• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

ফেরিঘাটগুলিতে উপছে পড়া যাত্রী-শুক্রবার কঠোর লকডাউন


প্রকাশিত: ১১:০৭ পিএম, ২২ জুলাই ২১ , বৃহস্পতিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২৪৪ বার

বিশেষ প্রতিনিধি/ শিমুলিয়া প্রতিনিধি : ফেরিঘাটগুলিতে উপছে পড়া যাত্রী। আজ বৃহস্পতিবার সকালে আর বাড়ছে না শিথিলতার মেয়াদ; ২৩ জুলাই থেকেই ‘কঠোর বিধি-নিষেধ’ শুরু হচ্ছে এ তথ্য নিশ্চিত হয়ে উপছে পড়া ভিড় ছিল ফেরিঘাটগুলিতে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঢাকাগামী যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে সব ঘাটে। ঢাকায় ফিরতে যাত্রীদের মধ্যে এক ধরনের তাড়াহুড়ো লক্ষ্য করা গেছে।

শিবচর বাংলাবাজার ঘাটে ঢাকামুখী অধিকাংশ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আরও দুই/একদিন পর থেকে লকডাউন দিতে পারত সরকার। ঈদের পরের দিনই ছুটতে হচ্ছে ঢাকায়। শুক্রবার খোলা থাকলেও ধীরে-সুস্থে যাওয়া যেত।ফেরিঘাট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নৌরুটে ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। নৌরুটে ঢাকাগামী যানবাহনের চাপ বেড়েছে। বেশির ভাগই প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল। নৌরুটে স্রোত বেশি থাকায় ফেরি চলাচলে সময় বেশি লাগছে। ফলে ঘাটে গাড়ির চাপ বেশি। ঢাকাগামী যাত্রী ইকবাল চৌধুরী বলেন, শুক্রবার ভোর থেকে আবারো কঠোর লকডাউন শুরু হচ্ছে। দুপুরের খাবার খেয়েই রওনা দিয়েছি। আসলে খুব তাড়াহুড়া পরে গেছে। ঈদের আগের দিন এসেছি। আবার পরের দিনই যেতে হচ্ছে।

এদিকে আগামীকাল ২৩ জুলাই সকাল থেকে ফেরিতে যাত্রীবাহী সব ধরনের গাড়ি ও যাত্রী পরিবহন বন্ধ থাকবে । কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপার করা হবে।বিআইডব্লিউটিসি গত ৯ জুলাই এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।পূর্বঘোষিত তারিখ অনুযায়ী আগামীকাল ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়ে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে কঠোর বিধিনিষেধ। এ সময় সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। সড়ক, রেল ও সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া সব ধরনের শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে।

আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন-কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন/বিক্রয়, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদান কার্যক্রম, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলী, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রম, সিটি করপোরেশন/পৌরসভা (পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়কের বাতি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কার্যক্রম), সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, ফার্মেসি ও ফার্সাসিউটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে যাতায়াত করতে পারবে।