• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

চালের বাজার গরমে দায়ী কে?


প্রকাশিত: ২:২১ এএম, ২৭ ডিসেম্বর ২০ , রোববার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৩৫৪ বার

বিশেষ প্রতিনিধি : চালের গরম বাজার থামছে না। ঊর্ধ্বমুখী চালের দাম নিয়ন্ত্রণে
সরকারের কোনো ফর্মূলা কাজে লাগছে না রহস্যজনক কারণে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। বাজারে দাম বেশি থাকায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আমন চালও সংগ্রহ করতে ব্যর্থ সরকার। একদিকে মানুষের ভোগান্তি, অন্যদিকে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের হাতিয়ার খাদ্য মজুত কমে গিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে চালের বাজার নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। আজ রোববার (২৭ ডিসেম্বর) ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন মন্ত্রী।

শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সুমন মেহেদী বলেন, চালের বাজার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে সরকারি পদক্ষেপগুলো নিয়ে মন্ত্রী (খাদ্যমন্ত্রী) সংবাদ সম্মেলন করবেন। আগামীকাল (রোববার) বেলা সাড়ে ১১টায় অনলাইনে জুম অ্যাপের মাধ্যমে এ সংবাদ সম্মেলন হবে।কিছুদিন ধরে দেশের চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী। আমনের ভরা মৌসুম হলেও গরিবের মোটা চালের কেজি ৫০ টাকায় পৌঁছেছে। চাল কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

বাজারে চালের দাম বেশি হওয়ায় সরকারের আমন সংগ্রহ কর্মসূচি ব্যর্থ হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে কমছে সরকারি মজুতও। এ পরিস্থিতিতে বাজার সামাল দিতে আমদানিতে নেমেছে সরকার।গত বছরের তুলনায় এবার সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত অর্ধেকে নেমেছে। খাদ্য অধিদফতরের গত ২৪ ডিসেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি খাদ্যশস্যের মোট মজুত ৭ লাখ ৪৬ হাজার ৩৫০ টন, এর মধ্যে চাল ৫ লাখ ৪২ হাজার ৬০ টন এবং গম ২ লাখ ৪ হাজার ২৯০ টন।

গত বছর একই সময়ে মোট মজুতের পরিমাণ ছিল ১৩ লাখ ৮৬ হাজার ২৮০ টন, এর মধ্যে চাল ১০ লাখ ৫৯ হাজার ৬০ টন এবং গম ৩ লাখ ২৭ হাজার ২২০ টন।
গত ২৮ অক্টোবর খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় চলতি আমন মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ২৬ টাকা কেজি দরে ২ লাখ মেট্রিক টন ধান কেনার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ৩৭ টাকা কেজি দরে ৬ লাখ টন সেদ্ধ চাল এবং ৩৬ টাকা কেজি দরে ৫০ হাজার টন আতপ চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।কিন্তু বাজারে ধান চালের দাম অনেক বেশি হওয়ায় সংগ্রহ কা্র্যক্রমে কোনো অগ্রগতি নেই। সরকারি গুদামে ধান-চাল দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না কৃষক ও মিল মালিকরা। খাদ্য অধিদফতরের ২৩ ডিসেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, ৩০৬ টন ধান, ১৩ হাজার ৫৬৭ টন সেদ্ধ চাল ও ৪৪৮ টন আতপ চাল সংগ্রহ করা হয়েছে।