• রোববার , ২৬ জুলাই ২০২৬

ইউএনও কে মেরেছে ৩যুবলীগার


প্রকাশিত: ৭:০০ পিএম, ৪ সেপ্টেম্বর ২০ , শুক্রবার

নিউজটি পড়া হয়েছে ২৬২ বার

বিশেষ প্রতিনিধি : অবশেষে ইউএনওকে মারধরের ঘটনা স্বীকার করলো ৩ যুবলীগার। র‍্যাব-১৩ এর জিজ্ঞাসাবাদে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলার কথা স্বীকার করে। আটক হওয়া যুবলীগের তিন নেতাকর্মীকে র‍্যাব-১৩ এর জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে। আজ ৪ সেপ্টেম্বর র‍্যাব-১৩ এর অপারেশন অফিসার আবু বকর সিদ্দিক জাতিরকন্ঠ কে এসব তথ্য জানিয়েছেন। এই তিনজনকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। আজ সন্ধ্যা ৭টার দিকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পুরো ঘটনাটা তারা জানাবেন।

এর আগে গত বুধবার মধ্যরাতে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি ভবনে ঢুকে হামলা চালায় দুষ্কৃতিকারীরা। ঘটনার পর পরই তদন্তে নামে র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ দল। বৃহস্পতিবার দিনাজপুর ডিবি গোয়েন্দা পুলিশ ইউএনও’র বাসভবনের নৈশ প্রহরী পলাশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।এরপর গোপন খবরের ভিত্তিতে ঘোড়াঘাট থেকে জাহাঙ্গীর ও মাসুদ রানা নামে আরও দু’জনকে এবং সন্দেহভাজন প্রধান আসামী আসাদুল হককে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি সীমান্ত এলাকা থেকে আটক করা হয়। নৈশ প্রহরী পলাশ ছাড়া বাকি তিনজনকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হয়।

এদিকে এই ঘটনার পর বেরিয়ে আসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেয়া জাহাঙ্গীর আলম যুবলীগের আহ্বায়ক, আসাদুল হক যুবলীগের সদস্য এবং মাসুদ রানা ঘোড়াঘাট সিংড়া ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা। এরমধ্যে দিনাজপুর জেলা যুবলীগ মাসুদ রানাকে বহিস্কার করেছে এবং কেন্দ্র থেকে বাকি দুইজনকে বহিস্কার করা হয়েছে। বুধবার এ ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামি করে ঘোড়াঘাট থানায় মামলা করেন ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ভাই।

হামলার পর গতকাল ভোরের দিকে ওয়াহিদা খানম এবং তার বাবা ওমর আলী শেখকে উদ্ধার করে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ওয়াহিদা খানমকে রংপুর কমিউনিটি মেডিকেল ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। রাতেই প্রায় দুই ঘণ্টা অস্ত্রপচারের পর তার জ্ঞান ফেরে।অস্ত্রপচার সফল হলেও এখনও মাথায় প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে ওয়াহিদা খানম এখনও পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নয় জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।