• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

কোনো লিকেজ ছিলনা:বিমান প্রতিমন্ত্রী


প্রকাশিত: ৮:৪৮ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯ , সোমবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১০৮ বার

স্টাফ রিপোর্টার : বিমানে হাইজ্যাকার প্রসঙ্গে বিমান প্রতিমন্ত্রী বললেন, কোনো লিকেজ ছিলনা; কলিগদের থেকে জানলাম বিমান হাইজ্যাক হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারের কথা বললাম। প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলে দেখলাম তিনি ঘটনাটি জানেন।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ‘বিমান ছিনতাই চেষ্টা’র ঘটনা নিয়ে স্পষ্ট কিছুই বলেননি বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি। এছাড়া মাহাদীর কাছে খেলনা নাকি আসল পিস্তল ছিল, সেটি নিয়ে কীভাবে সে বিমানে উঠলো তাও নিশ্চিত করতে পারেননি মন্ত্রী।তবে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ত্রুটি নেই মন্তব্য করেছেন তিনি।

বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা নিয়ে সোমবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী, সচিব মহীবুল হক, সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এম নাঈম হাসান।সংবাদ সম্মেলনে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কলিগদের থেকে জানলাম বিমান হাইজ্যাক হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা জোরদারের কথা বললাম। প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলে দেখলাম তিনি ঘটনাটি জানেন। কমান্ডো প্রসিড করতে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি (পিএম)সার্বক্ষণিক পুরো বিষয়টি মনিটর করেছেন।পরে জানলাম সবাই নিরাপদে রয়েছে। আজকেও আমরা পুরো বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করেছি। সাংবাদিকরাও পুরো বিষয়টি দেখেছেন।বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, এখানে এমন কোনও লিকেজ ছিল না বা নেই যে একজন যাত্রী এভাবে বিমানে যেতে পারেন।

তাহলে অস্ত্রটা ভেতরে গেলো কীভাবে-এ প্রশ্নের জবাবে বিমান সচিব মহীবুল হক বলেন, ‘সেটা অস্ত্র কিনা আমরা ওয়াকিবহাল না। খেলনা পিস্তল কিনা… যেকোনও কিছু হতে পারে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে এটা নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারবো।তিনি বলেন, ‘আমরা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখেছি অন্য ১০ জন যাত্রীর মতো তাকেও তল্লাশি করা হয়েছিল। তার কাঁধে একটা ব্যাগ ছিল। সে স্ক্যানিং মেশিনের ভেতর দিয়ে গিয়েছে, কিন্তু সেখানেও কিছু দেখা যায়নি।বিমান ছিনতাইয়ে গঠিত তদন্ত কমিটি পাঁচ দিনের মধ্য তদন্ত প্রতিবেদন দেবে বলে জানিয়েছেন সচিব।সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এম নাঈম হাসান বলেন, “বিমান থেকে সবাই বেরিয়ে যাওয়ার পর ‘সো কলড’ হাইজ্যাকার বিমানে একাই ছিল। আমরা সেদিন অনেক কিছুই শুনেছি। তদন্ত প্রতিবেদনে পুরো বিষয়টি বিস্তারিত জানা যাবে।”

বিমানে গুলি বিনিময় হয়েছে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এয়ারক্রাফটে গুলি বিনিময় হলে তার চিহ্ন থাকতো। আমরা কোনও চিহ্ন কোথাও পাইনি। খেলনা পিস্তলেও শব্দ হয়। যাত্রীরা শব্দ শোনার কথা বলেছেন। তদন্ত না করে পিস্তল আসল নাকি নকল বলা যাবে।’এই ধরনের ঘটনায় যারা বিমানবন্দরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে তাদের মধ্যে কোনও সমন্বয়হীনতা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে বিমান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কীভাবে যাত্রীরা যায় আপনারা দেখেছেন কোনও ধরনের ক্ষয়-ক্ষতি ছাড়া এই ধরনের ঘটনা থেকে আমরা উদ্ধার হয়েছি। সংস্থাগুলোর মধ্যে কোনও ধরনের সমন্বয়হীনতা নেই।’