• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

৮৪ মিনিটে সমতায় জিতল বাংলাদেশ!


প্রকাশিত: ১১:০৩ পিএম, ৩ জুন ২১ , বৃহস্পতিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২১৭ বার

মোহাম্মদ রুবেল কাতার থেকে : এ যেন ৮৪ মিনিটে সমতায় জিতল বাংলাদেশ! বাংলাদেশের বদলি খেলোয়াড় মানিক হোসেন, মোহাম্মদ আবদুল্লাহ নামার পর কাতার স্টেডিয়াম যেন বদলে গেল। গতি বেড়ে গেল বাংলাদেশের আক্রমণের। এই গতিতে তপু বর্মণ সামনে এলেন গতি আরো বেড়ে যায়। এরপর সেই ৮৪ মিনিটে বাংলার ভাগ্য বদল করল তপু। সেণ্টার ব্যাকের তপুর দৃঢ়তার গোলে ১-১- সমতায় ফেরে বাংলাদেশ। এ উল্লাস মুখে চুমু এঁকে দৌড়াচ্ছেন তপু বর্মণ। তাঁর পেছনে যেন দৌড়াচ্ছে পুরো বাংলাদেশ দল।

দোহার জসিম বিন হামাদ স্টেডিয়ামে তপুর ডান পায়ের শটটা যখন জালে জড়াল তখন উল্লসিত গোটা বাংলাদেশই। বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের যৌথ বাছাইপর্বের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হলেও , এ ড্রয়ের আনন্দ জয়ের মতোই। এই ড্রয়ে বাছাইপর্বে পয়েন্ট একটি বাড়লেও (২) অবস্থান সেই সবশেষেই।

প্রথমার্ধটা গোলশূন্য ড্র। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৮ মিনিটে এগিয়ে যায় আফগানিস্তান। ডানপ্রান্ত থেকে আহমেদ নাজিমের বাড়ানো পাসে বক্সের মধ্যে বাম পায়ের শটে গোলটি করেন আমির শরিফি। এর পরে বাকিটা সময় দুর্দান্ত খেলেছে বাংলাদেশ। বদলি হিসেবে মানিক হোসেন , মোহাম্মদ আবদুল্লাহরা নামার পর বাংলাদেশের আক্রমণের গতি বেড়ে যায়। ৮৪ মিনিটে সেণ্টারব্যাকের তপুর সমতায় ফেরে বাংলাদেশ।

বিশ্ব ফুটবলে ১৪৯ নাম্বারে অবস্থান করছে আফগানিস্তান আর বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৪। প্রথমার্ধের মাঠের খেলায় আফগানদের এগিয়ে থাকাটা স্পষ্ট। তবে ম্যাচে বলের দখলে আফগানরা এগিয়ে থাকলেও প্রতি আক্রমণে লড়াইটি ভালোই চালিয়ে যাচ্ছিল বাংলাদেশ। আর দ্বিতীয়ার্ধে আফগানদের চেপে ধরেছিল।

২০১৯ সালে দুশানবেতে বাছাইপর্বের প্রথম পর্বের ম্যাচে ১-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। প্রায় দুই বছর পর আজকের ফিরতি ম্যাচে সেই ম্যাচের একাদশ থেকে খেলছেন কেবল ডিফেন্ডার রহমত মিয়া, মিডফিল্ডার জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা এবং উইঙ্গার বিপলু আহমেদ। এই ম্যাচে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হয়েছে ফিনল্যান্ড প্রবাসী তারিক কাজীর। তিনি প্রথমার্ধে যা খেললেন, তাতে ২০ বছর বয়সী এ ডিফেন্ডারকে বাংলাদেশের খেলার ধরনটা যেন বদলে দিয়েছে। তারিক কাজীর মতো আরো ৪টা খেলোয়াড় হলে বাংলাদেশ অতি দ্রুতই বিশ্ব ফুটবলে জায়ড়া করে নেবে। কাতারের অনেক ফুটবল বোদ্ধাই এ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জাতিরকন্ঠ প্রতিনিধির কাছে।