• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

কে মারল পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রীকে!


প্রকাশিত: ৩:০৯ পিএম, ১১ সেপ্টেম্বর ২১ , শনিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২০৬ বার

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : কে মারল পুলিশ কনস্টেবল এর স্ত্রী বিলকিস আক্তার কে? তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। মানিকগঞ্জ শহরের একটি ফ্লাট থেকে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর হাত-পা ও মুখ বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকাল ৯টার দিকে শহরের রিজার্ভ ট্যাংক এলাকার ওই ফ্ল্যাট থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। ঘটনা সম্পর্কে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ভাস্কর সাহা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিহত পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর নাম বিলকিস আক্তার (৩০)। তার স্বামী পুলিশ কনস্টেবল মো. মাসুদ রানা গাজীপুরের পুলিশ লাইনসে কর্মরত আছেন। বিলকিস আক্তার মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বরটিয়া ইউনিয়নের শ্রীবাড়ি গ্রামের মাজেদ আলীর মেয়ে। পুলিশ সদস্য মাসুদ রানা মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের পারুরিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে।ফ্ল্যাট মালিক কিতাবউদ্দিন ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত আগস্ট মাসে পুলিশ কনস্টেবল মাসুদ রানা জেলা শহরের রিজার্ভ ট্যাংক এলাকার পাঁচ তলাবিশিষ্ট ভবনের নিচ তলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন। সেখানে তার স্ত্রী ও দুই শিশুসন্তান থাকলেও তিনি গাজীপুরে কর্মস্থলে থাকেন।

তবে ওই পুলিশ সদস্য মাঝে মধ্যে ছুটি পেলে বাসায় আসতেন। নিহত নারীর বড় ছেলের বয়স ১৩ আর মেয়ের বয়স ৮ বছর।ফ্ল্যাট মালিক আরও বলেন, শনিবার সকাল ৯টার দিকে রিজার্ভ ট্যাংক এলাকায় ওই ফ্ল্যাটের কক্ষের ভেতর থেকে ওই নারীর দুই শিশুর কান্না শুনে তিনি ভেতরে যান। এরপর কয়েকজন প্রতিবেশী হাত-পা এবং মুখ বাঁধা এবং গলায় কাপড় পেঁচানো অবস্থায় অপর একটি কক্ষে খাটে পড়ে তাকে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি তিনি পুলিশকে জানান।সকাল ১০টার দিকে সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। এরপর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ গোলাম আজাদ খান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ভাস্কর সাহা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দুপুরের দিকে পুলিশ ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।