কূটনীতিরাও। ইতিমধ্যে ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ বিভিন্ন বিশ্ব সম্প্রদায় সংলাপের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপের বিষয়ে আন্তরিক এবং সব দলের সাথে সংলাপ করতে চান। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও যুক্তফ্রন্ট ছাড়াও অন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান প্রধানমন্ত্রী। সব রাজনৈতিক জোট কিংবা দলের সঙ্গেই সংলাপে বসতে আগ্রহী সরকার। এখন দেখি কে আগ্রহ দেখায়, কী প্রভাব পড়ে।
মন্ত্রণালয়ে বুধবার ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ম্যারি এ্যানিক বর্ডিন এবং জার্মানির রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোতি এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।বিএনপির সঙ্গে সংলাপ হবে কিনা জানতে চাইলে কাদের বলেন, ‘বিএনপির সঙ্গে সংলাপতো জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপেই কাভার হয়ে যাবে। তাছাড়া সময়ও নেই। আগামী ৪, ৫ কিংবা ৬ তারিখ যদি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়ে যায় তাহলে তো বেশি সময় পাওয়া যাবে না। তিনি বলেন, সংলাপের উদ্যোগকে বিশ্ব সম্প্রদায় স্বাগত জানিয়েছেন।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা আদালত দিয়েছেন, সরকার নয়। সুতরাং এ নিয়ে আলোচনার কিছু নেই।’ আদালতের রায়ের সঙ্গে সংলাপকে মিলিয়ে ফেলা উচিত নয় বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংলাপে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আ ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের দেয়া চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সংলাপে বসতে রাজি হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণভবনে ক্ষমতাশীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের সংলাপ হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া আগামী ২ নভেম্বর বিকল্প ধারার চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট্রের সঙ্গে সংলাপ করবে ক্ষমতাশীন দল। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও সংলাপ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন।



