• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

কে গিল্টি তা তদন্তে মিলবে-কামরুল নাক গলাচ্ছে কেন?


প্রকাশিত: ৩:২৭ পিএম, ১৫ মার্চ ১৮ , বৃহস্পতিবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ১১৩ বার

বিশেষ প্রতিনিধি :  নেপালে আসলে কি ঘটেছিল এর নেপথ্যে কি, কার কারণে দূর্ঘটনা ঘটলো  এবং কে গিল্টি তা তদন্তে মিলবে অথচ এ ঘটনায় ইউএস বাংলার পিআর কামরুল us-bangla-kamrul-www.jatirkhantha.com.bdনাক গলাচ্ছে কেন? এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে মিডিয়া কর্মীদের কাছে। নেপাল ট্রাজেডি’র ঘটনায় কে গিল্টি-তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা নানা অনুসন্ধান। ব্ল্যাকবক্স এর তথ্যে অনুসন্ধানের আগেই পাইলটের অডিও ফাঁস হয়ে গেছে অনলাইনে।

কে ফাঁস করলো ? তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধে উঠেছে। কিন্তু তার আগে দফায় দফায় প্রেসব্রিফিং দিয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করছে ইউএস-বাংলার জিএম (মার্কেটিং সাপোর্ট অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) কামরুল ইসলাম। অনেক ক্ষেত্রে সেই কামরুল মিডিয়াকে ধমকের সুরে কথা বলছে। আজ বৃহস্পতিবার সেই কামরুল মিডিয়াকে বলেছেন, দুর্ঘটনার পর থেকে অনেক সময় অনেকেই নানা বিভ্রান্তিমূলক কথা বলছেন।

nepal-us bangla-www.jatirkhantha.com.bd.19ধারণার ওপর ভিত্তি করে কোনো মন্তব্য করে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করবেন না। কামরুল ইসলাম আরো দাবি করে বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি আমাদের পাইলট, এয়ারক্রাফটের কোনো প্রবলেম ছিল না। গতকাল (বুধবার) নেপাল সিভিল এভিয়েশনের মহাপরিচালকও বক্তব্য দিয়েছেন যে -ইউএস-বাংলার কোনো সমস্যা ছিল না। এছাড়া বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যানও গতকাল (বুধবার) সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, পাইলট, এয়ারক্রাফটের কোনো প্রবলেম ছিল না।’

মি. কামরুল ভুলে গেছেন, তিনি মালিকের লোক। মালিকের নির্দেশ মতো তিনি বুলি আওড়াচ্ছেন। তাছাড়া যেখানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই তদন্ত কমিটি যখন এখনো কোনো তথ্য দেননি যে কে গিল্টি সেখানে কামরুলের এতো মাথাব্যাথার কারণ নিশ্চয়ই তদন্তের দাবি রাখে। কারন, কামরুল মালিকের লোক। তার মালিককে বাঁচাতেই সে ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করতে পারে।
nepal-us bangla-www.jatirkhantha.com.bd.25
এদিকে বিমান দুর্ঘটনায় আহত শেহরিন আহমেদকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে  দেশে আনা হচ্ছে। আজ বিকেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করানো হবে। এছাড়া আহত আরেকজন ডা. রেজুয়ানুল হককে গতকাল (বুধবার) এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
কামরুল দাবি করেন, নেপাল রুটে আমাদের ফ্লাইট সাময়িক স্থগিত রাখা হয়েছে।

তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি নয়, পরবর্তীতে আবার রি-শিডিউল করা হবে। অন্যদিকে এয়ারক্রাফট, যাত্রী, কেবিন ক্রু সবারই ইন্সুরেন্স করা আছে দেশি এবং বিদেশি দুটি প্রতিষ্ঠানে। তবে বর্তমানে আমাদের নিজস্ব খরচেই সবকিছু বহন করছি।গত সোমবার (১২ মার্চ) ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস ২১১ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর দুর্ঘটনায় পতিত হয়।