• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

বিমান হাইজ্যাকার সোনারগাঁওয়ের পলাশ কে?


প্রকাশিত: ১:৩১ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৯৯ বার

 

এস রহমান/ প্রদীপ শীল : বিমান হাইজ্যাকার সোনারগাঁওয়ের পলাশ কে-তা নিয়ে চলছে নানা রহস্য। কে এই পলাশ কি তার পরিচয়?
সোনারগাঁওয়ের কেউ তাকে তেমন চিনেনা। তবে চেহারা দেখে অনেকে চিনেছে। যা নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এর আগে জানা গিয়েছিল চট্টগ্রামের বিমান হাইজ্যাকারের নাম ছিল মাহদী। কিন্তু চট্টগ্রামের ওই বিমান হাইজ্যাকার এর নাম মাহদী নয় ।

তার প্রকৃত নাম পলাশ আহমেদ। সে র‌্যাবের তালিকাভুক্ত অপরাধী। র‌্যাব তাদের সংরক্ষিত ক্রিমিনাল ডাটাবেজ অনুযায়ী তারা জাতিরকন্ঠ কে বলেছে, নিহতের নাম পলাশ আহমেদ। এ্ডি সেই হাইজ্যাকার যে ঢাকা থেকে দুবাইগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ছিনতাইয়ের চেষ্টা করছিল রবিবার বিকেলে।

র‌্যাব জানায়, ক্রিমিনাল ডাটাবেইজ অনুযায়ী নিহত বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টাকারীর নাম পলাশ আহমেদ। তার আঙুলের ছাপ অনুসন্ধানে র‌্যাব ক্রিমিনাল ডাটাবেইজ থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। র‌্যাব আরও জানায়, পলাশের বাবার নাম পিয়ার জাহান সরদার। তার স্থায়ী ঠিকানা নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে। সে বিমানের ফ্লাইটটিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যাচ্ছিল। বিমানের যাত্রী তালিকা অনুযায়ী নাম উল্লেখ ছিল AHMED/MD POLASH। সে সিট নম্বর ১৭-এ তে বসেছিল।
তবে সে কী ধরনের অপরাধী ছিল তা এখনও নিশ্চিত করেনি র‌্যাব।

এর আগে রোববার বিকেলে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া দুবাইগামী বিজি-১৪৭ ফ্লাইটটি এক অস্ত্রধারী যুবক ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। পরে বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে উড়োজাহাজটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। বিমান ছিনতাই চেষ্টাকারী সন্দেহভাজন অস্ত্রধারীকে ধরতে কমান্ডো অভিযান পরিচালিত হয়। এরপর ছিনতাইকারীর নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে রুদ্ধশ্বাস এই অভিযান শেষ হয়। ফ্লাইটটিতে ১৩৪ জন যাত্রী ও ১৪ জন ক্রু ছিল।

জানা গেছে, কালকে পর্যন্ত জানা যাচ্ছিল ওই যুবকের নাম মাহাদী। তবে র‌্যাব আজ জানাল তার নাম পলাশ আহমেদ। ঠিক কী কারণে ওই যুবক বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টা চালিয়েছিল তা এখনও অস্পষ্ট। সে ক্রুদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে বারবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিল। তবে পাইলট ও ক্রুরা সুকৌশলে বিমানটি চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করায়।

তবে রোববার মধ্যরাতে চট্টগ্রাম মেট্রেপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মাহবুবার রহমান জানান, নিহত বিমান ছিনতাইকারী মাহাদীর কাছে পাওয়া পিস্তলটি ছিল খেলনার। এ ছাড়া তার সঙ্গে আর কোনো বিস্ফোরক ছিল না।গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল

নাইম হাসান বলেছিলেন, ‘আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পারি স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদের জের ধরে সো-কলড ছিনতাইকারী বিমানটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলতে চেয়েছিলেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিমানটির খবর আমরা জানতে পেরে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করি। পিএম অফিসেও আমরা কথা বলি। পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী আমাদের কিছু নির্দেশনা দেন, সেই নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হয়।’