রেপিস্ট পুলিশদের যাতে মৃত্যুদন্ড হয়
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের রেপিস্ট পুলিশদের যাতে মৃত্যুদন্ড হয় সেই দুই পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করলেই হবেনা ওদের বিরুদ্ধে মাদক আইনেও মামলা করতে হবে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। কিন্তু গত ২৪ ঘন্টায় সে তৎপরতা দেখা যায়নি পুলিশের।ভুক্তভোগীরা জাতিরকন্ঠ কে বলেছেন, সেই দুই পুলিশ কর্তা ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই তরুণীকে ইয়াবা সেবন করিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এক্ষেত্রে তারা যে জঘন্য ‘ইয়াবা ব্যবসায়ী’ তা সহজেই অনুমেয়। আর এজন্য তাদের ধর্ষণ মামলার সঙ্গে ইয়াবা মামলায় শ্যোন এ্যারেস্ট দেখানো হোক। যাতে দুই পুলিশের মৃত্যুদন্ড হয় সে ব্যবস্থা করা উচিত।
ওদিকে আজ মানিকগঞ্জে সাটুরিয়ার ডাকবাংলোয় দুই রাত আটকে রেখে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন- সাটুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেকেন্দার হোসেন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলাম। ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী সোমবার রাতে মামলা করলে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায় তদন্ত কমিটি। এরপরই দুই পুলিশকে গ্রেপ্তার করা হয়।মঙ্গলবার সাটুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণের জন্য ওই তরুণীর মেডিকেল পরীক্ষা রাতেই সম্পন্ন হয়েছে। অপরাধী হলে পুলিশ সদস্য হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’
নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী লিখিত অভিযোগে জানান, সাভারের আশুলিয়া এলাকার তার এক খালা সাটুরিয়া থানার এসআই সেকেন্দারের কাছে প্রায় তিন লাখ টাকা পাবেন। পাওনা টাকা আদায়ে গত বুধবার বিকেলে ওই খালা তাকে নিয়ে সাটুরিয়া থানায় যান।এ সময় এসআই সেকেন্দার তাদের দুজনকে নিয়ে থানাসংলগ্ন সাটুরিয়া ডাকবাংলোতে যান। কিছুক্ষণ পর সেখানে থানার এএসআই মাজহারুল ইসলাম হাজির হন। তরুণী ও তার খালাকে আলাদা কক্ষে আটকে রাখে তারা।
এরপর ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা তরুণীকে ইয়াবা সেবন করিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে। দুইদিন পর শুক্রবার সকালে তরুণী ও তার খালার হাতে পাঁচ হাজার টাকা তুলে দিয়ে সেকেন্দার তাদের সাটুরিয়া থেকে চলে যেতে বলেন। ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে তরুণীকে ক্রসফায়ারের ভয় দেখানো হয় বলেও লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।নির্যাতনের শিকার ওই তরুণী সাভারে ফিরে প্রথমে তার এক পরিচিত সাংবাদিকের কাছে এ ঘটনা জানান। সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে মৌখিকভাবে এ ঘটনা জানার পর মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার শনিবার রাতেই অভিযুক্ত এসআই সেকেন্দার ও মাহারুলকে থানা থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন।



