• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

টেস্টকে ওয়ানডে বানিয়ে ডুবলো টাইগাররা!


প্রকাশিত: ৪:৪৯ পিএম, ৬ নভেম্বর ১৮ , মঙ্গলবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১১৯ বার

আর এইচ মানব: টেস্ট খেলার মেজাজ এখনও বুঝতে পারছে না বলেই ফের একটি টেস্ট ম্যাচ হারলো টাইগাররা। আজ সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের যে ভরাডুবি ঘটলো তার প্রধান কারণ টাইগাররা টেস্টকে ওয়ানডের মাঝে গুলিয়ে ফেলছে। আজ মঙ্গলবার দেশের অষ্টম এবং বিশ্বের ১১৬তম ভেন্যু হিসেবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফুটেছে টেস্ট ফুল। জাঁকজমকপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে অভিষেক ঘটে এ মাঠের। ঐতিহাসিক প্রথা মেনে ঘণ্টা বাজিয়ে উদ্বোধন ঘোষণা করেন সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান।তবে ক্রিকেটের অভিজাত সংষ্করণে সেখানে বাংলাদেশের অভিষেকে বাজেভাবে হারলো টাইগাররা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় দেড় দিন আগে এবং ১৫১ রানের বিশাল ব্যবধানে হার বাংলাদেশের কেউ’ই মানতে পারছে না ।

দেখা গেছে, টেস্ট ফরম্যাটটা এক সেশনে ভালো খেললেও পরের সেশনে তা ধরে রাখতে পারেনি টাইগাররা। আবার উল্টোটিও ঘটেছে। প্রথম সেশনে বাজে খেললে দ্বিতীয় সেশনে ঘুরে না দাঁড়িয়ে হুড়মুড় করে গুটিয়ে গেছে। টেস্ট খেলতে যে মেজাজ-মর্জির দরকার সেটা বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে নেই। এজন্য ঘরোয়া ক্রিকেটকে দায়ী করা যেতে পারে। এখানে তিনদিন বা চারদিনের যে ম্যাচগুলো খেলা হয়-তার মান অতি নিম্ন। বৈচিত্র্যপূর্ণ বোলিং আক্রমণের মুখোমুখি হতে হয় না ব্যাটসম্যানদের। টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ফরম্যাটের মেজাজ থেকে বের হতে পারছেন না টাইগাররা। এ দুই ফরম্যাটে তেড়েফুঁড়ে মারার যে প্রবণতা তা টেস্টেও করছেন তারা।

সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ফরম্যাটে অতি আত্মবিশ্বাসী ক্রিকেট খেলছে বাংলাদেশ। সেই আত্মবিশ্বাসই টেস্টে কাল হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কারণ, লংগার ভার্সনে আত্মবিশ্বাসটা অন্যরকম হওয়া দরকার। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটের আদি ফরম্যাটে যাচ্ছে তাই অবস্থার কারণে কম শক্তির জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারল টাইগাররা।

সিলেট টেস্টে চতুর্থ ইনিংসে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৩২১ রান। ইতিহাস বলছে, এ রান তাড়া করে জিততে হলে অসাধ্য সাধন করতে হতো টাইগারদের। গড়তে হতো অনন্য রেকর্ড। নিজেদের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড নজির স্থাপন করতে হতো। আগের রেকর্ডটি ছিল ২১৫। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এ রান তাড়া করে জেতে টিম বাংলাদেশ।কিন্তু তারপরও টাইগাররা অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েও জিততে পারলো না।