‘মৃত্যুঞ্জয়ী নেতা’ ফিরছেন রাজনীতিতে
শফিক রহমান : ‘মৃত্যুঞ্জয়ী নেতা’ ফিরছেন আবার রাজনীতিতে। আবার রাজনীতির মাঠ গরম হবে তার কথায়। নেতা নির্দেশনা দিবেন, দেশ গড়তে সকলকে একত্রিত করবেন, উন্নয়নের জোয়ারে দেশ ভাসবে; প্রতিষ্ঠিত হতে থাকবে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা; অপ্রতিরোদ্ধ গতিতে এগিয়ে চলা শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ।আর সেলক্ষ্যেই দীর্ঘ এক মাস সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নেওয়ার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তবে এখনই তিনি দেশে ফিরতে পারছেন না। ফলোআপ চিকিৎসার জন্য আরও কিছুদিন তাকে সিঙ্গাপুরে থাকতে হবে বলে জাতিরকন্ঠ কে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু নাসার রিজভী।
সিঙ্গাপুর থেকে তিনি জানান, শুক্রবার বিকাল ৩টায় মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওবায়দুল কাদেরকে ছাড়পত্র দেয়। উনি শারীরিকভাবে সুস্থ আছেন। উনার হার্ট, ব্লাড প্রেশার, ডায়াবেটিস সবই ভালো আছে। দুই তিন সপ্তাহ পরে পরবর্তী ফলোআপ করে উনি দেশে ফিরে যাবেন। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা আবু নাছের টিপু জানান, হাসপাতালের কাছেই একটি বাসা ভাড়া নেওয়া হয়েছে সেতুমন্ত্রীর জন্য। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আপাতত সেখান থেকেই তার ফলোআপ চিকিৎসা হবে। শুক্রবার হাসপাতাল ছাড়ার আগে মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ডা. ফিলিপ কোহের সঙ্গে ওবায়দুল কাদের কথা বলেন। ৬৭ বছর বয়সী ওবায়দুল কাদের হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ছাড়াও শ্বাসতন্ত্রের জটিল রোগ সিওপিডিতে (ক্রনিক অবসট্রাকটিভপালমোনারি ডিজিজ) ভুগছেন।
এর আগে গত ২ মার্চ সকালে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে ভর্তি হলে এনজিওগ্রামে কাদেরের হৃদপিণ্ডের রক্তনালীতে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর মধ্যে একটি ব্লক স্টেন্টিংয়ের মাধ্যমে অপসারণ করেন চিকিৎসকরা।অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ৪ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেই রাতেই একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসা শুরু করেন মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের চিকিৎসকরা।কয়েকদিন চিকিৎসার পর অবস্থার উন্নতি হলে গত ২০ মার্চ কার্ডিও থোরাসিক সার্জন ডা. শিভাথাসান কুমারস্বামীর নেতৃত্বে কাদেরের বাইপাস সার্জারি হয়। ছয় দিন পর তাকে আইসিইউ থেকে স্থানান্তর করা হয় কেবিনে। ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে তার স্ত্রী ইসরাতুন্নেসা কাদেরও সিঙ্গাপুরে রয়েছেন।



