• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

পরকীয়া’র বলি ফরিদপুরে জোড়া খুন!


প্রকাশিত: ৩:০২ পিএম, ৭ মে ১৮ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১৫০ বার

বিশেষ প্রতিনিধি :  ফরিদপুরে জোড়া খুনের নেপথ্যে কে তা নিয়ে চলছে নানা রহস্য! কেন কারা এই হত্যাকান্ড ঘটালো তা নিয়ে faridpur marder-www.jatirkhantha.com.bd - Copyঅনুসন্ধান শুরু হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পরকীয়া প্রেমের আলামত পেয়ে ঘটনার নেপথ্যে তৃতীয় কেউ জড়িত রয়েছে বলে সন্দেহ করছেন ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ওসি এফএম নাসিম।

তিনি আজ সোমবার দুপুরে জাতিরকন্ঠ কে জানান, নারী অধ্যাপকের লাশ মিলেছে ব্যাংক কর্মকর্তার ফ্ল্যাটে। আর নারী অধ্যাপিকার ফ্ল্যাট এর দরজা হালকা খোলা ছিল। সন্দেহ করা হচ্ছে তৃতীয় ব্যক্তি নারী অধ্যাপিকার স্বামী। তিনি সকল কর্মকান্ড ঘটিয়ে সটকে পড়েছিলেন।

পুলিশ জানায়, ফরিদপুরে এক ব্যাংক কর্মকর্তার বেডরুম থেকে তার ও এক নারী বিসিএস কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ফারুক হাসান সোনালী ব্যাংক হেড অফিসের প্রিন্সিপাল অফিসার। তবে তিনি ফরিদপুর শহর শাখার সোনালী ব্যাংকের অফিসার হিসেবে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন। নিহত নারী বিসিএস (২৯তম) কর্মকর্তার নাম সাজিয়া বেগম। তিনি ফরিদপুর সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক।

জানা যায়,সাজিয়া বেগম দুই ছেলে নিয়ে ফারুক হাসানের ফ্লাটের পাশের ফ্লাটে থাকতেন। তার স্বামী ঢাকায় ব্যবসা করেন। তাদের বাড়ি রাজধানীর সূত্রাপুর থানার বানিয়া নগর এলাকায়। তারা ১ বছর আগে এই বাসা ভাড়া নেন।  আর ব্যাংক কর্মকর্তা ফারুক হাসান ১ মাস আগে ভাড়া নেন। ১ মাস আগে বাসা ভাড়া নিলেও তিনি থাকতেন না। দুই দিন আগে তিনি বাসায় এসে উঠেছেন।

রোববার (৬ মে) রাত ১১টার দিকে শহরের দক্ষিণ ঝিলটুলি এলাকায় ফারুক হাসানের কক্ষ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফরিদপুর কোতয়ালী থানার অফিসাররা বলেন, বাড়ির মালিক পুলিশকে খবর দিলে আমরা লাশ উদ্ধার করি। দক্ষিণ ঝিলটুলি এলাকার নুর ইসলামের দ্বিতল বাড়ির নিচ তলার একটি ফ্লাট থেকে লাশ দুইটি উদ্ধার করা হয়।

শিক্ষিকার লাশ দরজার পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় এবং ব্যাংক কর্মকর্তার লাশ ফ্যানের হুকের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত কলেজ শিক্ষিকার স্বামী শেখ শহিদুল ইসলাম জানান, বিকাল ৪টার দিকে স্ত্রীর সাথে শেষ কথা হয়। তখন সে জানায় বাসায় আসছে। এর পর রাত হয়ে গেলেও বাসায় না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু করি, তার কলিগদের জানাই। কোথায় খুঁজে না পেয়ে থানায় জানাই।

তবে  শিক্ষিকার স্বামী শেখ শহিদুল ইসলাম মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে ওসি জানিয়েছেন। তাকে এই হত্যা মামলায় গ্রেফতার করার প্রস্তুতি চলছে।