• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

খালেদার সাজা নিয়ে ফের তুলকালাম


প্রকাশিত: ৬:৫৬ পিএম, ২৮ মার্চ ১৮ , বুধবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১০৮ বার

কোর্ট রিপোর্টার :  জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছর সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা আরও কেন বাড়ানো হবে না-তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক রিভিশন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এই রুল জারি করেন।রাষ্ট্র ও খালেদা জিয়াকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। রুলের ওপর শুনানি হবে খালেদা জিয়ার করা আপিলের সঙ্গেই।
khalada-www.jatirkhantha.com.bd
আদালত আদেশে বলেছেন, দুদক আইনে সাজার রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে এ ধরনের রিভিশন বা আপিল দুর্নীতি দমন কমিশন করতে পারে কি না-  তা  ব্যাখা ও আলোচনার দাবি রাখে।আদালতে দুদকের রিভিশন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান। আর খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন প্রমুখ।

বিদেশ থেকে এতিমদের জন্য আসা অর্থ আত্মসাতের মামলার রায়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হলেও বয়স ও সামাজিক মর্যাদা বিবেচনা করে খালেদা জিয়াকে ১০ বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর সাজা দেওয়া হলো।

এ মামলায় তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ আসামি প্রত্যেককে দশ বছর করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেয়া হয়। ওইদিনই খালেদা জিয়াকে পুরানো ঢাকার সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। তিনি সেখানেই আছেন।এরপর বিচারিক আদালতের রায় স্থগিত চেয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করেন খালেদা জিয়া। শুনানি শেষে নিম্ন আদালত থেকে মামলার মূল নথি আসার পর হাইকোর্ট বেঞ্চ ১২ মার্চ শারিরীক অবস্থা বিবেচনাসহ চার যুক্তিতে খালেদা জিয়াকে চার মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন দেন। একই সঙ্গে এই সময়ের মধ্যে আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক তৈরি করতে বলা হয়।

ওই জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে পরদিন দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে যান। এরপর প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বিভাগ ১৯মার্চ শুনানি করে আপিলের অনুমতি (লিভ টু আপিল) দেন। একই সঙ্গে দুদক, রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষকে মামলার সার সংক্ষেপ দাখিলের নির্দেশ দিয়ে শুনানির জন্য আগামী ৮মে দিন নির্ধারণ করেন।

ওই সময় পর্যন্ত খালেদা জিয়ার জামিন স্থগিত করা হয়।পরে গত ২৫মার্চ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল করা হয়। ওইদিন দুদকের এ আইনজীবী বলেছিলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্র দুর্নীতির মামলায় প্রধান আসামি খালেদা জিয়ার সাজাটা অপর্যাপ্ত মনে করে দুদক।