‘বিচারপতি খায়রুল হক গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন’

স্টাফ রিপোর্টার : ‘বিচারপতি খায়রুল হক গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন; গণতন্ত্র হত্যার জন্য সাবেক বিচারপতির এ বি এম খায়রুল হককে দায়ী করে গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, গণতন্ত্র হত্যার জন্য তার প্রকাশ্যে বিচার হওয়া উচিত। তিনি বলেন, একজন মানুষ খুন করলে তার ফাঁসি হয়, যাবজ্জীবন হয়। কেউ গণতন্ত্র হত্যা করলে, গণতন্ত্রকে কবরস্থ করলে তার কী শাস্তি হওয়া উচিত? সেই ব্যক্তি বিচারপতি খায়রুল হক। প্রকাশ্যে তার বিচার হওয়া উচিত। সে জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তাকে আজীবন জেলখানায় দেখতে চাই।
পেশাজীবীদের উদ্দেশ্য জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, পেশাজীবীদের আওয়াজ উঠাতে হবে। এই অনাচার-অত্যাচার আমরা আর সহ্য করব না। জীবনের শেষ ক্ষণে আছি, তা হলেও আমরা ভীত নয়। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। তিনি বলেন, দুইদিন আগে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের জেনারেল ওসমানীর জন্মবার্ষিকী ছিল। আমরা এতটা নিমকহারাম যে একটা বড় দলও তার জন্মবার্ষিকী পালন করেনি। এমন কি মুক্তিযোদ্ধারও। আরেকজন সিনিয়র মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ অসুস্থ হয়েছেন। আপনারা তার জন্য দোয়া করবেন। উনি যেনো সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন।
শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে ‘রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে পেশাজীবিদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও বাংলাদেশ পেশাজীবি অধিকার পরিষদের কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।পেশাজীবি অধিকার পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ বেলালীর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.আসিফ নজরুল, ডাকসু’র সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ব্যারিষ্টার শিহাব উদ্দিন, নবাব সিরাজ উদ্দৌলার উত্তরসূরি নবাব আব্বাসউদ্দৌলা, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক আহবায়ক রাশেদ খান, যুব অধিকার পরিষদের আহবায়ক আতাউল্লাহ, শ্রমিক অধিকার পরিষদের আহবায়ক আব্দুর রহমান প্রমুখ।
স্টাফ রিপোর্টার : ‘বিচারপতি খায়রুল হক গণতন্ত্রকে হত্যা করেছেন; গণতন্ত্র হত্যার জন্য সাবেক বিচারপতির এ বি এম খায়রুল হককে দায়ী করে গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, গণতন্ত্র হত্যার জন্য তার প্রকাশ্যে বিচার হওয়া উচিত। তিনি বলেন, একজন মানুষ খুন করলে তার ফাঁসি হয়, যাবজ্জীবন হয়। কেউ গণতন্ত্র হত্যা করলে, গণতন্ত্রকে কবরস্থ করলে তার কী শাস্তি হওয়া উচিত? সেই ব্যক্তি বিচারপতি খায়রুল হক। প্রকাশ্যে তার বিচার হওয়া উচিত। সে জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছে। তাকে আজীবন জেলখানায় দেখতে চাই।
পেশাজীবীদের উদ্দেশ্য জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, পেশাজীবীদের আওয়াজ উঠাতে হবে। এই অনাচার-অত্যাচার আমরা আর সহ্য করব না। জীবনের শেষ ক্ষণে আছি, তা হলেও আমরা ভীত নয়। আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। তিনি বলেন, দুইদিন আগে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়কের জেনারেল ওসমানীর জন্মবার্ষিকী ছিল। আমরা এতটা নিমকহারাম যে একটা বড় দলও তার জন্মবার্ষিকী পালন করেনি। এমন কি মুক্তিযোদ্ধারও। আরেকজন সিনিয়র মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ অসুস্থ হয়েছেন। আপনারা তার জন্য দোয়া করবেন। উনি যেনো সুস্থ হয়ে ফিরে আসেন।
শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে ‘রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে পেশাজীবিদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও বাংলাদেশ পেশাজীবি অধিকার পরিষদের কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।পেশাজীবি অধিকার পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ বেলালীর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.আসিফ নজরুল, ডাকসু’র সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ব্যারিষ্টার শিহাব উদ্দিন, নবাব সিরাজ উদ্দৌলার উত্তরসূরি নবাব আব্বাসউদ্দৌলা, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক আহবায়ক রাশেদ খান, যুব অধিকার পরিষদের আহবায়ক আতাউল্লাহ, শ্রমিক অধিকার পরিষদের আহবায়ক আব্দুর রহমান প্রমুখ।



