একের পর এক পোড়া লাশ:নিহত-২০
বিশেষ প্রতিনিধি : তল্লাশি অভিযানে একের পর এক পোড়া লাশ বেরুচ্ছে বনানীর ফারুক রূপায়ণ (এফ আর) টাওয়ারে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। আজ বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। আর আহতের সংখ্যা ৭০ জন বলে জানা গেছে। ফারুক রূপায়ণ (এফ আর) টাওয়ারে লাগা ওই অগ্নিকাণ্ড সন্ধ্যার দিকে নিয়ন্ত্রণে আসে। এর পর ভবনটির বিভিন্ন ফ্লোরে প্রবেশ করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। আর এতেই বের হতে থাকে একের পর লাশ।এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্থাপিত ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম থেকে রাত সাড়ে আটটার দিকে নিহতের সংখ্যা ২০ ও আহতের সংখ্যা ৭০ বলে জানিয়েছে। দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
বনানীর আগুনের ঘটনায় নিহত একজনের নাম আবদুল্লাহ আল ফারুক। ছেলেকে হারিয়ে আহাজারি করছেন বাবা মকবুল আহমেদ। বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরমান আলীর বক্তব্য থেকে নিহতদের মধ্যে সাতজনের নাম জানা গেছে। তাঁরা হলেন, পারভেজ সাজ্জাদ (৪৭), আমেনা ইয়াসমিন (৪০), মামুন (৩৬), শ্রীলঙ্কার নাগরিক নিরস চন্দ্র, আবদুল্লাহ আল ফারুক (৩২), মাকসুদুর (৬৬) ও মনির (৫০)।পুলিশ সূত্রে থেকে জানানো গেছে, আমেনা মারা গেছেন অ্যাপোলো হাসপাতালে। পারভেজ সাজ্জাদ বনানী ক্লিনিকে, নিরস চন্দ্র কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এবং মামুন, মাকসুদুর ও মনির ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা গেছেন। এ ছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন আবদুল্লাহ আল ফারুক।
লাশের সন্ধানে এফ আর টাওয়ারে-
ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জাতিরকন্ঠ কে জানান, ভবনের ভেতর আরও লাশ পড়ে আছে। তবে কতজন থাকতে পারেন তা সঠিকভাবে বলতে পারছেন না তারা। তবে ধারণা করছেন,ভেতরে যারা থাকতে পারেন তারা মৃত।ওই কর্মকর্তা বলেন, সন্ধ্যা ৭টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এখন ভেতরে সার্চিং শুরু করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা পৌঁনে একটার দিকে ২২ তলা বিশিষ্ট ওই ভবনটিতে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্থাপিত বনানী থানার কন্ট্রোল রুম থেকে জানানো হয়েছে, আমেনা মারা গেছেন অ্যাপোলো হাসপাতালে। পারভেজ সাজ্জাদ বনানী ক্লিনিকে, নিরস চন্দ্র কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এবং মামুন, মাকসুদুর ও মনির ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা গেছেন। এ ছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন আবদুল্লাহ আল ফারুক।



