ফের হাইকোর্টের স্টিকার জালিয়াতি

হাইকোর্ট রিপোর্টার : এবার হাইকোর্টের স্টিকার জালিয়াতি নিয়ে তোলপাড় চলছে। একই সিরিয়ালের স্টিকার একাধিক আইনজীবীর কাছে বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেছেন আইনজীবীরা।এর আগে ২০১৬ সালেও জালিয়াতি ধরা পড়লেও কোনো তদন্ত হয়নি। এ ব্যাপারে সফটওয়ার কোম্পানির সঙ্গে কথা বলা হলেও তারা কোনো বক্তব্য দেননি।সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি বলছে, বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে একটি কমিটি জালিয়াতি তদন্তে কাজ করছে। তদন্তে প্রমাণ হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে নেয়া হবে ব্যবস্থা।
জানা গেছে, সর্বোচ্চ আদালতে মামলা করতে হলে আইনজীবী সমিতির একটি স্টিকার নিতে হয়। গড়ে প্রতিদিন এ স্টিকার বিক্রি হয় ১০০০ হাজার। যা বিক্রি করে বছর শেষে আয় হয় ১৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এ টাকার অধিকাংশ ব্যয় হয় সমিতি ও আইনজীবীর কল্যাণে। বাকিটা পায় সরকার। গত ১০ বছর ধরে সমিতির ভেতরে কয়েকটি দোকান নিয়ে এ স্টিকার দিয়ে আসছে ছিদ্দিক এন্টার প্রাইজ নামে একটি সফটওয়্যার কোম্পানি। সম্প্রতি একই সিরিয়ালে ৫টি স্টিকার পাওয়ায় সমিতিকে জানায় এক আইনজীবী। এরপর আসতে থাকে স্টিকার জালিয়াতির একেরপর এক অভিযোগ। সমিতির সম্পাদকের ধারণা এ জালিয়াতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সিদ্দিক এন্টার প্রাইজ।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমিতির ব্যরিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত সফটওয়্যারে কতটা প্রিন্ট হয়েছে তার একটা ডাটা আছে। কিন্তু আল্টিমেটলি আমাদের খাতায় তো একটা এন্ট্রি হয়েছে, সেই একটার টাকা আমরা পেয়েছি। অতিরিক্ত কতটি প্রিন্ট হয়েছে প্রাথমিক তদন্তে তার কোনো ডাটাতো পাওয়া যায়নি।’সুপ্রিম কোর্টের বার সভাপতি অ্যাডভোকেট এম আমিন উদ্দিন বলেন, তদন্তে প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।



