• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

বকাউল্লা মন্ত্রী শোনাউল্যা রাজউক ঘুমে?


প্রকাশিত: ৭:৫০ পিএম, ১ এপ্রিল ১৯ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১১০ বার

বিশেষ প্রতিনিধি : এ যেন বকাউল্লা মন্ত্রী শোনাউল্যা রাজউক ঘুমে? তা না হলে মন্ত্রী বলে যাচ্ছেন অথচ পেছনেরা যেন শোনাউল্ল্যাহ’র মতো ঘুমে আছেন! সরকার যখন অগ্নি দূর্ঘটনা নিয়ে ব্যতিব্যস্ত তখন রাজউকের এই ঘুমের রহস্য নিয়ে তদন্ত’ও জরুরী। কারণ, তাদের সরকারের সঙ্গে মাথাব্যথা শুরু হয়নি। এই রহস্যটার মধ্যেই রয়েছে দুর্নীতি। ঢাকায় বিদ্যমান ভবনগুলোতে অন্যায় এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম যখন রাজউক কর্মকর্তাদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছিলেন তখন তার পেছনে দুই কর্মকর্তা ঘুমাচ্ছিলেন। আজ রোববার রাজউক ভবনে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) যৌথভাবে আয়োজিত এক বৈঠকের পর মন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রাজউকের কর্মকাণ্ড নিয়ে যখন চারদিকে সমালোচনা চলছে-এমন সময় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে রাজউকের ওই কর্মকর্তাদের ঘুমানোর দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ হাস্যরসের জন্ম দিয়েছে।বিষয়টি টেলিভিশন ক্যামেরার লাইভে দেখা দেখার পর এ সময় ক্যামেরাম্যানরা অন্য কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেন যেন কেউ গিয়ে ওই কর্মকর্তার ঘুম ভাঙান।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মন্ত্রীর পেছনে ঘুমানো রাজউকের এক কর্মকর্তার নাম আজহারুল ইসলাম খান। তিনি রাজউকের একজন সদস্য (এস্টেট ও ভূমি)। অন্যজনের নাম..?

সংবাদ সম্মেলনে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, রাজধানীর কোন এলাকায় কোন বিল্ডিং পরিকল্পনা পরিপন্থী হয়েছে; নকশা, অনুমোদন, বিল্ডিং কোড মানা হয়নি- এমন হাইরাইজ বিল্ডিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে রাজউকের ২৪টি টিম মাঠে নামছে। এর আগে মন্ত্রী রেজাউল করিম ও রাজউক চেয়ারম্যান আব্দুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও রাজউকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠক করেন।সম্প্রতি রাজধানীতে অগ্নিকাণ্ডের সংখ্যা বেড়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার বনানীর এফআর টাওয়ারের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট ২৬ জন নিহত হন। আহত হন ১২০ জন। তাদের মধ্যে ৫৬ জন রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণের পর অন্যরা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।