• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

মুজিব বর্ষে বাড়ি দিয়ে আনন্দিত প্রধানমন্ত্রী


প্রকাশিত: ১:০৫ এএম, ২৪ জানুয়ারী ২১ , রোববার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৩৭০ বার

বিশেষ প্রতিনিধি : মুজিব বর্ষে বাড়ি উপহার দিয়ে আনন্দিত খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, আশ্রয়ণ কেন্দ্রের ঘর প্রদান উপলক্ষে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মুজিব বর্ষে এটি সবচেয়ে বড় উপহার। ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জমি ও ঘর দিতে পেরে আমি নিজেও আনন্দিত।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‌দেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না, মুজিববর্ষে এটাই সবচেয়ে বড় উৎসব। আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রায় ৭০ হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান করছেন। এসময় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমার অত্যন্ত আনন্দের দিন। ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান করতে পারা বড় আনন্দের। আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানুষের কথাই ভাবতেন। আমাদের পরিবারের লোকদের চেয়ে তিনি গরীব অসহায় মানুষদের নিয়ে বেশি ভাবতেন এবং কাজ করেছেন। এ গৃহ প্রদান কার্যক্রম তারই শুরু করা।

নতুন পাওয়া ঘর পাওয়া নীলফামারীর সৈয়দপুরের মোকসেদুল আনন্দে আত্মহারা। বাড়ি পাওযার অনূভূতি সম্পর্কে বললেন, আধা পাকা ঘরটি তাঁর খুব পছন্দ হয়েছে। থাকার কক্ষের সঙ্গে রান্নাঘর। পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থাও ভালো। বিদ্যুৎ আছে। পানি আছে। পরিবার নিয়ে এখন খুব ভালোভাবে থাকতে পারবেন। তার মতোই সারা দেশে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে আধা পাকা ঘর দিয়েছে সরকার। এ ছাড়া ৩৬টি উপজেলায় ৭৪৩টি ব্যারাক নির্মাণের মাধ্যমে আরও ৩ হাজার ৭১৫টি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মুজিব বর্ষের উপহার হিসেবে ৬৯ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে আজ জমিসহ ঘর দিয়েছে সরকার।

সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় তাঁকে প্রকল্প সম্পর্কে অবহিত করেন সৈয়দপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাসিম আহমেদ। একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী এক উপকারভোগীর সঙ্গে কথা বলেন।
আকলিমা নামের এক উপকারভোগী প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, মোর জায়গা-জমি ছিল না। তোমরা ঘর দিছেন, জমি দিছেন। স্বামী-সন্তান নিয়্যা সুখে থাকিম। মুই খুব খুশি হইছোং।অনুষ্ঠান চলাকালে প্রধানমন্ত্রীকে রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত একটি ভাওয়াইয়া গান শোনান স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মীরা।