• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

নজরদারী নেই বাজারে দামে আগুন দগ্ধ ক্রেতা


প্রকাশিত: ১০:৫৯ পিএম, ৪ জুন ২১ , শুক্রবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২২২ বার

স্টাফ রিপোর্টার : নজরদারী নেই বাজারে দামে আগুন দগ্ধ ক্রেতা। বাজেট পাশ না হতেই আজ শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পণ্যের দামে যেন আগুন অবস্থা। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণার পরদিন থেকেই চালের বাজারে ফের ঊর্ধ্বগতি। এতে বিস্মিত বিক্রেতারাও। বাজেটে চালের ওপর কর অপরিবর্তিত থাকায় দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই; অন্যদিকে চলছে ভরা মৌসুম। সবকিছুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কেজিতে এক থেকে দুই টাকা বেড়েছে মিনিকেট ও আটাশ চালের দাম। তবে অপরিবর্তিত আছে নাজির শাইলের দাম।

নতুন করে দুশ্চিন্তায় ফেলেছে পেয়াঁজ। ঈদের পর পেঁয়াজের যে দাম ছিল তার থেকে ২০ থেকে ২৫ টাকা বেড়ে কেজিতে দোকানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কারওয়ান বাজারে। পাইকারি বাজারে প্রতিপাল্লা বিক্রি হচ্ছে ২৩০ থেকে ২৫০ টাকায়। এ ছাড়া রসুন প্রকারভেদে ১০০ থেকে দেড়শ টাকা ও আদা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

একদিনের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ডিমের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। একডজন ডিম এতদিন ৮৫ থেকে ৯০ টাকা বিক্রি হলেও গতকাল থেকে সেটি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।তরকারির বাজারও বাড়তি দুশ্চিন্তা যোগ করেছে ক্রেতাদের মাঝে। তাদের অভিযোগ; বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম চাচ্ছেন। এ নিয়ে বচসা লক্ষ্য করা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাঝে।মাছের বাজারে বাড়তি দামের অভিযোগ থাকলেও গরু ও খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। মুদি পণ্যগুলোরও দাম আগের মতোই আছে। তবে শুক্রবার হলেও কারওয়ান বাজারের পাইকারি দোকানগুলো ছিল একপ্রকার ক্রেতাশূণ্য।

এ বিষয়ে কারওয়ান বাজারের পাইকারি চাল ব্যবসায়ী আলী হোসেন জাতিরকন্ঠ কে বলেন, দাম বাড়ার কোনো কারণ জানি না। আমরা ক্রয় করছি বেশি দামে তাই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। মুদি দোকানদার আব্দুল আলীম বলেন, দুদিন আগে থেকে ফার্মের ডিম ডজনপ্রতি ৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেটি আজ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া সয়াবিন তেল, পেঁয়াজের দামও বেড়েছে।

এদিকে চালের পাশাপাশি দাম বেড়েছে আটা ও ময়দার। ৩২ থেকে ৩৪ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া এক প্যাকেট আটার দাম বেড়ে এখন ৩৪ থেকে ৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্যাকেট ময়দার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৬ টাকায়, যা আগে ছিল ৪২ থেকে ৪৪ টাকার মধ্যে।চাল ও আটার সঙ্গে ক্রেতাদের বাড়তি অর্থ গুণতে হচ্ছে সয়াবিন ও পামতেলের জন্য। লুজ সয়াবিন তেলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা, যা গত শুক্রবার ছিল ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকার মধ্যে। আর পাম সুপার বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকায়, যা আগে ১১৫ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছিল।

পেঁয়াজের দাম দুই দফায় কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। গত শুক্রবার ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। এর সঙ্গে বেড়েছে রসুনের দাম। আমদানি করা রসুনের দাম বেড়ে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে, যা গত শুক্রবার ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে ছিল। একইভাবে বাজারে মসুর ডালের দাম কেজিপ্রতি পাঁচ টাকা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।