শাহজালালে-ধরা পড়েনি নায়কের পিস্তল
বিশেষ প্রতিনিধি : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্ক্যানার কি তাহলে ভুয়া? নাকি ওই সময় কারো জন্যে কৌশলগত ভাবে স্ক্যানার ইনএ্যাকটিভ করে রাখা হয়েছিল? তানাহলে নাইন এম পিস্তল নিয়ে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এর লাগেজ দুই দফা তল্লাশিতেও তা কেনো ধরা পড়ল না? শাহজালালের নিরাপত্তার এ হাল নিয়ে চলছে মহা তোলপাড় অবস্থা। প্রশ্ন উঠেছে কার ইশারায় কাজ করছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্ক্যানার?
আর এক ঘটনা যখন ঘটল তখন বহুল আলোচিত বিমান ছিনতাই চেষ্টার ঘটনার তদন্ত চলছে। এঅবস্থায় এবার লাইসেন্স করা পিস্তল নিয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্ক্যানিং মেশিন পার হলেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। দুই দফা তল্লাশির পরও পিস্তল শো করেনি বলে জানান তিনি।মঙ্গলবার নভোএয়ারের ভিকিউ-৯০৯ ফ্লাইটে শাহজালাল বিমানবন্দর হয়ে চট্টগ্রামে যাচ্ছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। এ সময় নিজের অজান্তে তিনি তার ব্যাগে থাকা লাইসেন্স করা পিস্তলটি সঙ্গে নিয়ে আসেন। নভোএয়ারের বুকিং কাউন্টারে গিয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন জানান, তার সঙ্গে ৯ এমএম পিস্তল আর ১০ রাউন্ড গুলি তিনি ভুলে নিয়ে এসেছেন।
বিমানবন্দরের দুরাবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই দফা ব্যাগ ও দেহ তল্লাশি করেছে। কিন্তু কোন কারণে পিস্তলটা শো করল না আমি অবাক হলাম। মনের অজান্তে নিয়ে আসা পিস্তলটির বিষয়ে পরে তিনি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা বিভাগকে জানালে কর্তৃপক্ষ চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকেলে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া দুবাইগামী বিজি-১৪৭ ফ্লাইটে খেলনা পিস্তল নিয়ে উঠে বিমান ‘ছিনতাইয়ের’ চেষ্টা করেন পলাশ আহমেদ নামে এক যুবক। তখন তার সঙ্গে থাকা খেলনা পিস্তলটি ধরা পড়েনি শাহজালালের স্ক্যানিং মেশিনে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।



