কার ইশারায় ৮ অপ্রাপ্ত বয়স্ক টিকা পেল বিএসএমএমইউ’তে!

মেডিকেল রিপোর্টার : কার ইশারায় কিসের জোরে ৮ অপ্রাপ্ত বয়স্ক কোভিড-১৯ টিকা পেল বিএসএমএমইউ’তে! তা নিয়ে তোলপাড় চলছে। বলাবলি হচ্ছে-এটা কি অলৌকিক ক্ষমতা, নাকি মামুর জোর নাকি কোনো ‘ক্ষমতাবান’ নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে স্নেহের সন্তানকে করোনা থেকে রক্ষা করতে ৮ অপ্রাপ্ত বয়স্ক কে টিকা পাইয়ে দিল?
ঘটনাটি সম্পর্কে মুখে যেন কুলুপ আঁটলেন বিএসএমএমইউ’র টিকাকেন্দ্রের দায়িত্বরত চিকিৎসক উপ-পরিচালক খোরশেদ আলম। ঘটনার প্রেক্ষাপটে তিনি আমতা আমতা শুরু করলেন। বোঝাই যাচ্ছিল তিনি কারো যেন আজ্ঞাবহ!! তারপরও তিনি জাতিরকন্ঠ কে বলেন, ঘটনাটি আমি শুনলাম। আসলেই কি ঘটেছে? আমি এখনও জানিনা। তবে আমিও এই মাত্র লক্ষ্য করলাম। দেখে জানাচ্ছি।
গত কয়েক দিন থেকে আবারও নতুন করে টিকাদান শুরু হয়েছে। এদিকে যেখানে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কিছু পেশার লোকজন ছাড়া ৪০ বছরের নিচে সাধারণ কোনো নাগরিক টিকার জন্য নিবন্ধনই করতে’ই পারবেন না সেখানে আজ কয়েকজন অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরী কে টিকা নিতে দেখা গেছে। শনিবার দুপুরে (৩ জুলাই) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) টিকাকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিনে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এখানে আজ ছয় থেকে আটজন অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরীকে ফাইজারের টিকা দিতে দেখা গেছে। তথ্যর ভিত্তিতে বিষয়টি জাতিরকন্ঠ”র মেডিকেল রিপোর্টার নজরদারি শুরু করেন। সরেজমিনে দেখা গেছে, এক মহিলা ও দুই পুরুষ গার্ড দিয়ে এই অপ্রাপ্ত বয়স্কদের টিকা দানের বিষয়টি নজরদারি করছেন। এরা নিজেদের উদ্যোগে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের টিকা দান কেন্দ্রে প্রবেশ করিয়ে বাইরেও পরিস্থিতি নজরদারি করছিলেন। অপ্রাপ্ত বয়স্কদের এই টিকা দানের পরে গার্ড প্রদানকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্ঠা করা হলে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করে বেরিয়ে যান। অপ্রাপ্ত বয়স্করা কীভাবে টিকা নিল সেটা জানতে চাইলে বিএসএমএমইউ ভিসি ফোন ধরেননি।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পরিচয় গোপন করে কয়েকজন টিকাদান কর্মকর্তা বলেন, প্রভাবশালী পরিবারের কয়েকজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক কিশোর কিশোরী টিকা নিচ্ছে জোর করেই। উপর মহল থেকেও তাদের টিকা দেযার বিষয়ে তদবির করেছে াামরা নিরুপায়-চাকরী বাঁচাতে…।



