• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

নকল মাস্ক ক্রিমিনাল জেএমআই রাজ্জাক দুদকের খাঁচায় রিমান্ডে


প্রকাশিত: ৭:৩১ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০ , মঙ্গলবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৪৯০ বার

বিশেষ প্রতিনিধি : নকল মাস্ক ক্রিমিনাল জেএমআই রাজ্জাক অবশেষে দুদকের খাঁচায়। নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারকৃত জেএমআই চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক কে রিমান্ডে নিয়েছে দুদক। মঙ্গলবার শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।দুদক জানায়, করোনা মহামারিতে ২০ হাজার নকল এন-৯৫ মাস্ক আসল দেখিয়ে ১০টি হাসপাতালে সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে জেএমআই’র চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় ওষুধাগারের কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশে তিনি এই কাণ্ড ঘটান বলে অভিযোগ করা হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আবদুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করে বলে জাতিরকন্ঠ কে নিশ্চিত করেন সংস্থাটির পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

এর আগে আজ মঙ্গলবার আবদুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে দুদকের উপ-পরিচালক মো. নুরুল হুদা মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন- কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) সাবেক উপ-পরিচালক ডা. জাকির হোসেন, সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. শাহজাহান, ডেস্ক অফিসার জিয়াউল হক ও সাব্বির আহমেদ, স্টোর অফিসার কবির আহমেদ ও জ্যেষ্ঠ স্টোর কিপার মো. ইউসুফ ফকির।কোভিড–১৯ এর চিকিৎসার সরঞ্জাম কেনায় দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে জুলাই মাসে আবদুর রাজ্জাককে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। তিনিসহ আরও কয়েকজনকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ওই নোটিশে দুদক জানিয়েছিল, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে কোভিড-১৯-এর চিকিৎসার জন্য নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জামাদি ক্রয় ও বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।নোটিশে আরও বলা হয়েছিল, একে অন্যের যোগসাজশে তারা কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলেন।