• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

মহিবুল্লাহকে গুলি করেছে আরসা সন্ত্রাসী মাষ্টার রহিম


প্রকাশিত: ৮:৪২ পিএম, ৩০ সেপ্টেম্বর ২১ , বৃহস্পতিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১৬৫ বার

কক্সবাজার প্রতিনিধি : রোহিঙ্গা নেতা মহিবুল্লাহকে গুলি করেছে ‘আরসা’ সন্ত্রাসী গোষ্ঠির মাস্টার আবদুর রহিম । তার নেতৃত্বে বন্দুকধারীদের দলে ছিল মুর্শিদ, লালুসহ আরো ২০/২৫ জন।এরা অতর্কিতভাবে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) এর অফিসে ঢুকে মহিবুল্লাহ কে গুলি করলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এদিকে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ মুহিবুল্লাহ নিহতের ঘটনায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এদিকে প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে হত্যার রোমহর্ষক ঘটনা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা অনলাইন দৈনিক জাতিরকন্ঠ কে জানিয়েছেন, সন্ত্রাসীরা কোনো সুযোগই দেয়নি মুহিবুল্লাহকে। পাঁচ রাউন্ড গুলি করলে তিন রাউন্ড গুলি সরাসরি তার বুকে লাগে। এতে তার মৃত্যু হয়। নিহতের স্বজনরা জানান, এশার নামাজের পর ক্যাম্পে নিজ অফিসে বসা ছিলেন মুহিবুল্লাহ। এ সময় অজ্ঞাতনামারা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে তাকে এমএসএফ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান, উখিয়া কুতুপালংয়ের লম্বাশিয়া ক্যাম্পে এশার নামাজ শেষ করে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) এর অফিসে অবস্থানকালে একটি বন্দুকধারী দল আমার ভাইয়ের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে। ওই অফিসে কর্মরত অন্যান্যদের মারধর করে ছেড়ে দিলেও ভাইয়ের বুকে গুলি চালায়

তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের যেকোনো সমস্যা সমাধানের জন্য আমার ভাই এগিয়ে আসতেন। তাদের অধিকার আদায়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেছিলেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে ঘাতকদের শাস্তির দাবি জানান তিনি। এর আগে, বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে কুতুপালং লম্বাশিয়া ক্যাম্পে গুলি করে হত্যা করা হয় এই আলোচিত রোহিঙ্গা নেতাকে। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (৮ এপিবিএন) পুলিশ সুপার (এসপি) শিহাব কায়সার খান প্রাথমিকভাবে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে মুহিবুল্লাহর লাশ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে আনার পর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়। লাশের সঙ্গে ছিলেন নিহতের ভাই হাবিবুল্লাহ, চাচাতো ভাই নুরুল আমিনসহ স্বজনরা। রোহিঙ্গা নেতা নিহতের ঘটনায় ক্যাম্পগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এপিবিএন পুলিশ কুতুপালংসহ অন্যান্য ক্যাম্পগুলোতে টহল দিতে দেখা গেছে।