• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

রোহিঙ্গা শিবিরে মাদক অস্ত্র ওপেন সিক্রেট


প্রকাশিত: ৫:১৮ পিএম, ৩১ আগস্ট ১৯ , শনিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১২৯ বার

 


আসিফ আকবর : এবার রোহিঙ্গাদের নিয়ে ফেসবুকে মুখ খুললেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী আসিফ আকবর। তিনি বললেন, জাতি হিসেবে আমরা ইস্যু প্রিয়, সেই সঙ্গে বিভক্তও বটে। যারা এই জাতিকে নিয়ে ডিভাইড অ্যান্ড রুলস পদ্ধতিতে খেলেছে, তারা সবসময় সফল হয়েছে। তারা জানে মূল বিষয় থেকে এই জাতির দৃষ্টি সরানো কঠিন কোনো কাজ নয়। যে কোনো সস্তা ইস্যু সামনে তুলে দিতে পারলেই মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল হয়ে উঠবে। এই ফাঁকে শিকারীরা তাদের লক্ষ্য হাসিল করে ফেলবে।

রোহিঙ্গারা জাতিগতভাবে মুসলিম হলেও তাদের অতীত ইতিহাস ভয়ংকর। গত চারশো বছরে তাদের মানুষ করা যায়নি। এই রোহিঙ্গারা যখন দলে দলে ঢোকে, তখন আমাদের আবেগ এতই উথলে উঠেছিল, প্রয়োজনে মিয়ানমারের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা করলেও আপত্তি ছিল না। এরা ঢুকেই খুনোখুনি রাহাজানিতে মত্ত হয়ে নিজেদের আসল চরিত্র মেলে ধরেছে। এরমধ্যে বিশাল সমাবেশ করে স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশের জন্য একটা স্থায়ী হুমকি দিয়ে রাখলো। নিকট অতীতে দেশে এত বিশাল সমাবেশ দেখিনি।

স্ট্যামফোর্ড ভার্সিটিতে একটা অনুষ্ঠানে বক্তব্যে বলেছিলাম- রোহিঙ্গারা কি জিনিস এটা টের পেতে সময় লাগবে না। সেই সময় চলে এসেছে, চীন জাপান ভারত রাশিয়া বাংলাদেশের পক্ষে কোন ভূমিকা রাখছে না। এনজিওগুলোর ব্যবসা চলছে রমরমা, এই ফাঁকে রোহিঙ্গা শিবিরে মাদক আর অস্ত্রের জমজমাট খেলা এখন ওপেন সিক্রেট। তাদের সন্ত্রাসী অপতৎপরতার খবর মিডিয়ায় আশা শুরু হয়েছে। এই সংবাদ দেশের নিরাপত্তার জন্য অশনি সংকেত, আমাদের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। আমরা ব্যস্ত সাময়িক নানা ইস্যু আর কিছু হুজুরদের বক্তব্য ব্যঙ্গ করা নিয়ে আফসোস।

দেশে কোটি কোটি যুবক বেকার, অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার পথে বেঘোরে প্রাণ দিচ্ছে। অথচ পাঁচ লাখ ভারতীয় এদেশে বৈধ-অবৈধ ভাবে কাজ করে তাদের অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখছে। তাদের কাজ তারা করছে, এমন নির্লিপ্ত জাতি পেলে সুবিধা নেবে যে কেউ। আমরা ব্যস্ত আমাদের নিয়ে, সাবেক আধমরা জাতি এখন ফুল মরা জাতি হওয়ার পথে ধাবিত হচ্ছে। একটু আক্ষেপ থেকে লিখলাম। কারো বিরুদ্ধে লিখিনি, এই লেখা বাংলাদেশের পক্ষে। কিছু জিনিস মনে রাখতে হবে- আজাব গজব বিপদ বানের পানিসহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় দলমত ধর্মবর্ণ বিচার করে আসে না। দেশের স্বার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জাতি যতদিন বহুধা বিভক্ত থাকবে, ততদিন পূর্ণাঙ্গভাবে স্বাধীনতা ভোগ করা কোনভাবেই সম্ভব হবে না। জাতির বিভক্তির নেপথ্যের কুশীলবদের নজরবন্দী করার সময় এসেছে।