• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

ক্রিকেটার নাসিরের বউয়ের তোলপাড় বিয়ে কেলেংকারি


প্রকাশিত: ১১:৪১ পিএম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২১ , শনিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ৪৫৫ বার

বিশেষ প্রতিনিধি : ক্রিকেটার নাসিরের বউ তামিমা তাম্মি নিয়ে তোলপাড় চলছে। ইতিমধ্যে নাসিরের বউয়ের বিরুদ্ধে জিডি করেছেন এক স্বামী। খবর বেরিয়েছে আরো এক স্বামীর। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করেন আলোচিত ক্রিকেটার নাসির হোসেন। পরে ১৯ ফেব্রুয়ারি হয়েছে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। অভিযোগ উঠেছে তামিমা তাম্মি আগের স্বামীকে তালাক না দিয়েই নাসিরকে বিয়ে করেছেন। ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তামিমার স্বামী দাবিকারী রাকিব। তিনি উত্তরা থানায় নাসিরের বিরুদ্ধে একটি জিডিও করেছেন।স্বামী মো. রাকিব হাসানকে তালাক না দিয়েই জাতীয় দলের নাসির হোসেনের সঙ্গে বিয়ে করেছেন তামিমা তাম্মি। এমন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। নতুন তথ্য হচ্ছে, রাকিব-নাসির ছাড়াও ওপর একজনের সঙ্গে ছয় মাস সংসার করছেন তিনি। এমটাই দাবি করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে করা রাকিবের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) কপিতে।

বৃহস্পতিবার রাতে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি জিডি করেন রাকিব। জাতিরকন্ঠ কে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস। জিডির নম্বর ১৩/২৬। এতে উল্লেখ আছে, ২০১১ সালে বিবাদীর সঙ্গে (তামিমা তাম্মি) বিয়ে করি। দাম্পত্য জীবনে আমাদের একটি মেয়ে রয়েছে।বিবাদী অন্য এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। ছয় মাস সংসার করার পর ফিরে আসে। আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেছিলেন, আর কোনও দিন এমন হবে না। মেয়ের দিকে তাকিয়ে আমিও তাকে ক্ষমা করে দেই। ১৪/২/২০২০ ছবি ভাইরাল হলে আমি জানতে পারি ক্রিকেটার নাসিরের সঙ্গে বিয়ে করেছেন তিনি।

জিডি করার কারণ উল্লেখ করে রাকিব বলেন, সংসার জীবনে বিবাদীর কাছে অনেক টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার রাখা আছে। এমনকি আমাকে তালাকও দেননি। টাকা ও অলঙ্কার চাইলে বিবাদী আমাকে ক্ষতি করবে বলে হুমকি দিয়েছেন। আপাতত কোনও মামলা করবেন না বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সূত্র জানায়, তামিমা ছয় মাস যে ছেলের সঙ্গে সংসার করেছেন ওই ছেলের নাম অলক। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া অডিওতে এই ছেলের বিষয়েই কথা হয়েছে নাসির ও রাকিবের সঙ্গে। এদিকে ১০ বছর আগে রাকিবের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল তামিমার। নিকাহ নামায় উল্লেখ করা আছে ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ৩ লাখ টাকা দেন মোহরে বিয়ে হয় তাদের।

তামিমার বিষয়টি ফেসবুকের মাধ্যমে সবার সামনে নিয়ে আসেন রাইসা ইসলাম বাবুনি। তিনি জানান, মো. রাকিব হাসানকে পারিবারিকভাবে চেনেন তিনি। তাকে সহায়তা করতে প্রমাণসহ সব কিছু পোস্ট করেছেন। ওদিকে ১৪ ফেব্রুয়ারি উত্তরায় একটি রেস্তোঁরায় দুই পরিবারের উপস্থিতিতে আকদ হয় নাসিরের। ১৭ ফেব্রুয়ারি তাদের হলুদে উপস্থিত হয়েছিলেন জাতীয় দলের হয়ে খেলা অনেকেই। রাকিব পেশায় ব্যবসায়ী। তামিমা সৌদিয়া এয়ারলাইন্সে কেবিন ক্রু হিসেবে কাজ করেন। অলকের পরিচয় জানা যায়নি।এ সম্পর্কে নাসিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তার বড় ভাই নাসিম হোসেন বলেছেন, সব কিছু নাসির শিগগির মিডিযায় জানাবেন। একটু অপেক্ষা করুন।