• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

ডাক্তার সাবধান:অসুস্থতার মিথ্যাসনদ দিলে জেল-


প্রকাশিত: ৬:১৩ পিএম, ১৬ জুলাই ১৮ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১০৮ বার

 

বিশেষ প্রতিনিধি :  মানসিক স্বাস্থ্য আইন-২০১৮-এর খসড়ার চূডান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার তেজগাঁওয়ে 111প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন আইনে কোনো চিকিৎসক উদ্দেশ্যমূলক মানসিক অসুস্থতার মিথ্যা সনদ দিলে জেল-জরিমানার বিধান যুক্ত করা হচ্ছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) এন এম জিয়াউল আলম সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ১৯১২ সালের একটি আইনকে হালনাগাদ করে নতুনভাবে বাংলায় রূপান্তর করে এই আইন করা হচ্ছে।

সচিব বলেন, বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা সংক্রান্ত নাগরিকদের মর্যাদা সুরক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া, সম্পত্তির অধিকার ও নিশ্চিতকরণ, পুনর্বাসন ও সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতে একটি যুগোপযোগি আইন প্রণয়নের অংশ হিসেবে এই আইন করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত আইনে ৩১টি ধারা রয়েছে উল্লেখ করে জিয়াউল বলেন, নতুন আইনে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক সব কার্যক্রম পরিচালনা, উন্নয়ন, সম্প্রসারণ, নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়ের দায়িত্ব সরকারের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

সচিব বলেন, মানসিক অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তির দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা প্রদান এবং এ সংক্রান্ত সংক্ষুব্ধতায় প্রতিকারের লক্ষ্যে মানসিক স্বাস্থ্য রিভিউ মনিটরিং কমিটি গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্য চিকিৎসাবিষয়ক হাসপাতাল স্থাপন, পরিচালনা ও মানসম্মত সেবা দেওয়ার বিষয়েও খসড়া আইনে প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

জিয়াউল আলম আরও জানান, মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় পেশাজীবী হিসেবে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি মানসিক অসুসস্থতা নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক মিথ্যা সনদ দিলে তিন লাখ টাকা জরিমানা, এক বছর কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। অভিভাবক বা ব্যবস্থাপক মানসিক অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা বা সম্পত্তির তালিকা প্রণয়ন বা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে অবহেলা বা আদালতের কোনো নির্দেশ বাস্তবায়ন না করলে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।সচিব জানান, কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীনে কোনো বিধান না মানলে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, ছয় মাস কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।