• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

পাহাড় ফের রক্তাক্ত ‘ব্রাশফায়ারে’ নিহত৫


প্রকাশিত: ১০:৫০ পিএম, ৪ মে ১৮ , শুক্রবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১৪৪ বার

জুয়েল আহমেদ  :  পাহাড় ফের রক্তাক্ত এবার ‘ব্রাশফায়ারে’ নিহ হলো ৫জন।  রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পার্বত্য চট্টগ্রাম pahar-www.jatirkhantha.com.bd----জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) নেতা শক্তিমান চাকমা খুন হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই আরো ৫জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেন। শক্তিমান চাকমার অন্ত্যোষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে শুক্রবার দুপুরে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করা হয়। ওই হামলায় আরও আটজন আহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফের গণতান্ত্রিক) আহ্বায়ক তপনজ্যতি চাকমা বর্মা, জনসংহতি সমিতির সহযোগী সংগঠন যুব সমিতির (এমএন লারমা) মহালছড়ি শাখার সভাপতি সুজন চাকমা, সদস্য তনয় চাকমা, যুব সমিতির (এমএন লারমা) সদস্য রবিন চাকমা এবং মাইক্রোবাসের চালক সজীব।

রাঙামাটি জেলার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জাহাঙ্গীর আলম জাতিরকন্ঠকে বলেন, ‌‌‌‘ঘটনাস্থলে তিনজন আর হাসপাতালে নেওয়ার পর দুজন মারা যান। আহতেদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’ তবে এই হামলা কারা করেছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।

জনসংহতি সমিতির নেতা বিভুরঞ্জন চাকমা বলেন, ‘শুক্রবার খাগড়াছড়ি থেকে শক্তিমান চাকমার অন্ত্যোষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে মাইক্রোবাসে করে যাচ্ছিলেন সংগঠনের ১২ জন নেতা কর্মী। মাইক্রোবাসটি বেতছড়ি এলাকায় তাদের গাড়িতে ‘ব্রাশফায়ার’ করা হয়। এসময় ঘটনাস্থলেই ৩ জন মারা যায় এবং হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান আরো ২ জন।আহতদের মধ্যে আটজনকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর চারজনকে ভর্তি করে বাকি চারজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠানো হয়।

এর আগের দিন বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে যাওয়ার পথে গুলি করে  হত্যা করা হয় শক্তিমান চাকমাকে।তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি ছিলেন।  তিনি ২০১০ সালে  সন্তু লারমার নেতৃত্বধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি থেকে পদত্যাগ করে জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) দলে যোগ দিয়েছিলেন।

অন্য দিকে নিহত তপনজ্যোতি চাকমা বর্মা ইউপিডিএফ থেকে বেরিয়ে গিয়ে নতুন দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) দলীয় প্রধান ছিলেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাহাড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত কয়েক মাসে বিভিন্ন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নেতা খুন, অপহরণের মতো ঘটনা ঘটছে একের পর।