• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

‘দেশে আমরাও এক সময় তৈরি করব যুদ্ধবিমান’


প্রকাশিত: ১১:৩১ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২১ , মঙ্গলবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৩২২ বার

বিশেষ প্রতিনিধি : নতুন নতুন সমরাস্ত্র কিনে বিমান বাহিনীকে আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে আমরাও এক সময় তৈরি করব যুদ্ধবিমান। মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে নতুন নতুন সমরাস্ত্র কিনে বিমান বাহিনীকে আধুনিকায়নে সরকার কাজ করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুটি স্কোয়াড্রনকে জাতীয় পতাকা প্রদান অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি। এসময় দেশের আকাশসীমা নিরাপত্তায় বাহিনীকে সদা জাগ্রত ভূমিকা পালনের নিদের্শ দেন সরকার প্রধান।

এর আগে যশোরের বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ঘাঁটিতে বিমান বাহিনীর ১১ স্কোয়াড্রনকে অন্যন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য এবং সফল আক্রমাত্মক স্কোয়াড্রন হিসেবে ২১ স্কোয়াড্রনকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বাহিনীর প্রধান জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়। পরে অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার বিমান বাহিনীকে যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে। এই বাহিনী এখন ভূমি থেকে আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ চালাতে সক্ষম। বাংলাদেশে একসময় যুদ্ধ বিমান তৈরি করতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। সে জন্য যথাযথ প্রশিক্ষণ ও গবেষণা চালানোর উদ্যোগ নিতে বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান সরকার প্রধান।

জাতীয় পতাকা পাওয়া বিমান বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় পতাকা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করা গৌরব ও সম্মানের। এ পতাকার মান রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। আমি মনে করি, আপনারা এই মর্যাদা রক্ষা ও দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকবেন। তিনি আরও বলেন, বিশ্বায়নের যুগে যেকোনো দেশের জন্য পেশাদার বিমান বাহিনী অপরিহার্য। আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনী গড়তে আমরা ফোর্সেস গোল বাস্তবায়নে কাজ করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারিতে আমাদের সব স্থবির হয়ে গেছে। অনেক কিছু করতে পারি না। তবে সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছি। প্রতিটি মানুষকে ঘর দিচ্ছি। তাদের ঘর আলোকিত করছি। কেউ গৃহহীন থাকবে না। অন্ধকারে থাকবে না।তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করেছি। প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান ১০০ করেছি। বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করবো।